ঢাকা ০৪:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের ফ্যাসিস্টদের ফটোকপি বিএনপির মধ্যে দেখতে পাচ্ছি: বিরোধীদলীয় নেতা স্কুলছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, অভিযুক্ত বিএনপি নেতা আটক প্রান্তিক মানুষের নাগালে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: মির্জা ফখরুল চীনে ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে নিহত বেড়ে ২৫, বেইজিংসহ একাধিক অঞ্চলে সতর্কতা হামাসের দুই কমান্ডারকে হত্যার দাবি ইসরাইলের হাসিনাকে গুম-খুন নিয়ে প্রশ্ন না করে অনেক সাংবাদিক তৈলমর্দনে ব্যস্ত ছিলেন: কাদের গনি ঢাকায় ফের ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ, যুক্ত হতে পারে বেসরকারি খাত জনগণ আপনাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত, কীভাবে আসবেন আসেন: শেখ হাসিনাকে পরওয়ার নতুন আইন কর্মকর্তাদের সততার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

‘রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে সুরক্ষাসামগ্রী ফেললে ময়লা নেয়া বন্ধ’

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রান্নাঘরের অবর্জনার সঙ্গে করোনাভাইরাসের ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস, পিপিই ফেলা হলে সেসব বাড়ি থেকে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ময়লা নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা নির্দিষ্ট ব্যাগে ব্যবহারকৃত এসব সুরক্ষা সামগ্রী ফেলতে হবে। যা বাসা-বাড়ি থেকে সপ্তাহে দুই দিন সংগ্রহ করা হবে বলে জানান আতিকুল।

মঙ্গলবার রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকার লকডাউন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আগামী ৭ জুলাই থেকে আমরা যদি দেখি কোন বাড়ি থেকে রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী ফেলে রেখেছে তাহলে সে বাড়ি থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কোন ময়লা নেবে না।‘

রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে ব্যবহারকৃত সুরক্ষা সামগ্রী মেশানো সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ায় উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘আমরা যখন ময়লা ফেলি তখন রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে অন্যান্য বর্জ্য আমরা মিশিয়ে ফেলছি। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। তাই যতদিন পর্যন্ত করোনাভাইরাস থাকবে আমাদেরকে ম্যানেজ করে চলতে হবে। আমরা যেমন মাস্ক পড়ছি, আমরা যেমন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছি। আমি অনুরোধ করব, আমরা একটু ব্যাগ দেব। ঢাকাবাসী আজকে থেকে আপনাদের ব্যবহার করা মাস্ক, পিপিই, গ্লাভস সে ব্যাগ রাখবেন।‘

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আপনাদের বাসা–বাড়ি থেকে প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার সপ্তাহে দুই দিন তারা এটি সংগ্রহ করবেন। আমরা এই ব্যাগটি সংগ্রহ করে এসটিএফ এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পুড়িয়ে ফেলব।‘

প্রথম অবস্থায় তিন লক্ষ ব্যাগ তৈরি করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন এলাকার সব বাসায় করেনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী আছে সেসব বাসায় গিয়ে ভলান্টিয়াররা এসব ব্যাগ দিয়ে আসবেন। এছাড়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে এবিষয়ক একটি করে লিফলেট প্রচার করে আসবে বলে জানান উত্তর সিটি মেয়র।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থগিত সীমান্ত বাণিজ্য পুনরায় চালুর আহ্বান মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের

‘রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে সুরক্ষাসামগ্রী ফেললে ময়লা নেয়া বন্ধ’

আপডেট সময় ০৩:৪০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রান্নাঘরের অবর্জনার সঙ্গে করোনাভাইরাসের ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস, পিপিই ফেলা হলে সেসব বাড়ি থেকে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ময়লা নেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা নির্দিষ্ট ব্যাগে ব্যবহারকৃত এসব সুরক্ষা সামগ্রী ফেলতে হবে। যা বাসা-বাড়ি থেকে সপ্তাহে দুই দিন সংগ্রহ করা হবে বলে জানান আতিকুল।

মঙ্গলবার রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার এলাকার লকডাউন কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, ‘আগামী ৭ জুলাই থেকে আমরা যদি দেখি কোন বাড়ি থেকে রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী ফেলে রেখেছে তাহলে সে বাড়ি থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কোন ময়লা নেবে না।‘

রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে ব্যবহারকৃত সুরক্ষা সামগ্রী মেশানো সংক্রমণ ঝুঁকি বাড়ায় উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘আমরা যখন ময়লা ফেলি তখন রান্নাঘরের আবর্জনার সঙ্গে অন্যান্য বর্জ্য আমরা মিশিয়ে ফেলছি। যা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত হুমকিস্বরূপ। তাই যতদিন পর্যন্ত করোনাভাইরাস থাকবে আমাদেরকে ম্যানেজ করে চলতে হবে। আমরা যেমন মাস্ক পড়ছি, আমরা যেমন সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছি। আমি অনুরোধ করব, আমরা একটু ব্যাগ দেব। ঢাকাবাসী আজকে থেকে আপনাদের ব্যবহার করা মাস্ক, পিপিই, গ্লাভস সে ব্যাগ রাখবেন।‘

আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা আপনাদের বাসা–বাড়ি থেকে প্রতি শনিবার এবং মঙ্গলবার সপ্তাহে দুই দিন তারা এটি সংগ্রহ করবেন। আমরা এই ব্যাগটি সংগ্রহ করে এসটিএফ এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে পুড়িয়ে ফেলব।‘

প্রথম অবস্থায় তিন লক্ষ ব্যাগ তৈরি করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন এলাকার সব বাসায় করেনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী আছে সেসব বাসায় গিয়ে ভলান্টিয়াররা এসব ব্যাগ দিয়ে আসবেন। এছাড়া পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা বাড়ি-বাড়ি গিয়ে এবিষয়ক একটি করে লিফলেট প্রচার করে আসবে বলে জানান উত্তর সিটি মেয়র।