ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তে চীনের রণহুংকার, পাল্টা জবাবে এক দশক পিছিয়ে দিল্লি গ্যাস সংকট স্বাভাবিক হতে লাগবে আরও ১০–১৫ দিন: জ্বালানিমন্ত্রী গ্রন্থাগারে ঢুকে শিক্ষার্থীদের মারধর করলেন রাকসু ও শিবির নেতারা চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ শুরু, আসবে ১.৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল শিল্প বিপ্লব ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের আন্দোলনের সফলতাকে নিজেদের বলে দাবি করেছে জামায়াতের বুদ্ধিজীবীরা: রাশেদ খাঁন ৩ শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল মানুষের আস্থার কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা হতে হবে রোগীবান্ধব: তথ্যমন্ত্রী

৩০ সেকেন্ড দেরি হলে নিশ্চিত মৃত্যু, বেঁচে গেলেন বিড়ালের জন্য!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পৃথিবীজুড়ে দৈনন্দিন নানা কাকতালীয় ঘটনা ঘটে। এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু ঘটনা মিডিয়ার কল্যাণে মানুষের নজরে আসে। আবার অনেক ঘটনা থেকে যায় আড়ালেই।

এবার এমন একটি কাকতালীয় ঘটনা প্রকাশ্যে এল, যেখানে বিড়ালের কারণে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকায়।

জানা গেছে, কাকতালীয়ভাবে একটি বিড়াল জামায় টান দেওয়ায় সিলিং ফ্যানের নিচ থেকে সরে আসেন তিনি। এরপর বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে সিলিং ফ্যান।

এমলনই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন ফারহানা হক নীলা নামের এক নারী।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, পিসিতে বসে কাজ করছিলাম, হঠাৎ মা বিড়াল আর বাচ্চা বিড়াল এসে আমারে স্কার্ট কামড়ে ধরে টানছিল। ওরা আমার পোষা নয় তবে আমার বাসাতেই বাচ্চাগুলোর জন্ম হয়েছিল। ভাবলাম, কাল একবার বিস্কিট খেতে দিয়েছিলাম আজ বোধ হয় আবার বিস্কিট খেতে চাচ্ছে। চেয়ার থেকে ২ পা সামনে এগোতে বিকট শব্দ। ভয়ে চিৎকার করে উঠলাম কে কে বলে। প্রথমে ভেবেছি কেউ জানলার গ্লাস ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছে। পরে ভেবেছি কম্পিউটার বাস্ট হয়ে গেছে। খুব ভয়ে ভয়ে রুমের দরজার দিকে আগালাম। দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। ঠিক আমার মাথার উপরে থাকা ফুল স্পিডে চলন্ত ফ্যান ছিড়ে মাটিতে পড়ে গেছে।

তিনি বলেন, প্রায় ১০-১৫ মিনিট পর স্বাভাবিক হলাম। আর একটু দেরি হলেই, কি হতো!? আর ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর। বেড়াল ২টি স্বাভাবিক। প্রায় এক মাস আগে এই মা বিড়ালটা আমার এই রুমেই, খাটের নীচে চারটি বাচ্চা জন্ম দেয়। এ মাসের শুরুর দিকে বাচ্চাগুলো হাঁটা শিখলে আমার ঘর থেকে বের হয়ে বারান্দায় পানির মেশিনের জালি ঘরে থাকে আর চলাফেরা করে। আজ হঠাৎ এই মা বিড়াল আর একটা বাচ্চা জানালা দিয়ে এসে ঢুকে আমাকে বাঁচায়ে দিয়ে গেল। সৃষ্টিকর্তার কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুরা নিজেদের গড়ে তুললে দেশ সঠিকভাবে গড়ে উঠবে: প্রধানমন্ত্রী

৩০ সেকেন্ড দেরি হলে নিশ্চিত মৃত্যু, বেঁচে গেলেন বিড়ালের জন্য!

আপডেট সময় ০১:৩৪:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

পৃথিবীজুড়ে দৈনন্দিন নানা কাকতালীয় ঘটনা ঘটে। এগুলোর মধ্যে কিছু কিছু ঘটনা মিডিয়ার কল্যাণে মানুষের নজরে আসে। আবার অনেক ঘটনা থেকে যায় আড়ালেই।

এবার এমন একটি কাকতালীয় ঘটনা প্রকাশ্যে এল, যেখানে বিড়ালের কারণে মাত্র ৩০ সেকেন্ডের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকায়।

জানা গেছে, কাকতালীয়ভাবে একটি বিড়াল জামায় টান দেওয়ায় সিলিং ফ্যানের নিচ থেকে সরে আসেন তিনি। এরপর বিকট শব্দে ভেঙে পড়ে সিলিং ফ্যান।

এমলনই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন ফারহানা হক নীলা নামের এক নারী।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, পিসিতে বসে কাজ করছিলাম, হঠাৎ মা বিড়াল আর বাচ্চা বিড়াল এসে আমারে স্কার্ট কামড়ে ধরে টানছিল। ওরা আমার পোষা নয় তবে আমার বাসাতেই বাচ্চাগুলোর জন্ম হয়েছিল। ভাবলাম, কাল একবার বিস্কিট খেতে দিয়েছিলাম আজ বোধ হয় আবার বিস্কিট খেতে চাচ্ছে। চেয়ার থেকে ২ পা সামনে এগোতে বিকট শব্দ। ভয়ে চিৎকার করে উঠলাম কে কে বলে। প্রথমে ভেবেছি কেউ জানলার গ্লাস ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করছে। পরে ভেবেছি কম্পিউটার বাস্ট হয়ে গেছে। খুব ভয়ে ভয়ে রুমের দরজার দিকে আগালাম। দৃশ্য দেখে ভয় পেয়ে গেলাম। ঠিক আমার মাথার উপরে থাকা ফুল স্পিডে চলন্ত ফ্যান ছিড়ে মাটিতে পড়ে গেছে।

তিনি বলেন, প্রায় ১০-১৫ মিনিট পর স্বাভাবিক হলাম। আর একটু দেরি হলেই, কি হতো!? আর ঘটনাটি ঘটে যাওয়ার পর। বেড়াল ২টি স্বাভাবিক। প্রায় এক মাস আগে এই মা বিড়ালটা আমার এই রুমেই, খাটের নীচে চারটি বাচ্চা জন্ম দেয়। এ মাসের শুরুর দিকে বাচ্চাগুলো হাঁটা শিখলে আমার ঘর থেকে বের হয়ে বারান্দায় পানির মেশিনের জালি ঘরে থাকে আর চলাফেরা করে। আজ হঠাৎ এই মা বিড়াল আর একটা বাচ্চা জানালা দিয়ে এসে ঢুকে আমাকে বাঁচায়ে দিয়ে গেল। সৃষ্টিকর্তার কাছে লাখ লাখ শুকরিয়া।