ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশবাসীকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির ৪১৩ রানে অলআউট বাংলাদেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বৈঠক ভবিষ্যতে বিশ্বে শোষণ নীতির জায়গা হবে না: ইরানের প্রেসিডেন্ট জুলাই সনদ নিয়ে ছলচাতুরী করছে সরকার: নাহিদ ইসলাম বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন রিফাতের তৈরি গাড়িতে ঘুরলেন প্রধানমন্ত্রী রাজনীতির নামে নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ধর্মীয় ভণ্ডামি কখনোই নতুন রাজনীতি হতে পারেনা: রাশেদ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী হাসিনা দিয়েছিল যাবজ্জীবন সাজা, আর আল্লাহ বানালেন মন্ত্রী: ধর্মমন্ত্রী তিন সন্তানকে বাঁচিয়ে আগুনে পুড়ে মারা গেলেন স্বামী-স্ত্রী

ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশবাসীকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে দলের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে জামায়াতের আমির বলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বাংলাদেশের জনগণের কাছে এক সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি ছিলেন একজন প্রজ্ঞাবান আলেমে দ্বীন, দূরদর্শী ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সততা, প্রজ্ঞা, বিনয়, উদারতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে শৈশবকাল থেকেই মাওলানা নিজামী প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল ব্যাপক। ২০০৬ সালের এক বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের আরেকটি বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০ জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের অন্যতম হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২০১৬ সালের ১০ মে দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য আমরা দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজযাত্রীদের ২৪ ঘণ্টা ১১ ভাষায় সেবা দেবে সৌদি আরব

ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশবাসীকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াতের আমির

আপডেট সময় ০২:৩০:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

শনিবার (৯ মে) দুপুরে দলের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে জামায়াতের আমির বলেন, শহীদ মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বাংলাদেশের জনগণের কাছে এক সুপরিচিত ও শ্রদ্ধাভাজন নাম। তিনি ছিলেন একজন প্রজ্ঞাবান আলেমে দ্বীন, দূরদর্শী ইসলামী চিন্তাবিদ এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ। সততা, প্রজ্ঞা, বিনয়, উদারতা ও নেতৃত্বগুণ তাকে অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানিতে শৈশবকাল থেকেই মাওলানা নিজামী প্রতিটি স্তরে নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই তিনি ইসলামী আদর্শের প্রচার, প্রসার ও প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মনিয়োগ করেন। একজন দায়িত্বশীল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। গণতান্ত্রিক ও নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ইসলামের সুমহান আদর্শ প্রতিষ্ঠা করে বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্রে রূপান্তরের লক্ষ্যে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল ব্যাপক। ২০০৬ সালের এক বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের আরেকটি বৈশ্বিক জরিপে বিশ্বের প্রভাবশালী ৫০ জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের অন্যতম হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হয়।

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় এবং ২০১৬ সালের ১০ মে দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীর আদর্শ ও অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশকে একটি ইসলামী কল্যাণরাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামীর আন্দোলনে শরিক হওয়ার জন্য আমরা দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।