ঢাকা ০২:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন হজ্জ ক্যাম্পে প্রবাসীদের জন্য ১০০ শয্যার আবাসন ব্যবস্থার ঘোষণা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর নিউইয়র্কে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত বাংলাদেশি ট্যাক্সি ড্রাইভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের কাছে দ্বিতীয় স্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ: বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সেনাসদর নির্বাচনি পর্ষদ-২০২৬’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাভারে কেমিক্যাল কারখানায় আগুন, ফায়ার ফাইটারসহ আহত ৫ দেশে আরও এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী

করোনার সঙ্গে লড়তে কলকাতায় তৈরি হলো ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

গোটা বিশ্বে এখনো করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি। অপরদিকে, বিশেজ্ঞদের মত করোনা সঙ্গে লড়াই করতে শরীরে প্রয়োজন ‘ইমিউনিটি পাওয়ার’। তাই কলকাতাবাসীকে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি দিতে এক মিষ্টি প্রতিষ্ঠান বানিয়ে ফেলল সম্পূর্ণ ওষুধিগুণে ভরা ছানার সন্দেশ।

সন্দেশটির নাম দেওয়া হয়েছ ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। উপকারী ওষুধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ উপাদান এবং ছানার মিশ্রনে তৈরি হয়েছে এই সন্দেশ। বাঙালির মনে ও শরীরে শক্তি জোগাতেই এই পরিকল্পনা করেছে কলকাতার প্রথমসারির প্রখ্যাত মিষ্টির দোকান ‘বলরাম মল্লিক এবং রাধারমণ মল্লিক।’

বাজারে আসতেই হট কেকের মতো বিক্রি হচ্ছে ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। এতে আছে ১৪টি আয়ুর্বেদিক উপাদান ও ছানা। সন্দেশ তৈরি হয়েছে তুলসি, যষ্টিমধু, তেজপাতা, হলুদ, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, জায়ফল, যৈত্রী, কেশর, কালোজিরে এবং আরও কিছু ভেষজ উপাদান। এছাড়া নামে মিষ্টি হলেও সন্দেশে ব্যবহার করা হয়নি চিনি বা গুড়। এমনকী নেই কোনো বাড়তি রং।

কর্ণধার সুদীপ মল্লিক বলেন, মিষ্টতার জন্য গুড় বা চিনি কোনোটাই ব্যবহার করা হয়নি। এই মিষ্টির জন্য আমরা ব্যবহার করেছি ‘হিমালয়ান মধু’। আর সঙ্গে আছে ১৪ রকমের হার্বাল।

এরপর তিনি বলেন, বিশেজ্ঞদের মতে করোনার সঙ্গে লড়তে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রে শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে এই সব ভেষজ উপাদানগুলোর কথাই বলা আছে। তাই একটা চেষ্টা মাত্র। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন একটা করে খেতেই পারেন। চিনি বা গুড় নেই। তাই সব ধরনের রোগী ইমিউনিটি সন্দেশের স্বাদ নিতে পারবে।

তথ্য বলছে, করোনার দাপট পুরোদমে জারি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্যে করোনা সংক্রমণের সবচেয়ে প্রভাবিত অঞ্চল কলকাতায়। সেই কলকাতার, মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির জন্য বানিয়ে ফেলা হলো ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। যা বাজারে আসতেই ভালোই বিক্রি হচ্ছে। দাম মাত্র ২৫ রুপি প্রতি পিস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বনিবনা না হলে কবে আবার তিনিও জামায়াত থেকে বের হয়ে যান: রাশেদ খাঁন

করোনার সঙ্গে লড়তে কলকাতায় তৈরি হলো ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’

আপডেট সময় ০৯:৩৪:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

গোটা বিশ্বে এখনো করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে আসেনি। অপরদিকে, বিশেজ্ঞদের মত করোনা সঙ্গে লড়াই করতে শরীরে প্রয়োজন ‘ইমিউনিটি পাওয়ার’। তাই কলকাতাবাসীকে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি দিতে এক মিষ্টি প্রতিষ্ঠান বানিয়ে ফেলল সম্পূর্ণ ওষুধিগুণে ভরা ছানার সন্দেশ।

সন্দেশটির নাম দেওয়া হয়েছ ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। উপকারী ওষুধিগুণ সম্পন্ন ভেষজ উপাদান এবং ছানার মিশ্রনে তৈরি হয়েছে এই সন্দেশ। বাঙালির মনে ও শরীরে শক্তি জোগাতেই এই পরিকল্পনা করেছে কলকাতার প্রথমসারির প্রখ্যাত মিষ্টির দোকান ‘বলরাম মল্লিক এবং রাধারমণ মল্লিক।’

বাজারে আসতেই হট কেকের মতো বিক্রি হচ্ছে ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। এতে আছে ১৪টি আয়ুর্বেদিক উপাদান ও ছানা। সন্দেশ তৈরি হয়েছে তুলসি, যষ্টিমধু, তেজপাতা, হলুদ, এলাচ, লবঙ্গ, দারুচিনি, জায়ফল, যৈত্রী, কেশর, কালোজিরে এবং আরও কিছু ভেষজ উপাদান। এছাড়া নামে মিষ্টি হলেও সন্দেশে ব্যবহার করা হয়নি চিনি বা গুড়। এমনকী নেই কোনো বাড়তি রং।

কর্ণধার সুদীপ মল্লিক বলেন, মিষ্টতার জন্য গুড় বা চিনি কোনোটাই ব্যবহার করা হয়নি। এই মিষ্টির জন্য আমরা ব্যবহার করেছি ‘হিমালয়ান মধু’। আর সঙ্গে আছে ১৪ রকমের হার্বাল।

এরপর তিনি বলেন, বিশেজ্ঞদের মতে করোনার সঙ্গে লড়তে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। ভারতীয় আয়ুর্বেদশাস্ত্রে শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে এই সব ভেষজ উপাদানগুলোর কথাই বলা আছে। তাই একটা চেষ্টা মাত্র। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে প্রতিদিন একটা করে খেতেই পারেন। চিনি বা গুড় নেই। তাই সব ধরনের রোগী ইমিউনিটি সন্দেশের স্বাদ নিতে পারবে।

তথ্য বলছে, করোনার দাপট পুরোদমে জারি রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। রাজ্যে করোনা সংক্রমণের সবচেয়ে প্রভাবিত অঞ্চল কলকাতায়। সেই কলকাতার, মিষ্টিপ্রিয় বাঙালির জন্য বানিয়ে ফেলা হলো ‘ইমিউনিটি সন্দেশ’। যা বাজারে আসতেই ভালোই বিক্রি হচ্ছে। দাম মাত্র ২৫ রুপি প্রতি পিস।