ঢাকা ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি সংস্কার নিয়ে বিএনপির প্রতারণা জনগণের সঙ্গে: বিরোধীদলীয় নেতা এসডিজি অর্জনে নারী নেতৃত্ব অপরিহার্য : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ কর্নেল অলির সংসদে ব্যাংক ডাকাতদের ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়ার দাবি রেহানা আক্তার রানুর স্বাস্থ্যখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা জাবের-জুমার

করোনা চিকিৎসায় বিশ্বে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন করল বাংলাদেশ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা চিকিৎসায় তুলনামূলক বেশি কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত রেমডেসিভির উৎপাদন করেছে বাংলাদেশ। দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড উৎপাদন শেষে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চূড়ান্ত যাচাই শেষে হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শতভাগ কার্যকর ওষুধের দেখা মেলেনি এখনও। বিশ্বজুড়ে গবেষণা বলছে, কোভিড ১৯ উপশমে তুলনামূলক ভালো অ্যান্টিভাইরাল রেমডেসিভির।

বিশ্বে প্রথম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেনেরিক গ্রুপের রেমডেসিভির উৎপাদন করেছে এসকেএফ। এর বাণিজ্যিক নাম ‘রেমিভির’। এসকেএফ জানিয়েছে, বিধি অনুযায়ী নমুনা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীনস্থ ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে জমা দেওয়া হবে এবং ছাড়পত্র ও বাজারজাতের অনুমতি পেলেই বিতরণ শুরু হবে। ওষুধের মূল উপাদান সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং পর্যাপ্ত কাঁচামাল প্রস্তুত আছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এসকেএফ’র বিপণন ও বিক্রয় পরিচালক ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্বে প্রথম রেমডেসিভির ম্যানুফেকচারিংয়ের সব ধাপ শেষ করেছি। হাসপাতালগুলোতে দেয়ার আগে একটা প্রসেস আছে, সেটা শেষ হলেই আমরা দিতে পারবো।

চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, এটি আমাদের সরকার থেকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ সবাই এক জোটে হয়ে কাজ করে প্রস্তুত করে রাখছি।

এমন ওষুধ দেশে উৎপাদন যুগান্তকারী মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজনে এ নিয়ে আরো গবেষণা করতে হবে।

এসকেএফ-এর পাশাপাশি বেক্সিমকো, ইনসেপটা স্কয়ারসহ আরো আটটি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে রেমিসিভির উৎপাদনে অনুমতি দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি

করোনা চিকিৎসায় বিশ্বে প্রথম রেমডেসিভির উৎপাদন করল বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৩:১৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা চিকিৎসায় তুলনামূলক বেশি কার্যকর ওষুধ বলে স্বীকৃত রেমডেসিভির উৎপাদন করেছে বাংলাদেশ। দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড উৎপাদন শেষে সরবরাহের প্রস্তুতি নিচ্ছে। চূড়ান্ত যাচাই শেষে হাসপাতালগুলোতে পৌঁছে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে শতভাগ কার্যকর ওষুধের দেখা মেলেনি এখনও। বিশ্বজুড়ে গবেষণা বলছে, কোভিড ১৯ উপশমে তুলনামূলক ভালো অ্যান্টিভাইরাল রেমডেসিভির।

বিশ্বে প্রথম ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জেনেরিক গ্রুপের রেমডেসিভির উৎপাদন করেছে এসকেএফ। এর বাণিজ্যিক নাম ‘রেমিভির’। এসকেএফ জানিয়েছে, বিধি অনুযায়ী নমুনা ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অধীনস্থ ন্যাশনাল কন্ট্রোল ল্যাবরেটরিতে জমা দেওয়া হবে এবং ছাড়পত্র ও বাজারজাতের অনুমতি পেলেই বিতরণ শুরু হবে। ওষুধের মূল উপাদান সরবরাহকারীদের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে এবং পর্যাপ্ত কাঁচামাল প্রস্তুত আছে বলেও জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

এসকেএফ’র বিপণন ও বিক্রয় পরিচালক ডা. মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বিশ্বে প্রথম রেমডেসিভির ম্যানুফেকচারিংয়ের সব ধাপ শেষ করেছি। হাসপাতালগুলোতে দেয়ার আগে একটা প্রসেস আছে, সেটা শেষ হলেই আমরা দিতে পারবো।

চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার কথা জানিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেন, এটি আমাদের সরকার থেকে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরসহ সবাই এক জোটে হয়ে কাজ করে প্রস্তুত করে রাখছি।

এমন ওষুধ দেশে উৎপাদন যুগান্তকারী মন্তব্য করে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রয়োজনে এ নিয়ে আরো গবেষণা করতে হবে।

এসকেএফ-এর পাশাপাশি বেক্সিমকো, ইনসেপটা স্কয়ারসহ আরো আটটি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে রেমিসিভির উৎপাদনে অনুমতি দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।