ঢাকা ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি সংস্কার নিয়ে বিএনপির প্রতারণা জনগণের সঙ্গে: বিরোধীদলীয় নেতা এসডিজি অর্জনে নারী নেতৃত্ব অপরিহার্য : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ কর্নেল অলির সংসদে ব্যাংক ডাকাতদের ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়ার দাবি রেহানা আক্তার রানুর স্বাস্থ্যখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা জাবের-জুমার

এই গণবিরোধী ও অন্যায় আইন বাতিল করতে হবে: ফখরুল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনরোষের আগুন থেকে সরকারকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে এমন অভিযোগ করে অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেছেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।

শনিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি সুস্পষ্ট ভাষায় সরকারকে জানাতে চায়, বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কেবল সরকারকে জনরোষের আগুন থেকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। আমরা চলমান বৈশ্বিক করোনা মহামারির সময়ে সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগ করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, লেখক, ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা সত্ত্বেও নির্যাতন ও হয়রানি উদ্দেশ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকেই বারবার ব্যবহার করছে সরকার।

ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরে থাকুক মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার। দেশের বিভিন্ন জেলার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হরদম গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছে। অথচ ত্রাণের চাল চোর ও গম চোররা নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসবের মধ্যদিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

‘দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেই কি পরিপত্র জারি হচ্ছে’-এমন প্রশ্ন রেখে ফখরুল বলেন, সরকারের জারিকৃত পরিপত্রগুলো কী রকম ডিক্টেটোরিয়াল (স্বৈরাচারী) চিন্তা করা যায় না। চাল চুরি হচ্ছে, গম চুরি হচ্ছে, সয়াবিন তেল চুরি হচ্ছে, রিলিফ চুরি হচ্ছে -এসব সম্পর্কে যদি লিখতে যান, তাহলে কি সেটা অন্যায় হবে? সত্য উৎঘাটন করাই তো সাংবাদিকদের কাজ।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই যে সত্য খবর লুকানোর কারণটা কী, হাইড করার কারণটা কী? কেন এই ধরনের দমন-নির্যাতন চলছে? তার অর্থ সত্য কথা যাতে বেরিয়ে না আসে। এটা কার স্বার্থে যাচ্ছে? সরকারের স্বার্থে কিন্তু যাচ্ছে না আল্টিমেটলি।

এ সময় চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি

এই গণবিরোধী ও অন্যায় আইন বাতিল করতে হবে: ফখরুল

আপডেট সময় ০৩:০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন জনরোষের আগুন থেকে সরকারকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে এমন অভিযোগ করে অবিলম্বে এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই আইন বাতিলের দাবি জানিয়ে বলেছেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।

শনিবার গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান মির্জা ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বিএনপি সুস্পষ্ট ভাষায় সরকারকে জানাতে চায়, বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কেবল সরকারকে জনরোষের আগুন থেকে রক্ষার জন্যই অপব্যবহার চলছে। এই মুহূর্তে রাষ্ট্রের এই অন্যায় বন্ধ করতে হবে।’

তিনি বলেন, এই গণবিরোধী আইন বাতিল করতে হবে। আমরা চলমান বৈশ্বিক করোনা মহামারির সময়ে সারাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ বিভিন্ন আইনের অপপ্রয়োগ করে গ্রেপ্তার ও হয়রানির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের অব্যবস্থাপনা ও ব্যর্থতার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখালেখির কারণে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে সাংবাদিক, কার্টুনিস্ট, লেখক, ব্যবসায়ীসহ কয়েকজনের গ্রেপ্তারের ঘটনা তুলে ধরেন বিএনপি মহাসচিব। বলেন, দেশে একটি কার্যকরী মানহানি আইন থাকা সত্ত্বেও নির্যাতন ও হয়রানি উদ্দেশ্যে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনকেই বারবার ব্যবহার করছে সরকার।

ফখরুল বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার তো দূরে থাকুক মানুষ তার কষ্টের কথাও যাতে ভার্চুয়াল জগতে প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য একের পর এক পরিপত্র জারি করে চলেছে সরকার। দেশের বিভিন্ন জেলার বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের হরদম গ্রেপ্তার করা হচ্ছে ও আতঙ্কের মধ্যে রাখা হয়েছে। অথচ ত্রাণের চাল চোর ও গম চোররা নিরাপদে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এসবের মধ্যদিয়ে সরকারের নিষ্ঠুর, অমানবিক এবং ফ্যাসিবাদী চরিত্রের মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে।

‘দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেই কি পরিপত্র জারি হচ্ছে’-এমন প্রশ্ন রেখে ফখরুল বলেন, সরকারের জারিকৃত পরিপত্রগুলো কী রকম ডিক্টেটোরিয়াল (স্বৈরাচারী) চিন্তা করা যায় না। চাল চুরি হচ্ছে, গম চুরি হচ্ছে, সয়াবিন তেল চুরি হচ্ছে, রিলিফ চুরি হচ্ছে -এসব সম্পর্কে যদি লিখতে যান, তাহলে কি সেটা অন্যায় হবে? সত্য উৎঘাটন করাই তো সাংবাদিকদের কাজ।

এক প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই যে সত্য খবর লুকানোর কারণটা কী, হাইড করার কারণটা কী? কেন এই ধরনের দমন-নির্যাতন চলছে? তার অর্থ সত্য কথা যাতে বেরিয়ে না আসে। এটা কার স্বার্থে যাচ্ছে? সরকারের স্বার্থে কিন্তু যাচ্ছে না আল্টিমেটলি।

এ সময় চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শামসুদ্দিন দিদার ও শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।