ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

করোনাভাইরাস: গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক বেশি কার্যকর

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় ব্যবহার করা হয়।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড় মাস্কের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই মাস্ক ব্যবহারে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ।

অধ্যাপক তাহের সাইফ তার দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা পরিচালনা করেন। ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন- বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।

‘শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে নির্গত জলকনার (ড্রপলেটস) মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে হাতে বানানো মাস্কের কাপড়ের কার্যকারিতা সমীক্ষা’ শিরোনামের এই গবেষণাপত্র ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ওয়েবসাইটে (www.medrxiv.org)।

ইয়েল ইউনিভার্সিটি করোনা সংক্রমণ সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলো সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে।

অধ্যাপক তাহের সাইফ বলেন, মাস্ক ব্যবহার ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। মাস্কের মূল কাজটা হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে থুতু বা শরীর থেকে যে ড্রপলেটস বের হয়ে আসে তা ঠেকানো। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস যাতে নেয়া যায় সে ব্যবস্থা রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত মার্চ মাসের শেষদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই গবেষণা শুরু করি। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেন তিনি। স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে সামনে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক।

তাহের সাইফ বলেন, ড্রপলেটস আটকাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে কার্যকর। গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফলা পাওয়া গেছে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, গেঞ্জির কাপড় এক স্তর ৪০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। কিন্তু দুই স্তর কাপড় দিলে এটি ৯৮ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। সহজে শ্বাসও নেয়া যায়। অন্যদিকে সার্জিক্যাল মাস্ক ড্রপলেটস আটকাতে পারে ৯৬ শতাংশ। এটি শুধু একবারই ব্যবহার করা যায়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

করোনাভাইরাস: গেঞ্জির কাপড়ের মাস্ক বেশি কার্যকর

আপডেট সময় ১০:১৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মে ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মাস্ক ব্যবহার করা হচ্ছে। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় ব্যবহার করা হয়।

তবে গবেষণায় দেখা গেছে, গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড় মাস্কের জন্য সবচেয়ে ভালো। এই মাস্ক ব্যবহারে সবচেয়ে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

এই গবেষণা দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশি প্রকৌশলী ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় অ্যাট আরবানা-শ্যাম্পেইনের মেকানিক্যাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অধ্যাপক তাহের সাইফ।

অধ্যাপক তাহের সাইফ তার দুই পিএইচডি শিক্ষার্থীকে নিয়ে এ গবেষণা পরিচালনা করেন। ওই দুই শিক্ষার্থী হলেন- বাংলাদেশের বাশার ইমন ও তুরস্কের আনুর আইদিন।

‘শ্বাসযন্ত্রের মাধ্যমে নির্গত জলকনার (ড্রপলেটস) মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে হাতে বানানো মাস্কের কাপড়ের কার্যকারিতা সমীক্ষা’ শিরোনামের এই গবেষণাপত্র ২৪ এপ্রিল প্রকাশিত হয় ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ওয়েবসাইটে (www.medrxiv.org)।

ইয়েল ইউনিভার্সিটি করোনা সংক্রমণ সংশ্লিষ্ট গবেষণাগুলো সরাসরি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে।

অধ্যাপক তাহের সাইফ বলেন, মাস্ক ব্যবহার ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধ করা সম্ভব নয়। মাস্কের মূল কাজটা হলো হাঁচি-কাশির মাধ্যমে থুতু বা শরীর থেকে যে ড্রপলেটস বের হয়ে আসে তা ঠেকানো। এছাড়া শ্বাস-প্রশ্বাস যাতে নেয়া যায় সে ব্যবস্থা রাখা জরুরি।

তিনি বলেন, বিশেষ অনুমতি নিয়ে গত মার্চ মাসের শেষদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে এই গবেষণা শুরু করি। মাস্ক তৈরির জন্য সিল্ক, সুতি, পলিয়েস্টার, কৃত্রিম তন্তুসহ ১০ রকমের কাপড় নেন তিনি। স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে সামনে ছিল সার্জিক্যাল মাস্ক।

তাহের সাইফ বলেন, ড্রপলেটস আটকাতে এবং শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে কার্যকর। গবেষণায় গেঞ্জি বা টি-শার্ট তৈরিতে ব্যবহৃত কাপড়ে সবচেয়ে ভালো ফলা পাওয়া গেছে।

পরীক্ষায় দেখা গেছে, গেঞ্জির কাপড় এক স্তর ৪০ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। কিন্তু দুই স্তর কাপড় দিলে এটি ৯৮ শতাংশ ড্রপলেটস আটকাতে পারে। সহজে শ্বাসও নেয়া যায়। অন্যদিকে সার্জিক্যাল মাস্ক ড্রপলেটস আটকাতে পারে ৯৬ শতাংশ। এটি শুধু একবারই ব্যবহার করা যায়।