ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

দিল্লি ও চেন্নাইয়ে আটকে পড়া ৩২৯ জন দেশে ফিরছেন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দ্বিতীয় দফায় ভারতের দিল্লি ও চেন্নাই থেকে দুটি আলাদা ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩২৯ জন বাংলাদেশি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিল্লি থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

হাইকমিশনার জানান, দিল্লি থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ১৬৩ জন এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আরেকটি ফ্লাইটে ১৬৬ জন যাত্রী ঢাকার পথে যাত্রা করেছেন। বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ফ্লাইট দুটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন তথা বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এসব যাত্রীকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

বাংলাদেশের যাত্রীদের দিল্লি থেকে ঢাকায় পাঠানোর সময় মোহাম্মদ ইমরানসহ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কয়েকজন কর্মকর্তা ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা ঢাকায় ফেরত বাংলাদেশের যাত্রীদের সব ধরনের সহযোগিতা করেন।

মোহাম্মদ ইমরান জানান, এসব যাত্রীদের বেশিরভাগই চিকিৎসাধীন রোগী। তবে বেশ কিছু শিক্ষার্থীও রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ভারতে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি আটকে পড়েন বলে জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে গত ২০ এপ্রিল চেন্নাই থেকে প্রথম ফ্লাইটে ১৬৪ জন বাংলাদেশি ঢাকায় ফিরেছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রোববার (২৬ এপ্রিল) আরও একটি ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে ১৬৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরার কথা। এদের বেশিরভাগই বেঙ্গালোরের নারায়না হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসে আটকে পড়েছিলেন। দুই দেশের সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।

২৫ মার্চ থেকে ভারতে লকডাউন শুরু হওয়ার পর নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং কলকাতা, মুম্বাই, গুয়াহাটি ও ত্রিপুরার মিশনগুলোর সহযোগিতায় প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি বিমান ও স্থলপথে দেশে ফিরেছেন। যারা এখনও ভারতে অবস্থান করছেন, তাদের দেশে ফেরানোর জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে দুই দেশের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি যথাসময়ে হাইকমিশনের ওয়েবসাইট, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হবে।

ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান, রেল এবং গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রেখেছে। বিদেশ থেকে প্রবাসী ভারতীয়দের প্রত্যাবর্তনের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে। কূটনীতিবিদসহ সব বিদেশিদের লকডাউন সংক্রান্ত অনুশাসনসমূহ মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার প্রবাসে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট। বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকেই দেশে ফিরছেন। আটকেপড়া সবাইকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ভারতে বাংলাদেশ মিশনগুলো সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। তবে দুই দেশের জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সবাইকে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পরিহারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরে স্থানীয় সরকারের নির্দেশনাবলি পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

দিল্লি ও চেন্নাইয়ে আটকে পড়া ৩২৯ জন দেশে ফিরছেন

আপডেট সময় ০৭:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দ্বিতীয় দফায় ভারতের দিল্লি ও চেন্নাই থেকে দুটি আলাদা ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন ৩২৯ জন বাংলাদেশি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিল্লি থেকে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।

হাইকমিশনার জানান, দিল্লি থেকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে ১৬৩ জন এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আরেকটি ফ্লাইটে ১৬৬ জন যাত্রী ঢাকার পথে যাত্রা করেছেন। বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ফ্লাইট দুটি ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন তথা বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ ও সহযোগিতায় এসব যাত্রীকে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।

বাংলাদেশের যাত্রীদের দিল্লি থেকে ঢাকায় পাঠানোর সময় মোহাম্মদ ইমরানসহ বাংলাদেশ হাইকমিশনের কয়েকজন কর্মকর্তা ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তারা ঢাকায় ফেরত বাংলাদেশের যাত্রীদের সব ধরনের সহযোগিতা করেন।

মোহাম্মদ ইমরান জানান, এসব যাত্রীদের বেশিরভাগই চিকিৎসাধীন রোগী। তবে বেশ কিছু শিক্ষার্থীও রয়েছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউনে ভারতে প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি আটকে পড়েন বলে জানায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এদের মধ্যে গত ২০ এপ্রিল চেন্নাই থেকে প্রথম ফ্লাইটে ১৬৪ জন বাংলাদেশি ঢাকায় ফিরেছেন।

বাংলাদেশ হাইকমিশন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রোববার (২৬ এপ্রিল) আরও একটি ফ্লাইটে চেন্নাই থেকে ১৬৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফেরার কথা। এদের বেশিরভাগই বেঙ্গালোরের নারায়না হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য এসে আটকে পড়েছিলেন। দুই দেশের সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও ফ্লাইট পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে।

২৫ মার্চ থেকে ভারতে লকডাউন শুরু হওয়ার পর নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং কলকাতা, মুম্বাই, গুয়াহাটি ও ত্রিপুরার মিশনগুলোর সহযোগিতায় প্রায় এক হাজার বাংলাদেশি বিমান ও স্থলপথে দেশে ফিরেছেন। যারা এখনও ভারতে অবস্থান করছেন, তাদের দেশে ফেরানোর জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে দুই দেশের কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি যথাসময়ে হাইকমিশনের ওয়েবসাইট, ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হবে। ছাত্র-ছাত্রীদেরকে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে জানানো হবে।

ভারত সরকার অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে বিমান, রেল এবং গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত রেখেছে। বিদেশ থেকে প্রবাসী ভারতীয়দের প্রত্যাবর্তনের নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে মেনে চলা হচ্ছে। কূটনীতিবিদসহ সব বিদেশিদের লকডাউন সংক্রান্ত অনুশাসনসমূহ মেনে চলার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সরকার প্রবাসে অবস্থানরত সব বাংলাদেশিদের সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট। বিভিন্ন দেশ থেকে অনেকেই দেশে ফিরছেন। আটকেপড়া সবাইকে সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য ভারতে বাংলাদেশ মিশনগুলো সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। তবে দুই দেশের জনগণের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সবাইকে অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আন্তর্জাতিক ভ্রমণ পরিহারের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। সবাইকে আতঙ্কিত না হয়ে ধৈর্য ধরে স্থানীয় সরকারের নির্দেশনাবলি পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।