ঢাকা ১২:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান গণভোট ও সংসদ নির্বাচনের সব পর্যায়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে: সিইসি গাজীপুরে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ২৪ লাখ টাকা ছিনতাই ডাকসু নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য জামায়াত নেতার, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ভোট দেখতে বিদেশ থেকে আসবে ৫০০ সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক জনগণকে সাবধানে নেতা বাছাই করার পরামর্শ দিলেন রুমিন ফারহানা বাড়ল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এমপিদের ট্যাক্স ফ্রি গাড়ি সুবিধা নেওয়া বন্ধ করতে হবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘সাকিবকে খেলার জন্য বিবেচনা করা ক্রিকেট বোর্ডের স্টান্টবাজি,’ বললেন আমিনুল হক কোন ষড়যন্ত্র বিএনপির বিজয় ঠেকাতে পারবে না: দুলু

ডিজিটাল হচ্ছে ত্রাণ কার্যক্রম

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ত্রাণ কার্যক্রম ডিজিটাল করতে যাচ্ছে সরকার। এজন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি এবং উপকারভোগীদের (ত্রাণ গ্রহণকারীদের) ডাটাবেইজ করা হচ্ছে।

দুর্যোগের সময়ে জনগণের বৃহত্তর কল্যাণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআইয়ের সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সফটওয়্যার তৈরি এবং উপকারভোগীদের ডাটাবেইজ তৈরি করবে।

এ জন্য সোমবার (২০ এপ্রিল) দুটি কমিটি করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমানের নেতৃত্বে কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সাত সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মোহসীন, এসএমওডিএমআরপিএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মোহাম্মদ নাছিম, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক আহমাদুল হক।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসেনকে এ কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

ব্যবস্থাপনা কমিটি উপকারভোগীদের ডাটাবেইজ ও সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রে কারিগরি কমিটিকে দিক-নির্দেশনা দেবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে সমন্বয়ের কাজও করবে এ কমিটি।

৯ সদস্যের কারিগরি কমিটিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক আহমদুল হক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের উপপরিচালক নিতাই চন্দ্র দে সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের প্রোগ্রামার প্রবীর কুমার দাস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সিস্টেম এনালিস্ট মো. অলিদ বিন আসাদ, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, এসএমওডিএমআরপিএ প্রকল্পের ডাটাবেইজ অপারেটর সুমন কর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে কারিগরি কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কারিগরি কমিটি এটুআই গ্রোগ্রামের সহায়তায় জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রত্যেক উপকারভোগীর একটি কিউআর (কুইক রেসপন্স) কার্ড তৈরির মাধ্যমে নির্ভুল ডাটাবেইজ তৈরি করবে।

খাদ্য সংকট নিরসনে সরাসরি সেবা সম্পর্কিত হেল্পলাইন ৩৩৩ এর মাধ্যমে ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এ সেবা দেয়ার জন্য ৩৩৩ এর কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই কমিটি।

বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তি উদ্যোগে কোনো ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে এটুআই প্রণীত সেন্ট্রাল ডাটাবেইজের আওতায় ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি ও উপকারভোগীর ডাটাবেইজ তৈরির কাজ শুরু করতে হবে উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়েছে, ডাটাবেইজ এবং সফটওয়্যার তৈরির বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে অবগত করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কীভাবে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হয় বিএনপি জানে : তারেক রহমান

ডিজিটাল হচ্ছে ত্রাণ কার্যক্রম

আপডেট সময় ০৯:২১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ত্রাণ কার্যক্রম ডিজিটাল করতে যাচ্ছে সরকার। এজন্য একটি সফটওয়্যার তৈরি এবং উপকারভোগীদের (ত্রাণ গ্রহণকারীদের) ডাটাবেইজ করা হচ্ছে।

দুর্যোগের সময়ে জনগণের বৃহত্তর কল্যাণে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআইয়ের সহযোগিতায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে সফটওয়্যার তৈরি এবং উপকারভোগীদের ডাটাবেইজ তৈরি করবে।

এ জন্য সোমবার (২০ এপ্রিল) দুটি কমিটি করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামালের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমানের নেতৃত্বে কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সাত সদস্যের ব্যবস্থাপনা কমিটিতে সদস্য হিসেবে রয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফয়জুর রহমান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. মোহসীন, এসএমওডিএমআরপিএ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সত্যেন্দ্র কুমার সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মোহাম্মদ নাছিম, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক আহমাদুল হক।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আকরাম হোসেনকে এ কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

ব্যবস্থাপনা কমিটি উপকারভোগীদের ডাটাবেইজ ও সফটওয়্যার তৈরির ক্ষেত্রে কারিগরি কমিটিকে দিক-নির্দেশনা দেবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে এ বিষয়ে সমন্বয়ের কাজও করবে এ কমিটি।

৯ সদস্যের কারিগরি কমিটিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের পরিচালক মো. আবু বকর সিদ্দিক, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির পরিচালক আহমদুল হক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের উপপরিচালক নিতাই চন্দ্র দে সরকার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের প্রোগ্রামার প্রবীর কুমার দাস, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের সিস্টেম এনালিস্ট মো. অলিদ বিন আসাদ, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আব্দুল কাদের, এসএমওডিএমআরপিএ প্রকল্পের ডাটাবেইজ অপারেটর সুমন কর সদস্য হিসেবে রয়েছেন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে কারিগরি কমিটির সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কারিগরি কমিটি এটুআই গ্রোগ্রামের সহায়তায় জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ এবং মোবাইল নম্বর ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্যের ভিত্তিতে প্রত্যেক উপকারভোগীর একটি কিউআর (কুইক রেসপন্স) কার্ড তৈরির মাধ্যমে নির্ভুল ডাটাবেইজ তৈরি করবে।

খাদ্য সংকট নিরসনে সরাসরি সেবা সম্পর্কিত হেল্পলাইন ৩৩৩ এর মাধ্যমে ত্রাণ ও খাদ্য সহায়তার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এ সেবা দেয়ার জন্য ৩৩৩ এর কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এই কমিটি।

বেসরকারি ও স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান/ ব্যক্তি উদ্যোগে কোনো ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে এটুআই প্রণীত সেন্ট্রাল ডাটাবেইজের আওতায় ত্রাণ বিতরণ করা হবে।

আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার তৈরি ও উপকারভোগীর ডাটাবেইজ তৈরির কাজ শুরু করতে হবে উল্লেখ করে আদেশে বলা হয়েছে, ডাটাবেইজ এবং সফটওয়্যার তৈরির বিষয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কমিটির কার্যক্রম সম্পর্কে ম্যানেজমেন্ট কমিটিকে অবগত করতে হবে।