ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাইকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর বাজার মনিটরিংয়ের ওপর জোর বাণিজ্য সচিবের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন জনগণের বিশ্বাস ও ভালোবাসার ওপর নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে কোনো প্রতিহিংসা নেই : শামসুজ্জামান দুদু জামায়াত-শিবিরের বাঁচার জন্য হলেও বিএনপিকে ক্ষমতায় রাখা প্রয়োজন: রাশেদ মৃতদেহের মুখে সোনার টুকরো, মিসরে মিলল প্রাচীন সমাধি ও শহর জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন যুগোপযোগী করা হবে: তথ্যমন্ত্রী

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হয়েছেন সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজগর নসকর। আর সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম মানিক। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) মৎস্যজীবী লীগের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন শেষে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এরা হলেন আবুল বাসার, আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আলম, নূরে আলম রহু ও নাসরিন সুলতানা।

মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আলিম, টিপু সুলতান ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পেছনে পড়ে আছেন। ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন—এটা কিন্তু ঠিক নয়। এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারের যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন নেই। মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনও চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে, এমন নেতার দরকার নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই—মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীদের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখাবে, তাদের আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।’

এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিনটি পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে পাঁচ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নাম প্রস্তাব আসে। এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজেদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ড ছিল একটি বর্বরোচিত ঘটনা : শ্রম প্রতিমন্ত্রী

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

আপডেট সময় ০৩:২১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি হয়েছেন সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আজগর নসকর। আর সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সাইফুল আলম মানিক। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) মৎস্যজীবী লীগের প্রথম আনুষ্ঠানিক সম্মেলন শেষে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ১১ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

সভাপতি সাইদুর, সম্পাদক আজগর

এছাড়া, সহ-সভাপতি পদে পাঁচ জনের নাম ঘোষণা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এরমধ্যে একজন নারী রয়েছেন। এরা হলেন আবুল বাসার, আবদুল গফুর, মুহাম্মদ আলম, নূরে আলম রহু ও নাসরিন সুলতানা।

মৎস্যজীবী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আবদুল আলিম, টিপু সুলতান ও রফিকুল ইসলাম রফিক।

এর আগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সম্মেলনের প্রথম অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘শৃঙ্খলার অভাব রয়েছে। আমাদের প্রতিটি সহযোগী সংগঠনের সম্মেলন হয়েছে শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে। কিন্তু এখানে মনে হচ্ছে এই সংগঠনে কর্মীর চেয়ে নেতা বেশি। সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধি পেছনে পড়ে আছেন। ঢাকায় বসে যারা নেতৃত্ব করেন, তারা মঞ্চ দখল করে আছেন—এটা কিন্তু ঠিক নয়। এভাবে সংগঠন টিকবে না। সত্যিকারের যারা মৎস্যজীবী তারা প্রতিনিধিত্ব করতে না পারলে, এ ধরনের লীগ করার, এ ধরনের দোকান খোলার কোনও প্রয়োজন নেই। মৎস্যজীবী লীগে সত্যিকার অর্থে মৎস্যজীবীদের প্রতিনিধিত্বশীল নেতৃত্ব দরকার। কোনও চাঁদাবাজের দোকান আমরা খুলতে চাই না। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই, ঢাকায় বসে কার্ড বানিয়ে জায়গায় জায়গায় গিয়ে চাঁদাবাজি করবে, এমন নেতার দরকার নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘কাজেই এবার সবাইকে সাবধান থাকতে হবে। মাদক-সন্ত্রাস, জমি দখল ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতরা এ সংগঠনে থাকতে পারবে না। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিতে চাই—মৎস্যজীবীর নামে যারা মৎস্যজীবীদের ওপর ক্ষমতার দাপট দেখাবে, তাদের আমরা নেতৃত্বে রাখবো না।’

এরপরই আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কার্যকরী তিনটি পদ সভাপতি, কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য প্রস্তাবনা আহ্বান করেন। সেখানে সভাপতি পদে পাঁচ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৩৮ জনের নাম প্রস্তাব আসে। এরপর প্রথম অধিবেশন শেষ করে দ্বিতীয় অধিবেশন শুরুর ঘোষণা দেন ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থীদের নিজেদের মধ্য থেকে নেতৃত্ব নির্বাচনের আহ্বান জানান। কিন্তু তারা নিজেদের মধ্যে সমন্বয়ে ব্যর্থ হলে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার পরামর্শে মৎস্যজীবী লীগের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করেন ওবায়দুল কাদের।