ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী ইতালির স্বপ্ন দেখিয়ে লিবিয়ায় নির্যাতন, মাদারীপুরে প্রতারণার শিকার অর্ধশতাধিক যুবক আবাসিক হোটেলে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন দলের দুঃসময়ের ত্যাগীদের মূল্যায়নের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শিখিয়ে শিশু-কিশোরদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে : ববি হাজ্জাজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য বিমান টিকিট ও লাউঞ্জসহ বিশেষ সুবিধা অন্তর্ভুক্ত করা হবে আরও ৪ শিশুর প্রাণ গেল, হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৮০০ ছুঁই ছুঁই মোদি-শাহ’র পদত্যাগ দাবি রাহুল গান্ধীর শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না: সরোয়ার তুষার বিএনপি সরকার হাওয়ায় ভেসে আসেনি: আযম খান

শিশুর অ্যাজমায় যা জানবেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শিশু অ্যাজমায় আক্রান্ত হলে ও দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে চাইলে কিছু বিষয় জানা জরুরি। প্রথমত, অধিকাংশ অভিভাবকের ধারণা শিশু বড় হলে বা সাঁতার কাটা শেখালে অ্যাজমা সেরে যাবে। তাই তারা বাচ্চার চিকিৎসা করান না।

ফলে অ্যাজমা ক্রমিক বা সারা জীবন ধরে ভুগতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর পরিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে বলে দিতে পারেন এ রোগ সেরে যাবে কিনা।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ বছর বয়সের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা একেবারে সেরে ওঠে। এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের মতোই থাকে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের তুলনায় বেশি অ্যাজমাতে ভোগে।

দ্বিতীয়ত অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে ইনহেলার ব্যবহার করতে দিতে চান না, অনেকে মনে করেন এটাই শেষ চিকিৎসা, আবার অনেকে মনে করেন একবার ইনহেলার ব্যবহার করলে সারা জীবন নিতে হয়।

ইনহেলার সরাসরি কাজ করে ফলে কম ওষুধ লাগে ও অল্প সময়েই কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। শিশুদের প্রেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়।

তৃতীয়ত, অ্যাজমা যেহেতু অ্যালার্জিজনিত তাই অ্যালার্জি দ্রব্যাদি পরিহার করলে সুফল পাওয়া যায়। ঘর, বালিশ, চাদর, তোষক যেন পরিচ্ছন্ন থাকে।

চতুর্থত, অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়।

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ

দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা

মোবাইল- ০১৭২১৮৬৮৬০৬

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক : বাণিজ্যমন্ত্রী

শিশুর অ্যাজমায় যা জানবেন

আপডেট সময় ১২:৫৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শিশু অ্যাজমায় আক্রান্ত হলে ও দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকতে চাইলে কিছু বিষয় জানা জরুরি। প্রথমত, অধিকাংশ অভিভাবকের ধারণা শিশু বড় হলে বা সাঁতার কাটা শেখালে অ্যাজমা সেরে যাবে। তাই তারা বাচ্চার চিকিৎসা করান না।

ফলে অ্যাজমা ক্রমিক বা সারা জীবন ধরে ভুগতে হয়। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীর পরিবারিক ইতিহাস ও অন্যান্য লক্ষণ দেখে বলে দিতে পারেন এ রোগ সেরে যাবে কিনা।

এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ বছর বয়সের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা একেবারে সেরে ওঠে। এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের মতোই থাকে এবং বাকি এক-তৃতীয়াংশ বাচ্চা আগের তুলনায় বেশি অ্যাজমাতে ভোগে।

দ্বিতীয়ত অনেক অভিভাবক বাচ্চাকে ইনহেলার ব্যবহার করতে দিতে চান না, অনেকে মনে করেন এটাই শেষ চিকিৎসা, আবার অনেকে মনে করেন একবার ইনহেলার ব্যবহার করলে সারা জীবন নিতে হয়।

ইনহেলার সরাসরি কাজ করে ফলে কম ওষুধ লাগে ও অল্প সময়েই কাজ করে, পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও কম। শিশুদের প্রেসারের মাধ্যমে ইনহেলার নিতে হয়।

তৃতীয়ত, অ্যাজমা যেহেতু অ্যালার্জিজনিত তাই অ্যালার্জি দ্রব্যাদি পরিহার করলে সুফল পাওয়া যায়। ঘর, বালিশ, চাদর, তোষক যেন পরিচ্ছন্ন থাকে।

চতুর্থত, অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ডিসেনসিটাইজেশন। বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এ পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেয়া হয়।

অধ্যাপক ডা. গোবিন্দ চন্দ্র দাস

অ্যালার্জি ও অ্যাজমা বিশেষজ্ঞ

দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা

মোবাইল- ০১৭২১৮৬৮৬০৬