ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির খন্দকার লুৎফরকে বহিষ্কার, জাগপার নতুন সভাপতি জাকির হোসেন রিয়াজ বর্তমান সরকারও ফ্যাসিবাদের পথে: জিএম কাদের মুখে বালিশ চেপে ধরে কিশোরীকে অচেতন, ধর্ষণের পর ফেলে যায় চৌবাচ্চায় এনসিপির মাসব্যাপী ‘জুলাই পদযাত্রা’ ৬ জুলাই শুরু অহংকার যে একটি দেশ ও দলকে ধ্বংস করতে পারে তার প্রমাণ শেখ হাসিনা গুলিস্তানে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা আহত ‘আমাকে দেখে কি বেকুব মনে হয়’, পিডিকে প্রশ্ন মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সেই ভুল আর করা চলবে না: শামা ওবায়েদ চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশে গণতন্ত্র ফিরেছে: গণপূর্ত মন্ত্রী

কে হবেন ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী, জানতে ইচ্ছে করছে: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি জানি না, কী কারণ। কারণ তো আছে। সে কারণটা সত্যি সত্যিই সময়মতো প্রকাশ হবে। আর কামাল হোসেনকে তো ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা বলা হচ্ছে। কিন্তু কে তাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন? এই প্রশ্নটার উত্তর আজও জানা যায়নি।

তিনি বলেন, মানুষ স্বাভাবিক কারণে মনে করেছিল ড. কামাল হোসেন পিএম ফেস। মানুষের সে ধারণার অবসান হলো। এখন কে ঐক্যফ্রন্টের পিএম ফেস, এটা আবারও জানতে ইচ্ছে করছে। একটা দল একটা জোট নির্বাচন করছে, সামনে কে কে লিড দিচ্ছে। কোন ফেসটাকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন দেখছে, সে কথা আজও জানা গেল না।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এবার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন ও বিএম মোজাম্মেল হক নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে থাকবেন। এই ব্যাপারে গত মঙ্গলবার তাদের ডেকে আমাদের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও কিছু পরামর্শ দেবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সবাই নির্বাচন করে না। ভারতের অনেকেই কিন্তু দলকে সহযোগিতা করার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না। আমাদের নির্বাচন পরিচালনার জন্য দক্ষ এবং অভিজ্ঞ যে নেতৃত্ব, তারা সাধারণত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত। কিন্তু এবার আমাদের নেত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতের বিজেপিসহ অনেক রাজনৈতিক দলের মতো কিছু নেতাদের নির্বাচনের বাইরে রেখেছেন।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদেরও তো আছে, আমরা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে কক্সবাজারের বদির মতো অনেককেই মনোনয়ন দেইনি। হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানাই। আপিল বিভাগও এই সিদ্ধান্তে অটল, এই ব্যাপারটাকে আমরা স্বাগত জানাই।

সাকিলা ফারজানাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়ার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, জঙ্গি বলেই মনোনয়ন পেয়েছেন, জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অনেকেই তাদের মনোনয়ন পেয়েছে। এখনও ঘোষণা তারা করেননি। তবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার যে এরা মনোনয়ন পাবে। তারা জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। এটা আমরা অনেক দিন আগে থেকে বলে আসছি। বিএনপি জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। এই পৃষ্ঠপোষকতার পরে তারা জঙ্গিকে মনোনয়ন দেবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

জোট ও মহাজোটের আসন বণ্টনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন মেরুকরণের সময় নয়। সমীকরণের সময়। সমীকরণ কোথায় গিয়ে ঠেকে সে জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চীনের করিডর প্রস্তাব সরকার ইতিবাচক হিসেবে নিয়েছে: উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির

কে হবেন ঐক্যফ্রন্টের প্রধানমন্ত্রী, জানতে ইচ্ছে করছে: কাদের

আপডেট সময় ১০:৩৯:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার বিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আমি জানি না, কী কারণ। কারণ তো আছে। সে কারণটা সত্যি সত্যিই সময়মতো প্রকাশ হবে। আর কামাল হোসেনকে তো ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা বলা হচ্ছে। কিন্তু কে তাদের প্রধানমন্ত্রী হবেন? এই প্রশ্নটার উত্তর আজও জানা যায়নি।

তিনি বলেন, মানুষ স্বাভাবিক কারণে মনে করেছিল ড. কামাল হোসেন পিএম ফেস। মানুষের সে ধারণার অবসান হলো। এখন কে ঐক্যফ্রন্টের পিএম ফেস, এটা আবারও জানতে ইচ্ছে করছে। একটা দল একটা জোট নির্বাচন করছে, সামনে কে কে লিড দিচ্ছে। কোন ফেসটাকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষ পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন দেখছে, সে কথা আজও জানা গেল না।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কয়েকজন নেতাকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, এবার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আহমদ হোসেন ও বিএম মোজাম্মেল হক নির্বাচন পরিচালনার সঙ্গে থাকবেন। এই ব্যাপারে গত মঙ্গলবার তাদের ডেকে আমাদের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও কিছু পরামর্শ দেবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে সবাই নির্বাচন করে না। ভারতের অনেকেই কিন্তু দলকে সহযোগিতা করার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে না। আমাদের নির্বাচন পরিচালনার জন্য দক্ষ এবং অভিজ্ঞ যে নেতৃত্ব, তারা সাধারণত নির্বাচনে অংশগ্রহণ করত। কিন্তু এবার আমাদের নেত্রী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভারতের বিজেপিসহ অনেক রাজনৈতিক দলের মতো কিছু নেতাদের নির্বাচনের বাইরে রেখেছেন।

বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না পারা প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদেরও তো আছে, আমরা আগেভাগে আঁচ করতে পেরে কক্সবাজারের বদির মতো অনেককেই মনোনয়ন দেইনি। হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানাই। আপিল বিভাগও এই সিদ্ধান্তে অটল, এই ব্যাপারটাকে আমরা স্বাগত জানাই।

সাকিলা ফারজানাকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেয়ার প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, জঙ্গি বলেই মনোনয়ন পেয়েছেন, জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অনেকেই তাদের মনোনয়ন পেয়েছে। এখনও ঘোষণা তারা করেননি। তবে এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার যে এরা মনোনয়ন পাবে। তারা জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। এটা আমরা অনেক দিন আগে থেকে বলে আসছি। বিএনপি জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক। এই পৃষ্ঠপোষকতার পরে তারা জঙ্গিকে মনোনয়ন দেবে এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।

জোট ও মহাজোটের আসন বণ্টনের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন মেরুকরণের সময় নয়। সমীকরণের সময়। সমীকরণ কোথায় গিয়ে ঠেকে সে জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাপা, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য এস এম কামাল হোসেন, আনোয়ার হোসেন, মারুফা আক্তার পপি প্রমুখ।