ঢাকা ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

তাহলে কি বিএনপি নির্বাচনের পথে?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। শনিবার বিএনপি নিজেদের মধ্যে, শরিকদের সঙ্গে এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে ২০–দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপন করবে বিএনপি।

তবে বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নির্বাচনের যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিএনপি, শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা মুখ খুলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির ও দলটির সমর্থকদের মধ্যে দুই ধরণের মত রয়েছে। এক পক্ষ মনে করে, নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই হাসিনা সরকারকে হটানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। এই জন্যেই (বিএনপির) নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।

অপর পক্ষ মনে করেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে যায় তাহলে মাঠ পর্যায় থেকে সকল পর্যায়ে তারা যেভাবে সাজিয়েছে, তাতে নির্বাচনে গেলে ভালো কোন রেজাল্ট আসবে না। বরং তারা নির্বাচনে জিতবে এই বৈধতাটাই তাদের দেয়া হবে। এখনই আমরা হাজার হাজার লোক বাড়িতে থাকতে পারে না, পরবর্তীতে কোথায় যে যাবে সেই জায়গাটুকুও নাই। তাই বৈধতা দেবার চাইতে এ নির্বাচনে না যাওয়াই ভাল।

এর আগে বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয় যে, বিএনপির সিনিয়র নেতারা নির্বাচনে যাবার ব্যাপারে ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। তবে দলের বা জোটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে রাজনৈতিক বিশ্লেষক রওনক জাহান বলেন, তাদের সামনে তো বিশেষ কোন পথ খোলা নেই। তারা যদি নির্বাচনে না যেতে চান তাহলে তাদের রাজপথে একটা বিরাট আন্দোলন করতে হবে। সেটা তারা গতবার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাতে লাভ হয় নি বরং দলটির ক্ষতি হয়েছে। এখন সেরকম আন্দোলন করার মতো সক্ষমতা তাদের আছে বলে মনে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, যদিও তারা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না, তারপরেও মনে হয় যে তাদের নির্বাচনে যেতেই হবে। তবে এর জন্য তারা ভেতরে ভেতরে কতটা প্রস্তুতি নিয়েছেন তা বলতে পারবো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

তাহলে কি বিএনপি নির্বাচনের পথে?

আপডেট সময় ১০:১০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। শনিবার বিএনপি নিজেদের মধ্যে, শরিকদের সঙ্গে এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে ২০–দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপন করবে বিএনপি।

তবে বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নির্বাচনের যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিএনপি, শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা মুখ খুলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির ও দলটির সমর্থকদের মধ্যে দুই ধরণের মত রয়েছে। এক পক্ষ মনে করে, নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই হাসিনা সরকারকে হটানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। এই জন্যেই (বিএনপির) নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।

অপর পক্ষ মনে করেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে যায় তাহলে মাঠ পর্যায় থেকে সকল পর্যায়ে তারা যেভাবে সাজিয়েছে, তাতে নির্বাচনে গেলে ভালো কোন রেজাল্ট আসবে না। বরং তারা নির্বাচনে জিতবে এই বৈধতাটাই তাদের দেয়া হবে। এখনই আমরা হাজার হাজার লোক বাড়িতে থাকতে পারে না, পরবর্তীতে কোথায় যে যাবে সেই জায়গাটুকুও নাই। তাই বৈধতা দেবার চাইতে এ নির্বাচনে না যাওয়াই ভাল।

এর আগে বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয় যে, বিএনপির সিনিয়র নেতারা নির্বাচনে যাবার ব্যাপারে ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। তবে দলের বা জোটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে রাজনৈতিক বিশ্লেষক রওনক জাহান বলেন, তাদের সামনে তো বিশেষ কোন পথ খোলা নেই। তারা যদি নির্বাচনে না যেতে চান তাহলে তাদের রাজপথে একটা বিরাট আন্দোলন করতে হবে। সেটা তারা গতবার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাতে লাভ হয় নি বরং দলটির ক্ষতি হয়েছে। এখন সেরকম আন্দোলন করার মতো সক্ষমতা তাদের আছে বলে মনে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, যদিও তারা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না, তারপরেও মনে হয় যে তাদের নির্বাচনে যেতেই হবে। তবে এর জন্য তারা ভেতরে ভেতরে কতটা প্রস্তুতি নিয়েছেন তা বলতে পারবো না।