ঢাকা ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

তাহলে কি বিএনপি নির্বাচনের পথে?

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। শনিবার বিএনপি নিজেদের মধ্যে, শরিকদের সঙ্গে এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে ২০–দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপন করবে বিএনপি।

তবে বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নির্বাচনের যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিএনপি, শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা মুখ খুলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির ও দলটির সমর্থকদের মধ্যে দুই ধরণের মত রয়েছে। এক পক্ষ মনে করে, নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই হাসিনা সরকারকে হটানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। এই জন্যেই (বিএনপির) নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।

অপর পক্ষ মনে করেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে যায় তাহলে মাঠ পর্যায় থেকে সকল পর্যায়ে তারা যেভাবে সাজিয়েছে, তাতে নির্বাচনে গেলে ভালো কোন রেজাল্ট আসবে না। বরং তারা নির্বাচনে জিতবে এই বৈধতাটাই তাদের দেয়া হবে। এখনই আমরা হাজার হাজার লোক বাড়িতে থাকতে পারে না, পরবর্তীতে কোথায় যে যাবে সেই জায়গাটুকুও নাই। তাই বৈধতা দেবার চাইতে এ নির্বাচনে না যাওয়াই ভাল।

এর আগে বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয় যে, বিএনপির সিনিয়র নেতারা নির্বাচনে যাবার ব্যাপারে ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। তবে দলের বা জোটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে রাজনৈতিক বিশ্লেষক রওনক জাহান বলেন, তাদের সামনে তো বিশেষ কোন পথ খোলা নেই। তারা যদি নির্বাচনে না যেতে চান তাহলে তাদের রাজপথে একটা বিরাট আন্দোলন করতে হবে। সেটা তারা গতবার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাতে লাভ হয় নি বরং দলটির ক্ষতি হয়েছে। এখন সেরকম আন্দোলন করার মতো সক্ষমতা তাদের আছে বলে মনে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, যদিও তারা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না, তারপরেও মনে হয় যে তাদের নির্বাচনে যেতেই হবে। তবে এর জন্য তারা ভেতরে ভেতরে কতটা প্রস্তুতি নিয়েছেন তা বলতে পারবো না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন খাতে বড় স্বপ্ন: লক্ষ্য জিডিপির ৭ শতাংশ অর্জন

তাহলে কি বিএনপি নির্বাচনের পথে?

আপডেট সময় ১০:১০:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপির সিদ্ধান্ত কী হবে তা নিয়ে ব্যাপক জল্পনা-কল্পনা চলছে। শনিবার বিএনপি নিজেদের মধ্যে, শরিকদের সঙ্গে এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তবে কোনো সিদ্ধান্ত প্রকাশ করা হয়নি।

গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে ২০ দলীয় জোটের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে যাব কি যাব না, এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আগামী দুই দিনের মধ্যে ২০–দলীয় জোট, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাতির সামনে উপস্থাপন করবে বিএনপি।

তবে বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে বলা হয়েছে, নির্বাচনের যাওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে বিএনপি, শরিক দল বা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতা মুখ খুলতে রাজি হননি।

অন্যদিকে নির্বাচনে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়ে বিএনপির ও দলটির সমর্থকদের মধ্যে দুই ধরণের মত রয়েছে। এক পক্ষ মনে করে, নির্যাতন থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র পথ হলো নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই হাসিনা সরকারকে হটানো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমার মনে হয়। এই জন্যেই (বিএনপির) নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত।

অপর পক্ষ মনে করেন, বিএনপি যদি নির্বাচনে যায় তাহলে মাঠ পর্যায় থেকে সকল পর্যায়ে তারা যেভাবে সাজিয়েছে, তাতে নির্বাচনে গেলে ভালো কোন রেজাল্ট আসবে না। বরং তারা নির্বাচনে জিতবে এই বৈধতাটাই তাদের দেয়া হবে। এখনই আমরা হাজার হাজার লোক বাড়িতে থাকতে পারে না, পরবর্তীতে কোথায় যে যাবে সেই জায়গাটুকুও নাই। তাই বৈধতা দেবার চাইতে এ নির্বাচনে না যাওয়াই ভাল।

এর আগে বৃহস্পতিবার তফসিল ঘোষণার পর বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারা বৈঠকে বসেন কিন্তু কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় বৈঠক। এর মধ্যে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ করা হয় যে, বিএনপির সিনিয়র নেতারা নির্বাচনে যাবার ব্যাপারে ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নিয়েছেন। তবে দলের বা জোটের পক্ষ থেকে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়া হয়নি।

বিএনপির নির্বাচনে যাওয়ার প্রশ্নে রাজনৈতিক বিশ্লেষক রওনক জাহান বলেন, তাদের সামনে তো বিশেষ কোন পথ খোলা নেই। তারা যদি নির্বাচনে না যেতে চান তাহলে তাদের রাজপথে একটা বিরাট আন্দোলন করতে হবে। সেটা তারা গতবার চেষ্টা করেছেন কিন্তু তাতে লাভ হয় নি বরং দলটির ক্ষতি হয়েছে। এখন সেরকম আন্দোলন করার মতো সক্ষমতা তাদের আছে বলে মনে হচ্ছে না।

তিনি বলেন, যদিও তারা সমান সুযোগ পাচ্ছেন না, তারপরেও মনে হয় যে তাদের নির্বাচনে যেতেই হবে। তবে এর জন্য তারা ভেতরে ভেতরে কতটা প্রস্তুতি নিয়েছেন তা বলতে পারবো না।