ঢাকা ১২:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

চাঞ্চল্যকর রথীশ চন্দ্র হত্যা মামলার প্রধান আসামির মৃত্যু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরে চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র বাবু সোনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম মাস্টার মারা গেছেন। শনিবার ভোর সাড়ে ৫ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। কারা কর্তৃপক্ষ তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আমজাদ হোসেন ডন ঢাকা টাইমসকে বলেন, বেশ কিছুদিন থেকে কামরুল ইসলাম অস্থিরতায় ভূগছিলেন। কারাগার থেকে আদালতে যাবেন না বলেও একাধিকবার আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু আমরা কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। তাকে কারাগার থেকে আদালতে পাঠিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন থেকে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন শিক্ষক কামরুল ইসলাম। শনিবার ভোর ৫টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

রংপুর আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মালেক জানান, গত ৩০ অক্টোবর রথীশ চন্দ্র নিখোঁজ হলে ১এপ্রিল তার ছোট ভাই সুশান্ত ভৌমিক বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে তিন দিন পর ৪ এপ্রিল র‌্যাব-১৩ এর একটি দল তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী দীপা ভৌমিককে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেই নগরীর মোল্লাটারী এলাকায় প্রেমিক কামরুল মাস্টারের ভাইয়ের নির্মাণাধীন বাড়িতে তার স্বামীকে পুতে রাখা হয়েছে বলে জানায়।

পরে র‌্যাব ও পুলিশ মাটি খুঁড়ে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ সুরতহাল শেষে তারা লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

দীপা ভৌমিক ও কামরুল ইসলাম দুজনেই র‌্যাবের কাছে রথীশ হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত ৩০ অক্টোবর রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ নিযামুল হকের আদালতে মামলার বাদী সুবল ভৌমিক ও তার ছোট ভাই বিপ্লবের সাক্ষ্য ও জেরার মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়েছে। একের পর এক সাক্ষীদেরও সাক্ষ্য নেয়া হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চাঞ্চল্যকর রথীশ চন্দ্র হত্যা মামলার প্রধান আসামির মৃত্যু

আপডেট সময় ১২:৩১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রংপুরে চাঞ্চল্যকর অ্যাডভোকেট রথীশ চন্দ্র বাবু সোনা হত্যা মামলার প্রধান আসামি কামরুল ইসলাম মাস্টার মারা গেছেন। শনিবার ভোর সাড়ে ৫ টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান। কারা কর্তৃপক্ষ তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে।

রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার আমজাদ হোসেন ডন ঢাকা টাইমসকে বলেন, বেশ কিছুদিন থেকে কামরুল ইসলাম অস্থিরতায় ভূগছিলেন। কারাগার থেকে আদালতে যাবেন না বলেও একাধিকবার আমাকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু আমরা কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়েছি। তাকে কারাগার থেকে আদালতে পাঠিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন থেকে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন শিক্ষক কামরুল ইসলাম। শনিবার ভোর ৫টার দিকে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

রংপুর আদালতের সরকার পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মালেক জানান, গত ৩০ অক্টোবর রথীশ চন্দ্র নিখোঁজ হলে ১এপ্রিল তার ছোট ভাই সুশান্ত ভৌমিক বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে তিন দিন পর ৪ এপ্রিল র‌্যাব-১৩ এর একটি দল তার বড় ভাইয়ের স্ত্রী দীপা ভৌমিককে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি নিজেই নগরীর মোল্লাটারী এলাকায় প্রেমিক কামরুল মাস্টারের ভাইয়ের নির্মাণাধীন বাড়িতে তার স্বামীকে পুতে রাখা হয়েছে বলে জানায়।

পরে র‌্যাব ও পুলিশ মাটি খুঁড়ে বাবু সোনার লাশ উদ্ধার করে। পরে পুলিশ সুরতহাল শেষে তারা লাশ ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

দীপা ভৌমিক ও কামরুল ইসলাম দুজনেই র‌্যাবের কাছে রথীশ হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে আদালতে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

গত ৩০ অক্টোবর রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ নিযামুল হকের আদালতে মামলার বাদী সুবল ভৌমিক ও তার ছোট ভাই বিপ্লবের সাক্ষ্য ও জেরার মধ্য দিয়ে বিচার কাজ শুরু হয়েছে। একের পর এক সাক্ষীদেরও সাক্ষ্য নেয়া হচ্ছে।