ঢাকা ০৭:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানে ভারী তুষারপাতে ৩৫ জনের মৃত্যু সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ সৈয়দপুরে পুলিশ সদস্যদের মারধর করে আসামি ছিনতাই ফরিদপুরকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের মব ভায়োলেন্স বলে কোন কিছু নেই,পুলিশের মধ্যে কোন ভীতি কাজ করছে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ন্যায় বিচার সকলের মৌলিক অধিকার: জোনায়েদ সাকী ছেলের মুক্তি মেলেনি প্যারোলে, বাবার লাশ গেল কারাগারে নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগ চায় এনসিপি এবার ইউক্রেনের ‘হত্যা তালিকায়’ ফিফার প্রেসিডেন্ট ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে ঈগলের পাশাপাশি ‘হ্যাঁ ভোট’ দিতে হবে: ফুয়াদ

১৩৫ কোটি বছরের নক্ষত্রের সন্ধান!

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মহাজগতের সবচেয়ে পুরনো নক্ষত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী সৃষ্টি রহস্য ‘বিগ ব্যাং’ এর সব তথ্য ওই নক্ষত্রেই রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মহাআকাশের মিল্কি ওয়ের ‘থিন ডিস্ক’ এর মধ্যে এ নক্ষটির রয়েছে। যার বয়স প্রায় ১৩৫ কোটি বছর। হপকিনস ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক কেভিন স্কলাউফম্যানের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

অধ্যাপক কেভিন স্কলাউফম্যান বলেন, ১০০ কোটির মধ্যে এটি হয়ত একটি নক্ষত্র। প্রথম প্রজন্মের নক্ষত্র নিয়ে গবেষণায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন।

কেভিন স্কলাউফম্যানের নেতৃত্বে যে দলটি এই নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করছেন তারা মনে করেন, বিগ ব্যাং এর পরে এই নক্ষত্র হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও সামান্য পরিমাণে লিথিয়াম দিয়ে তৈরি হয়। এই নক্ষত্র তখন হিলিয়ামের থেকে ভারি পদার্থ তৈরি করে। সেই সব পদার্থ থেকেই ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩৫ কোটি বছরের নক্ষত্রের সন্ধান!

আপডেট সময় ১১:৫৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মহাজগতের সবচেয়ে পুরনো নক্ষত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি নক্ষত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী সৃষ্টি রহস্য ‘বিগ ব্যাং’ এর সব তথ্য ওই নক্ষত্রেই রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মহাআকাশের মিল্কি ওয়ের ‘থিন ডিস্ক’ এর মধ্যে এ নক্ষটির রয়েছে। যার বয়স প্রায় ১৩৫ কোটি বছর। হপকিনস ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক কেভিন স্কলাউফম্যানের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

অধ্যাপক কেভিন স্কলাউফম্যান বলেন, ১০০ কোটির মধ্যে এটি হয়ত একটি নক্ষত্র। প্রথম প্রজন্মের নক্ষত্র নিয়ে গবেষণায় এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলস্টোন।

কেভিন স্কলাউফম্যানের নেতৃত্বে যে দলটি এই নক্ষত্র নিয়ে গবেষণা করছেন তারা মনে করেন, বিগ ব্যাং এর পরে এই নক্ষত্র হাইড্রোজেন, হিলিয়াম ও সামান্য পরিমাণে লিথিয়াম দিয়ে তৈরি হয়। এই নক্ষত্র তখন হিলিয়ামের থেকে ভারি পদার্থ তৈরি করে। সেই সব পদার্থ থেকেই ব্রহ্মাণ্ড তৈরি হয়।