অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
প্রকাশিত প্রতিবেদনের সঙ্গে একমত পোষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বলেছে, মিয়ানমারে ‘সহিংসতা উসকে’ দিতে ফেসবুক ব্যবহার করা হয়েছে। তারা এটি প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়েছে। খবর বিবিসির।
ফেসবুক অনুমোদিত বিজনেস ফর সোশ্যাল রেসপন্সবিলিটি(বিএসআর) নামে একটি বেসরকারি সংস্থার সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবাধিকার অবমাননার ‘পরিবেশ সৃষ্টি’ করতে ফেসবুক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর চালানো নৃশংসতার পর এ খবর সামনে এল।
জাতিসংঘের মতে, রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে মিয়ানমার সেনারা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে মিয়ানমারে নির্বাচনের আগেই এটি ‘ঠিক করতে’ হবে। এক কোটি ৮০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছে মিয়ানমারে। দেশটির অনেকেই সংবাদ পাওয়া ও শেয়ার করার জন্য ফেসবুকের ওপর নির্ভরশীল।
ফেসবুক বলছে, মিয়ানমারে এই সমস্যা সমাধানে কাজ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে আরও অনেক কিছু করার আছে।
ফেসবুককে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাপকভাবে ছড়ানো হয়েছে ঘৃণ্য বক্তব্য। ফেসবুক স্ট্যাটাসগুলোয় রোহিঙ্গা বা অন্য মুসলিমদের কুকুর, শূককীট, ধর্ষক, তাদের মাংস শূকরকে খাওয়ানো উচিত, দেখলেই গুলি বা হত্যা করো—এমন সব বাজে কথা ছড়ানো হয়েছে। এমনকি পর্নোগ্রাফিও ছিল সেসব বার্তায়।
গত বছর উত্তর পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইনের সীমান্তে গত ৯ অক্টোবর তিনটি তল্লাশিচৌকিতে অস্ত্রধারীদের হামলায় দেশটির নয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হওয়ার পর সেনাবাহিনী অভিযান শুরু করে। সেনা অভিযানে কয়েক হাজার রোহিঙ্গা নিহত হয়। এরপর সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা সেখান থেকে পালিয়ে প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। তারা মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধর্ষণ, ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, হত্যা ও নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















