ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলা গড়তে মেধা বিনিয়োগ করুন’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত দশ বছরে শিক্ষাখাতে অনেক বড় উন্নয়ন ঘটেছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অর্জনের মাধ্যমে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে আজকের শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিনিয়োগ করতে হবে। আর সে লক্ষ্যে নিজেকে একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়তে হবে।’

শনিবার ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘অনেক সীমবদ্ধতার মাঝে শিক্ষাজীবন পার করতে হয়েছে আমাদের। তোমরা এখন হাত বাড়ালেই অনেক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের জন্য তোমরা তোমাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা নিয়োগ করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞানার্জন। তাই একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়াসহ অন্য বিষয়ও চর্চা করতে হবে। প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়তে শিক্ষা ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশার্রফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব হেমায়েতউদ্দিন তালুকদার, মিঞা লুৎফার রহমান, জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান, অধ্যাপক অসীম কুমার সাহা প্রমুখ।

এছাড়া মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জামাতা এবং এলজিআরডি মন্ত্রীর ছেলে খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু।

এর আগে সকালে শোভাযাত্রা, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সঙ্গে জাতীয় ও কলেজ পতাকা উত্তোলন, শতবর্ষ স্মারকস্তম্ভ স্থাপন, বৃক্ষরোপণ, বেলুন ও পায়রা উড়ানো হয়।

এছাড়া অতিথিদের উত্তরীয় পরানো এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিকালে দ্বিতীয় পর্বে স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

‘বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলা গড়তে মেধা বিনিয়োগ করুন’

আপডেট সময় ০৪:১৮:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

গত দশ বছরে শিক্ষাখাতে অনেক বড় উন্নয়ন ঘটেছে উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অর্জনের মাধ্যমে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে আজকের শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা বিনিয়োগ করতে হবে। আর সে লক্ষ্যে নিজেকে একজন যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়তে হবে।’

শনিবার ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শতবর্ষ পূর্তি উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘অনেক সীমবদ্ধতার মাঝে শিক্ষাজীবন পার করতে হয়েছে আমাদের। তোমরা এখন হাত বাড়ালেই অনেক সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ‘রূপকল্প-২০২১’ ও ‘রূপকল্প-২০৪১’ বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের জন্য তোমরা তোমাদের মেধা, মনন ও সৃজনশীলতা নিয়োগ করবে বলে আমার বিশ্বাস।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার মূল লক্ষ্য জ্ঞানার্জন। তাই একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সংস্কৃতি ও ক্রীড়াসহ অন্য বিষয়ও চর্চা করতে হবে। প্রকৃত মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়তে শিক্ষা ও সংস্কৃতির কোনো বিকল্প নেই। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আমরা সে ব্যবস্থা নিয়েছি।’

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোশার্রফ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন সাবেক সচিব হেমায়েতউদ্দিন তালুকদার, মিঞা লুৎফার রহমান, জেলা প্রশাসক উম্মে সালমা তানজিয়া, পুলিশ সুপার মো. জাকির হোসেন খান, অধ্যাপক অসীম কুমার সাহা প্রমুখ।

এছাড়া মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর জামাতা এবং এলজিআরডি মন্ত্রীর ছেলে খন্দকার মাশরুর হোসেন মিতু।

এর আগে সকালে শোভাযাত্রা, জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সঙ্গে জাতীয় ও কলেজ পতাকা উত্তোলন, শতবর্ষ স্মারকস্তম্ভ স্থাপন, বৃক্ষরোপণ, বেলুন ও পায়রা উড়ানো হয়।

এছাড়া অতিথিদের উত্তরীয় পরানো এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। বিকালে দ্বিতীয় পর্বে স্মৃতিচারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে।