ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে: মেজর হাফিজ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমান সরকারের গণভোটের আয়োজন দেশদ্রোহিতা: জি এম কাদের বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ হাদি হত্যার দায় স্বীকার, জবানবন্দি রুবেলের পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতিতে এসেছি: জামায়াত নেত্রী

যে কারণে ভাঙল ২০ দলীয় জোট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি যখন সমমনা দল ও ব্যক্তিদের নিয়ে জোটের আকার বাড়াতে ব্যস্ত, তখন ভেঙে গেল দলটির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি।

জোট ভেঙে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল গাণি বলেছেন, ন্যাপ ও এনডিপি সাংবিধানিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পক্ষে। শুধু ক্ষমতার পালা বদলের নামে কোনো অশুভ শক্তির ক্ষমতা গ্রহণ করে ফের দেশকে রাজনীতিশূন্য করার কোনো অপচেষ্টায় অংশগ্রহণ করুক, একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা তা প্রত্যাশা করি না।

তিনি বলেন, বিএনপি সব সময় তার শরিকদের অন্ধকারে রাখার অপচেষ্টা করে গেছে। জাতীয় নির্বাচন কাছাকাছি হলেও সে বিষয়ে বিএনপি তার অবস্থা শরিকদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করছে না।

এর আগে জেবেল রহমান গাণির বলেন, জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো, গত ১৩ অক্টোবর বিএনপি, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ।

ন্যাপ ও এনডিপির নেতারা মনে করেন, এই ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মধ্য দিয়ে ২০ দলীয় জোটকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা হবে। আর এর মধ্য দিয়ে বিএনপিই মূলত জোটকে বিলুপ্ত করে দিতে চাইছে।

ন্যাপ নেতাদের ভাষ্য, বিএনপির পক্ষ থেকে আগামী নির্বাচন নিয়ে ২০ দলীয় জোট থেকে কোনো উদ্যোগ বা সংলাপ করেনি। যদিও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করতে গিয়ে ড. কামাল হোসেন, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে আসনের বিষয়ে বিএনপির আলোচনা প্রকাশ্যে এসেছে।

এক্ষেত্রে বিএনপির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন আছে ন্যাপের। এছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে কখনো ন্যাপের চেয়ারম্যানকে সংসদীয় আসন দেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত বা সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ২০১৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ন্যাপ চেয়ারম্যানের নির্বাচনী এলাকা নীলফামারী-১ ( ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনপির সমর্থন চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হন গাণি।

মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিভিন্ন বৈঠকে জোট শরিকদের মনোনয়নের বিষয়টি সামনে আনতে চাইলেও বিএনপি কৌশলে তা এড়িয়ে যায়। আর ১/১১ কুশীলব, মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নকারীরা যখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তখন আমরা মনে করি, বিএনপি তার সব নৈতিক অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন

যে কারণে ভাঙল ২০ দলীয় জোট

আপডেট সময় ০৫:৩৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি যখন সমমনা দল ও ব্যক্তিদের নিয়ে জোটের আকার বাড়াতে ব্যস্ত, তখন ভেঙে গেল দলটির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ ও এনডিপি।

জোট ভেঙে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল গাণি বলেছেন, ন্যাপ ও এনডিপি সাংবিধানিক ও নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির পক্ষে। শুধু ক্ষমতার পালা বদলের নামে কোনো অশুভ শক্তির ক্ষমতা গ্রহণ করে ফের দেশকে রাজনীতিশূন্য করার কোনো অপচেষ্টায় অংশগ্রহণ করুক, একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা তা প্রত্যাশা করি না।

তিনি বলেন, বিএনপি সব সময় তার শরিকদের অন্ধকারে রাখার অপচেষ্টা করে গেছে। জাতীয় নির্বাচন কাছাকাছি হলেও সে বিষয়ে বিএনপি তার অবস্থা শরিকদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করছে না।

এর আগে জেবেল রহমান গাণির বলেন, জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো, গত ১৩ অক্টোবর বিএনপি, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, জেএসডি ও নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আত্মপ্রকাশ।

ন্যাপ ও এনডিপির নেতারা মনে করেন, এই ঐক্যফ্রন্ট গঠনের মধ্য দিয়ে ২০ দলীয় জোটকে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা হবে। আর এর মধ্য দিয়ে বিএনপিই মূলত জোটকে বিলুপ্ত করে দিতে চাইছে।

ন্যাপ নেতাদের ভাষ্য, বিএনপির পক্ষ থেকে আগামী নির্বাচন নিয়ে ২০ দলীয় জোট থেকে কোনো উদ্যোগ বা সংলাপ করেনি। যদিও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করতে গিয়ে ড. কামাল হোসেন, আ স ম আবদুর রব, মাহমুদুর রহমান মান্নার সঙ্গে আসনের বিষয়ে বিএনপির আলোচনা প্রকাশ্যে এসেছে।

এক্ষেত্রে বিএনপির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন আছে ন্যাপের। এছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে কখনো ন্যাপের চেয়ারম্যানকে সংসদীয় আসন দেয়ার বিষয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত বা সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। ২০১৫ সালে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ন্যাপ চেয়ারম্যানের নির্বাচনী এলাকা নীলফামারী-১ ( ডোমার-ডিমলা) আসনে বিএনপির সমর্থন চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হন গাণি।

মঙ্গলবারের সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিভিন্ন বৈঠকে জোট শরিকদের মনোনয়নের বিষয়টি সামনে আনতে চাইলেও বিএনপি কৌশলে তা এড়িয়ে যায়। আর ১/১১ কুশীলব, মাইনাস টু ফর্মুলা বাস্তবায়নকারীরা যখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নামে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে, তখন আমরা মনে করি, বিএনপি তার সব নৈতিক অবস্থা থেকে বিচ্যুত হয়েছে।