অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়কে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নাশকতা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে যেখানে বিচার হচ্ছে সেই এলাকায় নেয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কিছু সময় পরই এখানে ঘোষণা করা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্বরোচিত এই হামলার রায়।
১৪ বছর আগে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ নৃশংস ওই গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। বর্বরোচিত ওই হামলায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও প্রাণ হারান দলটির মহিলাবিষয়ক সম্পাদিকা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৩ জন। আহত হন দলটির কয়েক শ নেতাকর্মী। আজ সেই হামলা মামলার বিচার মিলতে যাচ্ছে।
পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারের মূল ফটকের ঠিক ডান পাশে অবস্থিত লাল রঙয়ের দোতলা ভবনটিকে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ ঘোষণা করে মামলাটির বিচার কাজ চলছে। বুধবার এখানেই রায় ঘোষণা করবেন বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন।
রায়কে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়াকড়ির কারণে গণমাধ্যম কর্মী ও আইনজীবী ছাড়া এখানে অন্য কেউ প্রবেশ করতে পারছেন না। আর স্থান সংকুলন না হওয়ার কথা বলে রায় কভার করতে আসা সব সাংবাদিকদেরও ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। তাই বাইরে থাকা সবার দৃষ্টি এই ভবনটির দিকে। কখন কি রায় আসে সেই অপেক্ষায় সবাই।
রায় ঘোষণার আগে ইতোমধ্যে মামলার ৪৯ আসামির মধ্যে ৩১ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে, যাদের সকালে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে এনে আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে রাখা হয়েছিল।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু এবং সাবেক তিন আইজিপিও রয়েছেন তাদের মধ্যে।
দীর্ঘ ১৪ বছর পর বুধবার এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য এ দিন ধার্য করেন বিচারক। খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি ১৮ জনকে পলাতক দেখিয়েই এ মামলার বিচার কাজ চলে।
কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে যেকোনো ধরণের পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য। এই এলাকার দোকানপাটও বন্ধ রয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















