ঢাকা ০১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সকালে মৃত্যু, বিকালে গেল মুক্তির আদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছয় মাস আগে তিনি উচ্চ আদালতের আদেশে ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই তিনি ১৩ বছর জেল কেটে ফেলেছেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস কারামুক্তি না হলেও চিরমুক্তি হয়েছে তার।

রোববার সকালে সাতক্ষীরার জোড়া পুলিশ খুন মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলি খুলনা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা গেছেন। আর বিকালে পৌঁছাল ফাঁসির দণ্ড থেকে তার খালাসের আদেশ।

রাতে তার লাশ নিয়ে আসা হয় নিজ বাড়ি সাতক্ষীরার কুখরালিতে। অবেদ আলি ওই গ্রামের রজব আলির ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের ছফুরন্নেসা কলেজের সামনে ফটিক বাবুর বাড়ির কাছে দুই পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক ও আবদুল মোতালেব সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ সময় আহত হন কনস্টেবল আবদুল আহাদ। তারা বাইসাইকেলে বাঁকাল এলাকায় ডিউটি সেরে রাত সোয়া ২টার দিকে কর্মস্থল ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়িতে ফিরছিলেন।

২০০৬ সালে এ মামলায় আসামি রায়হানুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলিসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া আরও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

২০১১ সালে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে ওবায়দুর রহমান অবেদ আলি খালাস পান।

রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ১১ এপ্রিল খালাসের আদেশ বহাল থাকে। তবে খালাসের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়।

অবেদ আলির পারিবারিক সূত্র জানায়, আদালত থেকে এই খালাসের আদেশ কারাগারে না পৌঁছানোয় তাকে ছয় মাসেরও বেশি সময় আটক থাকতে হয়। এরই মধ্যে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হন। রোববার সকালে খুলনা কারাগারে মারা যান তিনি। একই দিন বিকালে তার খালাসের আদেশ পৌঁছায় সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সকালে মৃত্যু, বিকালে গেল মুক্তির আদেশ

আপডেট সময় ০৬:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ছয় মাস আগে তিনি উচ্চ আদালতের আদেশে ফাঁসির দণ্ড থেকে খালাস পেয়েছিলেন। কিন্তু এর মধ্যেই তিনি ১৩ বছর জেল কেটে ফেলেছেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস কারামুক্তি না হলেও চিরমুক্তি হয়েছে তার।

রোববার সকালে সাতক্ষীরার জোড়া পুলিশ খুন মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলি খুলনা কারাগারে বন্দি অবস্থায় মারা গেছেন। আর বিকালে পৌঁছাল ফাঁসির দণ্ড থেকে তার খালাসের আদেশ।

রাতে তার লাশ নিয়ে আসা হয় নিজ বাড়ি সাতক্ষীরার কুখরালিতে। অবেদ আলি ওই গ্রামের রজব আলির ছেলে।

আদালত সূত্র জানায়, ২০০৩ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে শহরের ছফুরন্নেসা কলেজের সামনে ফটিক বাবুর বাড়ির কাছে দুই পুলিশ কনস্টেবল ফজলুল হক ও আবদুল মোতালেব সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এ সময় আহত হন কনস্টেবল আবদুল আহাদ। তারা বাইসাইকেলে বাঁকাল এলাকায় ডিউটি সেরে রাত সোয়া ২টার দিকে কর্মস্থল ইটাগাছা পুলিশ ফাঁড়িতে ফিরছিলেন।

২০০৬ সালে এ মামলায় আসামি রায়হানুল ইসলাম, জাকির হোসেন ও ওবায়দুর রহমান ওরফে অবেদ আলিসহ তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। এছাড়া আরও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়।

২০১১ সালে এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করলে ওবায়দুর রহমান অবেদ আলি খালাস পান।

রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরুদ্ধে আপিল করলে গত ১১ এপ্রিল খালাসের আদেশ বহাল থাকে। তবে খালাসের এই আদেশের কপি কারাগারে পৌঁছাতে বিলম্ব হয়।

অবেদ আলির পারিবারিক সূত্র জানায়, আদালত থেকে এই খালাসের আদেশ কারাগারে না পৌঁছানোয় তাকে ছয় মাসেরও বেশি সময় আটক থাকতে হয়। এরই মধ্যে তিনি ক্যানসারে আক্রান্ত হন। রোববার সকালে খুলনা কারাগারে মারা যান তিনি। একই দিন বিকালে তার খালাসের আদেশ পৌঁছায় সাতক্ষীরা জেলা জজ আদালতে।