ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাবে টক দই

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

গরমকালে টক দই খুবই উপকারী একটি খাবার। দুধের মতো দইয়েরও রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। আর এ কারণেই দই শারীরিক নানা সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকরী। বিশেষ করে, প্রতিদিন নিয়ম করে মাত্র ১ কাপ দই খাওয়ার অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যাকে চিরকাল দূরে রাখে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক টক দইয়ের অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্যগুণ।

কোষ্ঠকাঠিন্য :

কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি শারীরিক সমস্যা। টক দইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়াও নিয়মিত টক দই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

বদহজম প্রতিরোধ:

অতিরিক্ত তেল ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাও দূর করতে পারে টক দই। টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে।

স্ট্রোক ও হৃদপিণ্ড :

টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং টক দই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম যা রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। আর এ কারণে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা, স্ট্রোক এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি কমায়।

রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখে :

কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে অনেক সময় অনেক টক্সিন জমে থাকে। আর নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস রক্ত পরিশোধনে কাজ করে রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ:

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতেও টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টরল কমায় এবং সেই সঙ্গে কমায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।

ওজন কমাবে :

ওজন কমানোর মূল হাতিয়ার হিসেবে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। এ ছাড়াও টক দইয়ের সঙ্গে ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে খিদে খিদে বোধ কম হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাবে টক দই

আপডেট সময় ১২:০২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

গরমকালে টক দই খুবই উপকারী একটি খাবার। দুধের মতো দইয়েরও রয়েছে অসাধারণ পুষ্টিগুণ। আর এ কারণেই দই শারীরিক নানা সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকরী। বিশেষ করে, প্রতিদিন নিয়ম করে মাত্র ১ কাপ দই খাওয়ার অভ্যাস নানা শারীরিক সমস্যাকে চিরকাল দূরে রাখে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক টক দইয়ের অসাধারণ কিছু স্বাস্থ্যগুণ।

কোষ্ঠকাঠিন্য :

কোষ্ঠকাঠিন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক একটি শারীরিক সমস্যা। টক দইয়ের ল্যাকটিক কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়াও নিয়মিত টক দই খেলে কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

বদহজম প্রতিরোধ:

অতিরিক্ত তেল ভাজাপোড়া ও মসলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেই বদহজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। এই সমস্যাও দূর করতে পারে টক দই। টক দইয়ের ফারমেন্টেড এনজাইম খাবার হজমে সহায়তা করে এবং বদহজম প্রতিরোধ করে।

স্ট্রোক ও হৃদপিণ্ড :

টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে এবং টক দই স্বাস্থ্যকর খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম যা রক্তের কোলেস্টরল কমাতে বিশেষভাবে সহায়ক। আর এ কারণে কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা, স্ট্রোক এবং হৃদপিণ্ডের সমস্যার ঝুঁকি কমায়।

রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখে :

কিডনি সঠিকভাবে কাজ না করলে রক্তে অনেক সময় অনেক টক্সিন জমে থাকে। আর নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস রক্ত পরিশোধনে কাজ করে রক্তকে টক্সিন মুক্ত রাখতে সহায়তা করে।

উচ্চ রক্তচাপ:

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দূর করতেও টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। নিয়মিত টক দই খাওয়ার অভ্যাস কোলেস্টরল কমায় এবং সেই সঙ্গে কমায় উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি।

ওজন কমাবে :

ওজন কমানোর মূল হাতিয়ার হিসেবে টক দইয়ের জুড়ি মেলা ভার। টক দইয়ে ফ্যাট অনেক কম থাকে। এ ছাড়াও টক দইয়ের সঙ্গে ফল খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে খিদে খিদে বোধ কম হয়।