ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘চট্টগ্রামে ইউএস-বাংলা বিমানের অবতরণ অ্যাকসিডেন্ট নয়, ইনসিডেন্ট’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা বিমানের জরুরি অবতরণ কোনো অ্যাকসিডেন্ট নয়, এটি ইনসিডেন্ট। ইনসিডেন্টকে অ্যাকসিডেন্ট হিসেবে দেখতে গেলে সেটা ভুল হবে।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানের জরুরী অবতরণ বিষয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ইমরান আসিফ বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএস-১৪১ ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। এ ঘটনায় কেবল ইউএস-বাংলা নয়, উড়োজাহাজটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-ও এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়েও তারা উদ্যোগ নেবে।

একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি প্রকৌশলীরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে। নোজ গিয়ারটি সেদিন কেন বের হচ্ছিল না সেটার তদন্ত চলছে।

ইমরান আসিফ জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিএস-১৪১ ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ১১টায় মোট ১৬৪ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রুসহ মোট ১৭১ জন আরোহী নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কিন্তু ল্যান্ডিং করার আগমুহূর্তে যখন নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার নামছিল না। তখন পাইলট ইন কমান্ড জাকারিয়া সবুজ ও ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ নিরাপদ ল্যান্ডিং করার জন্য জরুরি অবতরণের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন।

কিন্তু কক্সবাজার বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় তারা চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্যাপ্টেন জাকারিয়ার নেতৃত্বে দক্ষতার সঙ্গে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ ঘটনায় এয়ারক্রাফটিরও কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি।

ইউএস-বাংলা একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ইমরান আসিফ বলেন, গত ১২ মার্চে নেপালের কাঠমান্ডু দুর্ঘটনার আগে বা পরে আমরা কখনোই আমাদের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে উদাসীন ছিলাম না। প্রতিনিয়ত ফ্লাইট সেফটি নিয়ে আরও বেশি সচেতনতামূলক কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের কাছে যাত্রীদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন জাকারিয়া সবুজ, ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘চট্টগ্রামে ইউএস-বাংলা বিমানের অবতরণ অ্যাকসিডেন্ট নয়, ইনসিডেন্ট’

আপডেট সময় ০৫:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ বলেন, চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইউএস-বাংলা বিমানের জরুরি অবতরণ কোনো অ্যাকসিডেন্ট নয়, এটি ইনসিডেন্ট। ইনসিডেন্টকে অ্যাকসিডেন্ট হিসেবে দেখতে গেলে সেটা ভুল হবে।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিমানের জরুরী অবতরণ বিষয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ইমরান আসিফ বলেন, গত ২৬ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিএস-১৪১ ফ্লাইট জরুরি অবতরণ করেছে। এ ঘটনায় কেবল ইউএস-বাংলা নয়, উড়োজাহাজটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং-ও এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সে বিষয়েও তারা উদ্যোগ নেবে।

একই সঙ্গে এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটি প্রকৌশলীরা চুলচেরা বিশ্লেষণ করে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে। নোজ গিয়ারটি সেদিন কেন বের হচ্ছিল না সেটার তদন্ত চলছে।

ইমরান আসিফ জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিএস-১৪১ ফ্লাইটটি সকাল সাড়ে ১১টায় মোট ১৬৪ জন যাত্রী ও সাতজন ক্রুসহ মোট ১৭১ জন আরোহী নিয়ে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। কিন্তু ল্যান্ডিং করার আগমুহূর্তে যখন নোজ ল্যান্ডিং গিয়ার নামছিল না। তখন পাইলট ইন কমান্ড জাকারিয়া সবুজ ও ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ নিরাপদ ল্যান্ডিং করার জন্য জরুরি অবতরণের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন।

কিন্তু কক্সবাজার বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণের পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না থাকায় তারা চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণের সিদ্ধান্ত নেন এবং অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ক্যাপ্টেন জাকারিয়ার নেতৃত্বে দক্ষতার সঙ্গে বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ ঘটনায় এয়ারক্রাফটিরও কোনো উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়নি।

ইউএস-বাংলা একটি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে ইমরান আসিফ বলেন, গত ১২ মার্চে নেপালের কাঠমান্ডু দুর্ঘটনার আগে বা পরে আমরা কখনোই আমাদের দায়িত্বশীলতা সম্পর্কে উদাসীন ছিলাম না। প্রতিনিয়ত ফ্লাইট সেফটি নিয়ে আরও বেশি সচেতনতামূলক কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। আমাদের কাছে যাত্রীদের নিরাপত্তাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময় ওই ফ্লাইটের ক্যাপ্টেন জাকারিয়া সবুজ, ফার্স্ট অফিসার সাঈদ বিন রউফ, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য কাজী ওয়াহিদুল আলম প্রমুখ।