ঢাকা ০৪:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের কল্যাণ সুবিধা বাড়াতে ‘বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ৯ জুলাই বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০০৪ সালের এ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য ওই বিলটি আনা হয়।

বিলে বলা হয়েছে, চাকরিরত অবস্থায় কোনো কর্মচারী মারা গেলে এই আইন ও বিধিমালার বিধান সাপেক্ষে, তার পরিবারকে বিমা বাবদ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বশেষ প্রাপ্ত মাসিক মূল বেতনের হারে ২৪ মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বা অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা দেয়া হবে। পাস হওয়া বিলে এই বিধানের সংশোধন করে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারে টাকা দেয়া হবে।

বিদ্যমান আইনে কল্যাণ বোর্ডে সরকারি কর্মচারীদের চাঁদা নির্ধারিত ছিল। সেখানে বলা ছিল, মাসিক চাঁদা হিসেবে প্রত্যেক কর্মচারীকে তার বেতনের শতকরা একভাগ অথবা ৫০ টাকা, এর মধ্যে যা সর্বনিম্ন, বেতন থেকে কেটে কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে জমা করতে হবে। নতুন আইনে এই ধারার সংশোধন করা হয়েছে। এখানেও সরকার কর্তৃক সময় নির্ধারিত হারে চাঁদা দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশন-২০১৩ এর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের চাঁদা, যৌথবিমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের বিভিন্ন সাহায্য মঞ্জুরির পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি নেয়া হয়।

আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন-২০০৪ এ অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত থাকায় যে যে স্থানে অর্থের পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে, সেসব স্থানে সংশোধন আবশ্যক হয়ে পড়ে। তাছাড়া অর্থের পরিমাণ সময়োপযোগী করার প্রয়োজনে বারবার আইন সংশোধন পরিহার করার সুবিধার্থে এবং টাকা অঙ্ক সময়ে সময়ে পরিবর্তন সহজ করতে আইন সংশোধনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন আবেদন নাকচ

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর

আপডেট সময় ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন ধরনের কল্যাণ সুবিধা বাড়াতে ‘বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) বিল-২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

মঙ্গলবার জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের পক্ষে প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরা সাদেক বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের আগে জনমত যাচাই ও বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়। গত ৯ জুলাই বিলটি সংসদে উত্থাপনের পর অধিকতর পরীক্ষার জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। ২০০৪ সালের এ সংক্রান্ত আইন সংশোধনের জন্য ওই বিলটি আনা হয়।

বিলে বলা হয়েছে, চাকরিরত অবস্থায় কোনো কর্মচারী মারা গেলে এই আইন ও বিধিমালার বিধান সাপেক্ষে, তার পরিবারকে বিমা বাবদ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বশেষ প্রাপ্ত মাসিক মূল বেতনের হারে ২৪ মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বা অনূর্ধ্ব এক লাখ টাকা দেয়া হবে। পাস হওয়া বিলে এই বিধানের সংশোধন করে বলা হয়েছে, সরকার কর্তৃক সময় সময় নির্ধারিত হারে টাকা দেয়া হবে।

বিদ্যমান আইনে কল্যাণ বোর্ডে সরকারি কর্মচারীদের চাঁদা নির্ধারিত ছিল। সেখানে বলা ছিল, মাসিক চাঁদা হিসেবে প্রত্যেক কর্মচারীকে তার বেতনের শতকরা একভাগ অথবা ৫০ টাকা, এর মধ্যে যা সর্বনিম্ন, বেতন থেকে কেটে কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে জমা করতে হবে। নতুন আইনে এই ধারার সংশোধন করা হয়েছে। এখানেও সরকার কর্তৃক সময় নির্ধারিত হারে চাঁদা দেয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং জাতীয় বেতন ও চাকরি কমিশন-২০১৩ এর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের চাঁদা, যৌথবিমার প্রিমিয়াম এবং বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের বিভিন্ন সাহায্য মঞ্জুরির পরিমাণ বাড়ানোর বিষয়ে অর্থ বিভাগের সম্মতি নেয়া হয়।

আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন-২০০৪ এ অর্থের পরিমাণ নির্ধারিত থাকায় যে যে স্থানে অর্থের পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে, সেসব স্থানে সংশোধন আবশ্যক হয়ে পড়ে। তাছাড়া অর্থের পরিমাণ সময়োপযোগী করার প্রয়োজনে বারবার আইন সংশোধন পরিহার করার সুবিধার্থে এবং টাকা অঙ্ক সময়ে সময়ে পরিবর্তন সহজ করতে আইন সংশোধনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।