ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে জবাবদিহিমূলক সংসদ চাই: হুইপ নিজান অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ইনু: চিফ প্রসিকিউটর মহাসচিবের কাছে পদবঞ্চিতদের নালিশ- ‘একসময়ের প্রভাবশালী যুবদল এখন মৃতপ্রায়’ ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা, ৩ আগস্ট ছাত্রসমাবেশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব

এবারের সংগ্রাম ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম: রওশন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের অনুকরণ করে নতুন স্লোগান দিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মু্ক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। আর রওশন বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের সংগ্রাম।’

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে জাপা আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই স্লোগান দেন রওশদ। এরশাদপত্নী মনে করেন, আগামী নির্বাচনে জিততে হলে জনগণকে তাদের আমলের উন্নয়নের চিত্র সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

‘জনগণ জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখেছে ২৮-২৯ বছর আগে। এর মাঝখানে আমরা আর ক্ষমতায় যেতে পারিনি। তবে আমি মনে করছি এবার আমাদের সামনে ভালো একটি সুযোগ এসেছে।’

‘আমরা যদি পার্টিকে সংগঠিত করতে পরি এবং জনগণকে আমাদের উন্নয়ন চিত্র দেখাতে পারি তাহরেল ইনশল্লাহ আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারব।’

১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়ার পর দেশে সে রকম উন্নয়ন হয়নি বলে দাবি করেন রওশন। বলেন, ‘জাতীয় পার্টি যে উন্নয়ন করেছে একটা একটা করে সাত দিন বললেও শেষ হবে না। আমাদের উন্নয়নগুলো জাতীয়কে জানাতে হবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আমলের চেয়ে জাতীয় পার্টির আমলে বেশি উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে এরশাদকে উন্নয়নের ‘স্বপ্নদ্রষ্টা’ বলে উল্লেখ করেন রওশন।

এরশাদ সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রওশন বলেন, ‘আমরা দেশেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মুক্ত করে শান্তিময় করে তুলতে চাই। মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং উন্নত মানের শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি আমাদের লক্ষ্য।’

সব শেষে জাতীয় পার্টির দলীয় সঙ্গীত গেয়ে বক্তব্য শেষ করেন দলের কো চেয়ারম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

এবারের সংগ্রাম ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম: রওশন

আপডেট সময় ০১:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের অনুকরণ করে নতুন স্লোগান দিয়েছেন সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম মু্ক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। আর রওশন বলেছেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের ক্ষমতায় যাওয়ার সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনের সংগ্রাম।’

শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশনে জাপা আয়োজিত এক যৌথ সভায় এই স্লোগান দেন রওশদ। এরশাদপত্নী মনে করেন, আগামী নির্বাচনে জিততে হলে জনগণকে তাদের আমলের উন্নয়নের চিত্র সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।

‘জনগণ জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় দেখেছে ২৮-২৯ বছর আগে। এর মাঝখানে আমরা আর ক্ষমতায় যেতে পারিনি। তবে আমি মনে করছি এবার আমাদের সামনে ভালো একটি সুযোগ এসেছে।’

‘আমরা যদি পার্টিকে সংগঠিত করতে পরি এবং জনগণকে আমাদের উন্নয়ন চিত্র দেখাতে পারি তাহরেল ইনশল্লাহ আগামীতে ক্ষমতায় যেতে পারব।’

১৯৯০ সালে জাতীয় পার্টি ক্ষমতা ছাড়ার পর দেশে সে রকম উন্নয়ন হয়নি বলে দাবি করেন রওশন। বলেন, ‘জাতীয় পার্টি যে উন্নয়ন করেছে একটা একটা করে সাত দিন বললেও শেষ হবে না। আমাদের উন্নয়নগুলো জাতীয়কে জানাতে হবে।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আমলের চেয়ে জাতীয় পার্টির আমলে বেশি উন্নয়ন হয়েছে দাবি করে এরশাদকে উন্নয়নের ‘স্বপ্নদ্রষ্টা’ বলে উল্লেখ করেন রওশন।

এরশাদ সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি ১৯৮৩ সালের ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রধান সামরিক প্রশাসক হিসেবে দেশ শাসন করেন। ১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই দলের মনোনয়ন নিয়ে ১৯৮৬ সালে পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

রওশন বলেন, ‘আমরা দেশেকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি মুক্ত করে শান্তিময় করে তুলতে চাই। মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চাই এবং উন্নত মানের শিক্ষা ব্যবস্থা সৃষ্টি আমাদের লক্ষ্য।’

সব শেষে জাতীয় পার্টির দলীয় সঙ্গীত গেয়ে বক্তব্য শেষ করেন দলের কো চেয়ারম্যান।