ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে জবাবদিহিমূলক সংসদ চাই: হুইপ নিজান অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ইনু: চিফ প্রসিকিউটর মহাসচিবের কাছে পদবঞ্চিতদের নালিশ- ‘একসময়ের প্রভাবশালী যুবদল এখন মৃতপ্রায়’ ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা, ৩ আগস্ট ছাত্রসমাবেশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব

আইন আদালত না মানাই বিএনপির চরিত্র: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিচারকের উদ্দেশে দেয়া বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আইন মানে না, আদালত মানে না। আমরা লক্ষ করেছি সংবিধান তারা কখনোই মানে না। এটাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য, এটাই তাদের চরিত্র। তারা যদি আদালত না মানে আদালতে সেটার জবাব দেবে, সিদ্ধান্ত নেবে।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এক যৌথ সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে খালেদা জিয়া নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ভেতরে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে উপস্থিত হয়ে বলেন, এই আদালতের ওপর তার কোনো আস্থা নেই। আদালত যা ইচ্ছা রায় দিয়ে দিক। যত দিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিক।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জেলখানায় আদালত বসানোকে অসাংবিধানিক বলে যে মন্তব্য করেছেন তার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জেলখানায় আদালত বসানো যাবে না এটা সংবিধানে কোথায় লেখা আছে? এ ট্রেন্ড তো জিয়াউর রহমান তাহের বিচারের মধ্য দিয়ে চালু করেছিলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে বিশেষ প্রয়োজনে আদালতের বিশেষ ব্যবস্থা করা যাবে না।

কাদের বলেন, বয়স বিবেচনায় তার (খালেদা জিয়া) পক্ষে কোর্টে মুভ করা সব সময় হয়তো সম্ভব না। জিয়া চ্যারিটেবল যে মামলা, সেই মামলাও তো তিনি হাজিরা দিচ্ছিলেন না। এমতাবস্থায় তাকে হাজিরা দেয়া সুবিধা করে দেয়ার জন্য এই বিশেষ আদালতের ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আদালত জেলের মধ্যে বিশেষ আদালত বসাতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অসুস্থ হলেও তো মামলা চলবেই! জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ১০ বছর বিলম্বিত করেছে। প্রলম্বিত করেছে। এই মামলা অনেক আগেই স্যাটেলড হয়ে যেত, এখানে সরকারের কোনো দোষ নেই। সরকার চেয়েছিল মামলাটা যত দ্রুত নিষ্পত্তি হোক কিন্ত বিএনপির বহুরূপী আইনজীবী, এত বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ আইনজীবীরা, তারা বেগম জিয়ার কেসটা ১০ বছর ধরে চালিয়েছে।

বিএনপিকে দোষারোপ করে কাদের বলেন, এখন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের যে মামলা, এই মামলাও নানা কৌশলে বিঘ্নিত করার জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বিচারকার্য কারো জন্য তো থেমে থাকবে না। বেগম জিয়া অসুস্থতা কারণ দেখিয়ে আদালতে না গেলেও জেলের মধ্যে স্থাপিত কোর্টে যেতে অসুবিধা হবে না।

কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা নেয়া হবে। সে বিষয়ে করণীয় ঠিক করতেই আজকের এই যৌথসভা।

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যকরী সংসদের সদস্য এসএম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আইন আদালত না মানাই বিএনপির চরিত্র: কাদের

আপডেট সময় ০৯:০৯:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বিচারকের উদ্দেশে দেয়া বেগম খালেদা জিয়ার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আইন মানে না, আদালত মানে না। আমরা লক্ষ করেছি সংবিধান তারা কখনোই মানে না। এটাই বিএনপির বৈশিষ্ট্য, এটাই তাদের চরিত্র। তারা যদি আদালত না মানে আদালতে সেটার জবাব দেবে, সিদ্ধান্ত নেবে।

বুধবার বিকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এক যৌথ সভার শুরুতে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকালে খালেদা জিয়া নাজিমউদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে ভেতরে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতের অস্থায়ী এজলাসে উপস্থিত হয়ে বলেন, এই আদালতের ওপর তার কোনো আস্থা নেই। আদালত যা ইচ্ছা রায় দিয়ে দিক। যত দিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিক।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জেলখানায় আদালত বসানোকে অসাংবিধানিক বলে যে মন্তব্য করেছেন তার জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, জেলখানায় আদালত বসানো যাবে না এটা সংবিধানে কোথায় লেখা আছে? এ ট্রেন্ড তো জিয়াউর রহমান তাহের বিচারের মধ্য দিয়ে চালু করেছিলেন।

তিনি বলেন, সংবিধানের কোথাও লেখা নেই যে বিশেষ প্রয়োজনে আদালতের বিশেষ ব্যবস্থা করা যাবে না।

কাদের বলেন, বয়স বিবেচনায় তার (খালেদা জিয়া) পক্ষে কোর্টে মুভ করা সব সময় হয়তো সম্ভব না। জিয়া চ্যারিটেবল যে মামলা, সেই মামলাও তো তিনি হাজিরা দিচ্ছিলেন না। এমতাবস্থায় তাকে হাজিরা দেয়া সুবিধা করে দেয়ার জন্য এই বিশেষ আদালতের ব্যবস্থা।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার বয়স ও শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে আদালত জেলের মধ্যে বিশেষ আদালত বসাতে পারে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অসুস্থ হলেও তো মামলা চলবেই! জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ১০ বছর বিলম্বিত করেছে। প্রলম্বিত করেছে। এই মামলা অনেক আগেই স্যাটেলড হয়ে যেত, এখানে সরকারের কোনো দোষ নেই। সরকার চেয়েছিল মামলাটা যত দ্রুত নিষ্পত্তি হোক কিন্ত বিএনপির বহুরূপী আইনজীবী, এত বিজ্ঞ-অভিজ্ঞ আইনজীবীরা, তারা বেগম জিয়ার কেসটা ১০ বছর ধরে চালিয়েছে।

বিএনপিকে দোষারোপ করে কাদের বলেন, এখন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের যে মামলা, এই মামলাও নানা কৌশলে বিঘ্নিত করার জন্য অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বিচারকার্য কারো জন্য তো থেমে থাকবে না। বেগম জিয়া অসুস্থতা কারণ দেখিয়ে আদালতে না গেলেও জেলের মধ্যে স্থাপিত কোর্টে যেতে অসুবিধা হবে না।

কাদের বলেন, আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা নেয়া হবে। সে বিষয়ে করণীয় ঠিক করতেই আজকের এই যৌথসভা।

ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে যৌথসভায় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, উপদফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যকরী সংসদের সদস্য এসএম কামাল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাত, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাফিয়া খাতুন, যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশীদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রমুখ।