ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প

৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা একথা জানিয়েছে। কয়েক দশক ধরে চলা জোরপূর্বক শিশুযোদ্ধা নিয়োগের ক্রমিক অবসান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছর প্রথম দফায় এদের মুক্তি দেয়া হল।

এখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা সীমান্তে লড়াইরত জাতিগত বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঠিক কতজন শিশু যোদ্ধা রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা নেই।

শুক্রবার জাতিসংঘের শিশু সুরক্ষা সংস্থা ইউনিসেফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ সালে জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তির পর থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ৯২৪ শিশু ও কিশোরকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত শিশু যোদ্ধাদের বেসামরিক জীবনে মূলধারার সাথে যুক্ত হওয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে হবে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াটি মিয়ানমারে শান্তি বজায় রাখতে বড় ধরনের অবদান রাখবে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেনাবাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলো মিয়ানমারে অব্যহতভাবে লড়াই করেই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুযোদ্ধা পুর্নর্নিয়োগের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

শিশুদের প্রায়ই জনসম্মুখ থেকে অপহরণ করা হয়। তারা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে অস্বীকার করলে তাদের জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিলো মিয়ানমার

আপডেট সময় ০৪:১৬:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ৭৫ শিশু যোদ্ধাকে মুক্তি দিয়েছে। জাতিসংঘের একটি সংস্থা একথা জানিয়েছে। কয়েক দশক ধরে চলা জোরপূর্বক শিশুযোদ্ধা নিয়োগের ক্রমিক অবসান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চলতি বছর প্রথম দফায় এদের মুক্তি দেয়া হল।

এখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী বা সীমান্তে লড়াইরত জাতিগত বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ঠিক কতজন শিশু যোদ্ধা রয়েছে তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা নেই।

শুক্রবার জাতিসংঘের শিশু সুরক্ষা সংস্থা ইউনিসেফ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ২০১২ সালে জাতিসংঘের সঙ্গে চুক্তির পর থেকে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ৯২৪ শিশু ও কিশোরকে মুক্তি দিয়েছে। মুক্তিপ্রাপ্ত শিশু যোদ্ধাদের বেসামরিক জীবনে মূলধারার সাথে যুক্ত হওয়ার কর্মসূচিতে যোগ দিতে হবে।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রক্রিয়াটি মিয়ানমারে শান্তি বজায় রাখতে বড় ধরনের অবদান রাখবে। তবে বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, সেনাবাহিনী ও জাতিগত সশস্ত্র সংগঠনগুলো মিয়ানমারে অব্যহতভাবে লড়াই করেই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শিশুযোদ্ধা পুর্নর্নিয়োগের বিষয়টি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

শিশুদের প্রায়ই জনসম্মুখ থেকে অপহরণ করা হয়। তারা সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে অস্বীকার করলে তাদের জেলে পাঠানোর ভয় দেখানো হয়।