ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

বাবার চেয়ে ভালো কিছু আনবে সন্তান: রাজ্জাক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাবার আদর্শ কিংবা বিশ্বাস সন্তান হুবহু ধারণ করবে এমনটা মনে করেন না আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক। তার মতে, বরং বাবার চেয়েও ভালো ও নতুন কিছু নিয়ে আসে সন্তান।

বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্টের নিয়মিত টকশো ‘আজকের বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এদিনের বিষয় ছিল ‘সরকার ও রাজনীতি’।

খালেদ মুহিউদ্দীনের উপস্থাপনায় টকশোতে আলোচক হিসেবে আরও ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।

ড. আব্দুর রাজ্জাকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে উপস্থাপক বলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন, যেখানে তিনি ফেসবুকে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ের একটি শেয়ারের উল্লেখ করে বলতে চেয়েছেন, যে পিতা তার সন্তানের মধ্যে নিজের আদর্শ বিস্তার করেন না সে পিতা হয় তার বর্তমান অবস্থার জন্য সন্তুষ্ট নন, অথবা নিজের অবস্থান ও বিশ্বাসকে তিনি মনে-প্রাণে ধারণ করেন না। একজন মন্ত্রী সাহেবের কন্যাসন্তানের আওয়ামী লীগবিরোধী ফেসুবক প্রচারণা পুনরায় কমিউনিস্টদের আওয়ামী লীগ ধারণ না করার বর্তা বহন করে।

এই বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত কি না কিংবা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এক ধরনের লয়েলিটি চাইছে কি না- আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চান উপস্থাপক।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রশ্নটা খুবই জটিল তারপরও আমি বলব যে স্বপন যেভাবে বলেছে, ওভাবে আমি তার সাথে একমত নই। যুগে যুগে যে আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, তরুণ-যুবকরা পরিবর্তন আনে, তারা সমাজকে পরিবর্তনে সহযোগিতা করে। কাজেই আমার সন্তান আমার আদর্শই হুবহু ধারণ করবে এটা কিন্তু আমি কোনোদিনই আশা করি না। আমি মনে করি আমার সন্তান আমার চেয়ে আরও ভালো কিছু নিয়ে আসবে। নতুন কিছু নিয়ে আসবে।

কোটার ব্যাপারটায় দুইটা দিক আছে উল্লেখ করে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘একটা হলো, কোটাটা আমি সমর্থন করি কি না। যেমন কোটা নিয়ে একটি উদাহরণ দেই। চাকরিবাকরির ক্ষেত্রে কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা তো পিছিয়ে পড়া। সমাজের পিছিয়ে পড়া এই অংশের জন্য তো কোটা রাখতে হবে। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার, অন্যান্য ক্যাডার, এখানে কিন্তু কোটা লাগবে। তা না হলে কুড়িগ্রামের ছেলেমেয়েদের কোনোদিন চাকরি হবে না। এ জন্য কোটা রাখতেই হবে। জেলা কোটা লাগবে, মেয়েদের কোটা লাগবে। উপজাতিদের জন্য বেশি না হলেও কম লাগবে।

আওয়ামী লগের নেতা বলেন, ‘কিন্তু এখানে আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ে কি বলেছে আমি সেটা জানি না। উনি যদি মনে করেন কোটার একটা সংস্কার হওয়া দরকার, সংশোধন হওয়া দরকার- এটা একটা দিক। আর একটা হলো কোটা আন্দোলন। এই যে ভিসির বাড়ি আক্রমণ, আমরা তথ্য পাচ্ছি, সন্ত্রাসীরা, জঙ্গিরা বা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি এতে সম্পৃক্ত হচ্ছে। একটা রাজনৈতিক প্লাটফর্মে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সেটাকে আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ে সমর্থন করেছেন কি না।’

এ সময় বিএনপির নেতা জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই অনেক ভালো কথা বলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন সংসদে বসে বললেন, কোটা সব বাতিল, রাজ্জাক ভাইকে তখন প্রতিবাদ করতে দেখিনি যে রাঙ্গামাটির জন্য কোটা দরকার, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দরকার। কোনো সংসদ সদস্য কি প্রতিবাদ করেছেন? তার কারণ হলো ওনারা যে কী ধারণ করেন, এটা বোঝা আসলে মুশকিল।’

দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা ১৯৭০ সালে গণ-জাগরণে পক্ষে-বিপক্ষে মুখ খোলেননি উল্লেখ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘ভিসির বাড়িতে আগুন দেয়া হয়নি এটা ঠিক আছে। কিন্তু ভিসির বাড়িতে বহুবার হামলা হয়েছে এরপরে। ওই সময় ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই। কারণ ছাত্ররাই সে সময় গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। তখন সারা দেশের মানুষ তাদের সমর্থন করেছে।’

জয়নুল বলেন, সম্প্রতি কোটা আন্দোলন যখন আরম্ভ হলো সব শ্রেণি-পেশার মানুষ তাতে সমর্থন দিয়েছে। ভিসির বাড়িতে যখন হামলা হয়েছে, তখনো ভিসি বলেছে, ছাত্রদের আন্দোলন যথার্থ।’

এ পর‌্যায়ে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, ৭০ বছরে পা রাখা দেশের প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগ এটা একটা দল বলেন, আদর্শ বলেন ধর্মের মতো হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সন্তানরা এখান থেকে বিচ্যুত হন না। এখান থেকে যদি তাদের চলাফেরায়, পোশাক-আশাকে ব্যত্যয় ঘটে তখন বিষয়টা সামনে চলে আসে। ১৮ বছর কোনো বাধা মানে না। বয়সটা কিন্তু আসল। যুবক-তরুণীরা মানে না কোনো বাধা। এটা কিন্তু তাদের একটি অধিকার।’

আসাদুজ্জামানের কন্যার বিষয়ে ফিরোজ রশিদ বলেন, ‘সে কিন্তু কোনো স্ট্যাটাস দেয়নি। শুধু শেয়ার দিয়েছে। সে তার বাবার আদর্শ বিশ্বাস করে, কিন্তু আবার যখন সহকর্মীরা মার খেয়েছে সে তখন তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে অথবা তাদের সহমর্মিতা জানিয়েছে। এটার মধ্যে অন্যায় কিছু নাই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

বাবার চেয়ে ভালো কিছু আনবে সন্তান: রাজ্জাক

আপডেট সময় ০৮:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুলাই ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাবার আদর্শ কিংবা বিশ্বাস সন্তান হুবহু ধারণ করবে এমনটা মনে করেন না আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক। তার মতে, বরং বাবার চেয়েও ভালো ও নতুন কিছু নিয়ে আসে সন্তান।

বুধবার বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্টের নিয়মিত টকশো ‘আজকের বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এদিনের বিষয় ছিল ‘সরকার ও রাজনীতি’।

খালেদ মুহিউদ্দীনের উপস্থাপনায় টকশোতে আলোচক হিসেবে আরও ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ।

ড. আব্দুর রাজ্জাকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে উপস্থাপক বলেন, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন, যেখানে তিনি ফেসবুকে সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ের একটি শেয়ারের উল্লেখ করে বলতে চেয়েছেন, যে পিতা তার সন্তানের মধ্যে নিজের আদর্শ বিস্তার করেন না সে পিতা হয় তার বর্তমান অবস্থার জন্য সন্তুষ্ট নন, অথবা নিজের অবস্থান ও বিশ্বাসকে তিনি মনে-প্রাণে ধারণ করেন না। একজন মন্ত্রী সাহেবের কন্যাসন্তানের আওয়ামী লীগবিরোধী ফেসুবক প্রচারণা পুনরায় কমিউনিস্টদের আওয়ামী লীগ ধারণ না করার বর্তা বহন করে।

এই বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত কি না কিংবা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এক ধরনের লয়েলিটি চাইছে কি না- আব্দুর রাজ্জাকের কাছে জানতে চান উপস্থাপক।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রশ্নটা খুবই জটিল তারপরও আমি বলব যে স্বপন যেভাবে বলেছে, ওভাবে আমি তার সাথে একমত নই। যুগে যুগে যে আন্দোলন-সংগ্রাম হয়েছে, তরুণ-যুবকরা পরিবর্তন আনে, তারা সমাজকে পরিবর্তনে সহযোগিতা করে। কাজেই আমার সন্তান আমার আদর্শই হুবহু ধারণ করবে এটা কিন্তু আমি কোনোদিনই আশা করি না। আমি মনে করি আমার সন্তান আমার চেয়ে আরও ভালো কিছু নিয়ে আসবে। নতুন কিছু নিয়ে আসবে।

কোটার ব্যাপারটায় দুইটা দিক আছে উল্লেখ করে আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘একটা হলো, কোটাটা আমি সমর্থন করি কি না। যেমন কোটা নিয়ে একটি উদাহরণ দেই। চাকরিবাকরির ক্ষেত্রে কুড়িগ্রাম, বাগেরহাট, পার্বত্য চট্টগ্রামের ছেলেমেয়েরা তো পিছিয়ে পড়া। সমাজের পিছিয়ে পড়া এই অংশের জন্য তো কোটা রাখতে হবে। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডার, অন্যান্য ক্যাডার, এখানে কিন্তু কোটা লাগবে। তা না হলে কুড়িগ্রামের ছেলেমেয়েদের কোনোদিন চাকরি হবে না। এ জন্য কোটা রাখতেই হবে। জেলা কোটা লাগবে, মেয়েদের কোটা লাগবে। উপজাতিদের জন্য বেশি না হলেও কম লাগবে।

আওয়ামী লগের নেতা বলেন, ‘কিন্তু এখানে আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ে কি বলেছে আমি সেটা জানি না। উনি যদি মনে করেন কোটার একটা সংস্কার হওয়া দরকার, সংশোধন হওয়া দরকার- এটা একটা দিক। আর একটা হলো কোটা আন্দোলন। এই যে ভিসির বাড়ি আক্রমণ, আমরা তথ্য পাচ্ছি, সন্ত্রাসীরা, জঙ্গিরা বা স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তি এতে সম্পৃক্ত হচ্ছে। একটা রাজনৈতিক প্লাটফর্মে ব্যবহার করে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। সেটাকে আসাদুজ্জামান নূরের মেয়ে সমর্থন করেছেন কি না।’

এ সময় বিএনপির নেতা জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘রাজ্জাক ভাই অনেক ভালো কথা বলেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যখন সংসদে বসে বললেন, কোটা সব বাতিল, রাজ্জাক ভাইকে তখন প্রতিবাদ করতে দেখিনি যে রাঙ্গামাটির জন্য কোটা দরকার, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য দরকার। কোনো সংসদ সদস্য কি প্রতিবাদ করেছেন? তার কারণ হলো ওনারা যে কী ধারণ করেন, এটা বোঝা আসলে মুশকিল।’

দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যাপিঠ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিরা ১৯৭০ সালে গণ-জাগরণে পক্ষে-বিপক্ষে মুখ খোলেননি উল্লেখ করে জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘ভিসির বাড়িতে আগুন দেয়া হয়নি এটা ঠিক আছে। কিন্তু ভিসির বাড়িতে বহুবার হামলা হয়েছে এরপরে। ওই সময় ছাত্রদের দিকে তাকিয়ে ছিল সবাই। কারণ ছাত্ররাই সে সময় গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে। তখন সারা দেশের মানুষ তাদের সমর্থন করেছে।’

জয়নুল বলেন, সম্প্রতি কোটা আন্দোলন যখন আরম্ভ হলো সব শ্রেণি-পেশার মানুষ তাতে সমর্থন দিয়েছে। ভিসির বাড়িতে যখন হামলা হয়েছে, তখনো ভিসি বলেছে, ছাত্রদের আন্দোলন যথার্থ।’

এ পর‌্যায়ে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, ৭০ বছরে পা রাখা দেশের প্রাচীনতম দল আওয়ামী লীগ এটা একটা দল বলেন, আদর্শ বলেন ধর্মের মতো হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগের সন্তানরা এখান থেকে বিচ্যুত হন না। এখান থেকে যদি তাদের চলাফেরায়, পোশাক-আশাকে ব্যত্যয় ঘটে তখন বিষয়টা সামনে চলে আসে। ১৮ বছর কোনো বাধা মানে না। বয়সটা কিন্তু আসল। যুবক-তরুণীরা মানে না কোনো বাধা। এটা কিন্তু তাদের একটি অধিকার।’

আসাদুজ্জামানের কন্যার বিষয়ে ফিরোজ রশিদ বলেন, ‘সে কিন্তু কোনো স্ট্যাটাস দেয়নি। শুধু শেয়ার দিয়েছে। সে তার বাবার আদর্শ বিশ্বাস করে, কিন্তু আবার যখন সহকর্মীরা মার খেয়েছে সে তখন তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে অথবা তাদের সহমর্মিতা জানিয়েছে। এটার মধ্যে অন্যায় কিছু নাই।’