ঢাকা ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী একনায়কতান্ত্রিক প্রবণতার অবসান ঘটিয়ে জবাবদিহিমূলক সংসদ চাই: হুইপ নিজান অকার্যকর ও সরকারনিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন চাপিয়ে দিলে তা আত্মঘাতী হবে: টিআইবি সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন বহাল শাপলা চত্বরে হত্যা মামলায় এবার আসামি হচ্ছেন ইনু: চিফ প্রসিকিউটর মহাসচিবের কাছে পদবঞ্চিতদের নালিশ- ‘একসময়ের প্রভাবশালী যুবদল এখন মৃতপ্রায়’ ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা, ৩ আগস্ট ছাত্রসমাবেশে থাকবেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে স্কুলছাত্র হত্যা মামলায় দুই ভাইয়ের মৃত্যুদণ্ড ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার এক ব্যক্তি বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী সৌদি আরব

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নাজিব গ্রেপ্তার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল থেকে বিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর বিবিসির।

নাজিব রাজাকে বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) ৭০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে নাজিব রাজাককে তার কুয়ালালামপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ওই মামলায় বুধবার সকালে কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে হাজির করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মালয়েশিয়াকে শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে নাজিবই প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ওয়ানএমডিবি তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

কিন্তু পরে ওই তহবিলের ৭০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে নাজিবের বিরুদ্ধে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে ওই অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তবে নাজিব বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মালয়েশিয়ার আদালত প্রধানমন্ত্রী নাজিবকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু গত মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় এসে নতুন করে ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন।

গত মাসে কুয়ালালামপুরে নাজিবের বিলাসবহুল ভবন এবং মূল বাড়িসহ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি স্থানে অভিযান চালিয়ে নগদ অর্থ, গয়না, হাতব্যাগসহ ২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার সম্পদ জব্দ করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ হাজার ২৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। জব্দ করা সম্পদের মধ্যে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। এ ছাড়া নামীদামি নকশাকারদের তৈরি খুব দামি ও শৌখিন জিনিস রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

গ্রামের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন করতে না পারলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নাজিব গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:১৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল থেকে বিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। খবর বিবিসির।

নাজিব রাজাকে বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতির অভিযোগ আনা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রায়াত্ত বিনিয়োগ তহবিল ওয়ান মালয়েশিয়া ডেভেলপমেন্ট বেরহাদের (ওয়ানএমডিবি) ৭০০ মিলিয়ন ডলার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে নাজিব রাজাককে তার কুয়ালালামপুরের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশনের বিশেষ টাস্কফোর্সের কর্মকর্তারা।

সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ওই মামলায় বুধবার সকালে কুয়ালালামপুর হাইকোর্টে হাজির করা হবে। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে মালয়েশিয়াকে শীর্ষ অর্থনীতির দেশে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে নাজিবই প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ওয়ানএমডিবি তহবিল সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছিলেন।

কিন্তু পরে ওই তহবিলের ৭০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে নাজিবের বিরুদ্ধে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি দেশে ওই অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়। তবে নাজিব বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মালয়েশিয়ার আদালত প্রধানমন্ত্রী নাজিবকে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়েছিল। কিন্তু গত মে মাসের নির্বাচনে সরকার বদলের পর নতুন প্রধানমন্ত্রী মাহথির মোহাম্মদ ক্ষমতায় এসে নতুন করে ওই দুর্নীতি তদন্তের নির্দেশ দেন।

গত মাসে কুয়ালালামপুরে নাজিবের বিলাসবহুল ভবন এবং মূল বাড়িসহ তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয়টি স্থানে অভিযান চালিয়ে নগদ অর্থ, গয়না, হাতব্যাগসহ ২৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার সম্পদ জব্দ করা হয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ২ হাজার ২৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। জব্দ করা সম্পদের মধ্যে ১২ হাজার পিস গয়না, বিভিন্ন ব্যাগে প্রায় তিন কোটি ডলারের সমমূল্যের ২৬টি দেশের মুদ্রা, ৪২৩টি ঘড়ি এবং ২৩৪ জোড়া সানগ্লাস। এ ছাড়া নামীদামি নকশাকারদের তৈরি খুব দামি ও শৌখিন জিনিস রয়েছে।