ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আ’লীগ মেয়রপ্রার্থী কামরানের চেয়ে ধনী তার স্ত্রী আসমা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে ধনী তার স্ত্রী আসমা কামরান। প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সম্পদ বেশি রয়েছে তার। গত ৫ বছরে দু’জনেরই সম্পদ বেড়েছে। এবার কামরানের সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ছাড়িয়েছে।

২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী কামরানের সম্পদ ২ কোটি টাকার নিচে থাকায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। গত ৫ বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার সম্পদ বেড়ে তা প্রায় সোয়া দুই কোটিতে পৌঁছেছে। গত নির্বাচনে কামরানের কোনো ঋণের তথ্য না থাকলেও এবার প্রায় ৬৯ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণের তথ্য রয়েছে।

মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় অস্থাবর সম্পদের বর্ণনা দিতে গিয়ে কামরান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন- ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে বাৎসরিক আয় ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৪০৩ টাকা। তার এবং স্ত্রী আসমা কামরানের নামে নগদ আছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৩ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫২ টাকা। বৈদেশিক মুদ্রাসহ ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কামরান এবং তার স্ত্রীর নামে আছে তিন কোটি ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ১ শত ২৯ টাকা। যেখানে তার নিজের নামে আছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার ৯২৯ টাকা এবং স্ত্রীর নামে আছে ২ কোটি ৫ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ টাকা।

নিজের নামে না থাকলেও স্ত্রীর নামে বন্ড, ঋণপত্র রয়েছে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিজের কোনো গাড়ি না থাকলেও স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জিপ গাড়ি। নিজের নামে স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু রয়েছে দেড় লাখ টাকা মূল্যের। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার অলংকার। নিজের ও স্ত্রীর নামে ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকার, আসবাবপত্র রয়েছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকার।

অস্থাবর সম্পত্তির বর্ণনা দিতে গিয়ে কামরান হলফনামায় উলে­খ করেছেন তার ও তার স্ত্রীর নামে ৭৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৫১ টাকার অকৃষি জমি রয়েছে। যার মধ্যে নিজের নামে ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের জমি রয়েছে। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩১ লাখ ৪ হাজার ৮০১ টাকার অকৃষি জমি। কামরানের নিজের নামে ১০ লাখ টাকা মূল্যের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দোতলা বাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৯ টাকা মূল্যের একটি ভবন।

উপরোক্ত বিবরণ অনুযায়ী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২ কোটি ২৪ লাখ ৭৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ কোটি ৭৫ লাখ ১৪ হাজার ৯২১ টাকা। কামরানের চেয়ে তার স্ত্রীর ৩ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার ১৯০ টাকার সম্পদ বেশি রয়েছে।

২০১৩ সালের নির্বাচনে কামরানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ছিল ১ কোটি ৮৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৯৫ টাকা। সেই তুলনায় গত ৫ বছরে সম্পদ বেড়েছে ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ২৩৬ টাকার।

অন্যদিকে তার স্ত্রী আসমা কামরানের নামে ২০১৩ সালে সম্পদ ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৯ টাকার। পাঁচ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৩২ টাকা।

অথচ ২০১৩ সালের সিসিক নির্বাচনে কামরানের দেয়া সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল চার লাখ ৪৮ হাজার ৩৮৮ টাকা এবং মেয়র হিসেবে সম্মানী ভাতা ১১ লাখ এক হাজার ৬০০ টাকা। তার এবং তার স্ত্রীর নগদ গচ্ছিত ছিল ৭৪ লাখ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে নগদ ছিল ১৪ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৬০ লাখ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার এবং তার স্ত্রীর গচ্ছিত ছিল দুই কোটি ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৩০৩ টাকা। নিজের নামে জমা ছিল ১ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৯৫ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৯২ লাখ ৯৬ হাজার ২০৮ টাকা।

বন্ড, শেয়ার এবং স্থায়ী আমানতে কামরানের স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের নামে এক কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৯৭০ টাকা বিনিয়োগ ছিল। তার স্ত্রীর নামে ছিল একটি সাড়ে ৬ লাখ টাকা মূল্যের জিপ। নিজের ও স্ত্রীর নামে ছিল দুই লাখ ৯০ হাজার টাকার স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু।

নিজের নামে এক লাখ ৫০ হাজার এবং স্ত্রীর নামে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু ছিল এক লাখ ৪০ টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল দুই লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকার। এর মধ্যে নিজের নামে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী। আসবাবপত্র ছিল চার লাখ ৪৭ হাজার টাকার। নিজের নামে ৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৬০ হাজার টাকার আসবাবপত্র।

স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কামরানের স্ত্রীর নামে ছিল ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৮৪ টাকার কৃষিজমি। নিজের নামে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে অকৃষি জমি ছিল ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬৭ টাকার। কামরানের নামে ১০ লাখ টাকা মূল্যের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি দোতলা দালান এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি টিনশেড ঘর।

স্ত্রীর সম্পদ বাড়ার বিষয়ে বদরউদ্দিন আহমদ কামরান দৈনিক আকাশকে জানান, যা আছে তাই দেয়া হয়েছে। কোনো কিছু লুকানো হয়নি। স্ত্রীর সম্পদ বাড়লেও স্ত্রীর নামে অর্ধকোটি টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে বলে জানান কামরান। তবে তা গত আয়কর দাখিলের পর নেয়ায় সেই তথ্য হলফনামায় দেয়া হয়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

আ’লীগ মেয়রপ্রার্থী কামরানের চেয়ে ধনী তার স্ত্রী আসমা

আপডেট সময় ১০:০৯:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের চেয়ে ধনী তার স্ত্রী আসমা কামরান। প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার সম্পদ বেশি রয়েছে তার। গত ৫ বছরে দু’জনেরই সম্পদ বেড়েছে। এবার কামরানের সম্পদের পরিমাণ দুই কোটি ছাড়িয়েছে।

২০১৩ সালের নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী কামরানের সম্পদ ২ কোটি টাকার নিচে থাকায় অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। গত ৫ বছরে প্রায় ৩৫ লাখ টাকার সম্পদ বেড়ে তা প্রায় সোয়া দুই কোটিতে পৌঁছেছে। গত নির্বাচনে কামরানের কোনো ঋণের তথ্য না থাকলেও এবার প্রায় ৬৯ লাখ টাকা ব্যাংক ঋণের তথ্য রয়েছে।

মনোনয়নপত্র জমাদানের সময় অস্থাবর সম্পদের বর্ণনা দিতে গিয়ে কামরান হলফনামায় উল্লেখ করেছেন- ব্যবসা, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে বাৎসরিক আয় ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৪০৩ টাকা। তার এবং স্ত্রী আসমা কামরানের নামে নগদ আছে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৩ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫২ টাকা। বৈদেশিক মুদ্রাসহ ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কামরান এবং তার স্ত্রীর নামে আছে তিন কোটি ৬১ লাখ ৩৭ হাজার ১ শত ২৯ টাকা। যেখানে তার নিজের নামে আছে ১ কোটি ৫৫ লাখ ৪২ হাজার ৯২৯ টাকা এবং স্ত্রীর নামে আছে ২ কোটি ৫ লাখ ৯৪ হাজার ২০০ টাকা।

নিজের নামে না থাকলেও স্ত্রীর নামে বন্ড, ঋণপত্র রয়েছে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিজের কোনো গাড়ি না থাকলেও স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের জিপ গাড়ি। নিজের নামে স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু রয়েছে দেড় লাখ টাকা মূল্যের। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার অলংকার। নিজের ও স্ত্রীর নামে ইলেকট্রনিক সামগ্রী রয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকার, আসবাবপত্র রয়েছে ৪ লাখ ৪৭ হাজার টাকার।

অস্থাবর সম্পত্তির বর্ণনা দিতে গিয়ে কামরান হলফনামায় উলে­খ করেছেন তার ও তার স্ত্রীর নামে ৭৭ লাখ ২৫ হাজার ৬৫১ টাকার অকৃষি জমি রয়েছে। যার মধ্যে নিজের নামে ৪৬ লাখ ২০ হাজার ৮৫০ টাকা মূল্যের জমি রয়েছে। স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩১ লাখ ৪ হাজার ৮০১ টাকার অকৃষি জমি। কামরানের নিজের নামে ১০ লাখ টাকা মূল্যের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া দোতলা বাড়ির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আর স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৯৬ হাজার ৫৮৯ টাকা মূল্যের একটি ভবন।

উপরোক্ত বিবরণ অনুযায়ী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২ কোটি ২৪ লাখ ৭৩১ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৫ কোটি ৭৫ লাখ ১৪ হাজার ৯২১ টাকা। কামরানের চেয়ে তার স্ত্রীর ৩ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার ১৯০ টাকার সম্পদ বেশি রয়েছে।

২০১৩ সালের নির্বাচনে কামরানের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির মূল্য ছিল ১ কোটি ৮৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৯৫ টাকা। সেই তুলনায় গত ৫ বছরে সম্পদ বেড়েছে ৩৪ লাখ ৭২ হাজার ২৩৬ টাকার।

অন্যদিকে তার স্ত্রী আসমা কামরানের নামে ২০১৩ সালে সম্পদ ছিল ৩ কোটি ১০ লাখ ৫৩ হাজার ৫৮৯ টাকার। পাঁচ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬১ হাজার ৩৩২ টাকা।

অথচ ২০১৩ সালের সিসিক নির্বাচনে কামরানের দেয়া সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় ছিল চার লাখ ৪৮ হাজার ৩৮৮ টাকা এবং মেয়র হিসেবে সম্মানী ভাতা ১১ লাখ এক হাজার ৬০০ টাকা। তার এবং তার স্ত্রীর নগদ গচ্ছিত ছিল ৭৪ লাখ টাকা।

এর মধ্যে নিজের নামে নগদ ছিল ১৪ লাখ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ৬০ লাখ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার এবং তার স্ত্রীর গচ্ছিত ছিল দুই কোটি ৩৫ লাখ ৯১ হাজার ৩০৩ টাকা। নিজের নামে জমা ছিল ১ কোটি ৪২ লাখ ৯৫ হাজার ৯৫ টাকা এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৯২ লাখ ৯৬ হাজার ২০৮ টাকা।

বন্ড, শেয়ার এবং স্থায়ী আমানতে কামরানের স্ত্রী ও নির্ভরশীলদের নামে এক কোটি ৩২ লাখ ৪২ হাজার ৯৭০ টাকা বিনিয়োগ ছিল। তার স্ত্রীর নামে ছিল একটি সাড়ে ৬ লাখ টাকা মূল্যের জিপ। নিজের ও স্ত্রীর নামে ছিল দুই লাখ ৯০ হাজার টাকার স্বর্ণ ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতু।

নিজের নামে এক লাখ ৫০ হাজার এবং স্ত্রীর নামে স্বর্ণ ও মূল্যবান ধাতু ছিল এক লাখ ৪০ টাকার। ইলেকট্রনিক সামগ্রী ছিল দুই লাখ ৮১ হাজার ৪০০ টাকার। এর মধ্যে নিজের নামে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ টাকা এবং স্ত্রীর নামে রয়েছে ৩৫ হাজার টাকার ইলেকট্রনিক সামগ্রী। আসবাবপত্র ছিল চার লাখ ৪৭ হাজার টাকার। নিজের নামে ৩ লাখ ৮৭ হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে ৬০ হাজার টাকার আসবাবপত্র।

স্থাবর সম্পত্তির মধ্যে কামরানের স্ত্রীর নামে ছিল ২ লাখ ৯৭ হাজার ২৮৪ টাকার কৃষিজমি। নিজের নামে ১৪ লাখ ৫০ হাজার টাকার এবং স্ত্রীর নামে অকৃষি জমি ছিল ১৩ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬৭ টাকার। কামরানের নামে ১০ লাখ টাকা মূল্যের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত একটি দোতলা দালান এবং স্ত্রীর নামে ছিল ৭৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি টিনশেড ঘর।

স্ত্রীর সম্পদ বাড়ার বিষয়ে বদরউদ্দিন আহমদ কামরান দৈনিক আকাশকে জানান, যা আছে তাই দেয়া হয়েছে। কোনো কিছু লুকানো হয়নি। স্ত্রীর সম্পদ বাড়লেও স্ত্রীর নামে অর্ধকোটি টাকার ব্যাংক ঋণ রয়েছে বলে জানান কামরান। তবে তা গত আয়কর দাখিলের পর নেয়ায় সেই তথ্য হলফনামায় দেয়া হয়নি।