ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সন্তানদের কান্নায় কাঁদলো সবাই, মায়ের চিৎকার প্রেমিকের জন্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেয়েটির বয়স ১৩ কি ১৪ আর ছেলেটির বয়স প্রায় ১০ বছর। মায়াভরা শিশু দুটির মুখ। তারা মাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাঁদছে। কিছুতেই মাকে ছাড়বে না।

অপরদিকে মা মিতু তার সন্তানদের ফেলে রেখে প্রেমিকের কাছে যাওয়ার জন্য চিৎকার করতে থাকে। পরে আদালত থেকে জামিন পেয়ে তার সন্তানদের নিয়ে অবশেষে স্বামীর সংসারে চলে যেতে বাধ্য হন।

তাদের এমন চিৎকারে নারায়ণগঞ্জ আদালতের জিআরওতে ভিড় জমে যায়। ছুটে আসেন আইনজীবী, সাংবাদিক, বিচারপ্রার্থীসহ আশপাশে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরাও। সবাই যেন এসেই থমকে দাঁড়ায়। এমন করুণ ও হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি হয়ত সিনেমাতে কেউ কেউ দেখলেও বাস্তবে কারও দেখা হয়নি।

সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া নাজিরা আক্তার মিতু ও তার দুই শিশু সন্তানের মধ্যে সোমবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সদর কোর্ট জিআরও বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

কোর্ট পুলিশের এসআই হানিফ মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নাজিরা আক্তার মিতু তার স্বামী উইসুফ মিয়া ও তাদের দুই সন্তান নিয়ে ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন।

এরমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক আবুল হোসেন সজিবের সঙ্গে পরকীয়ায় ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামী রেখে রূপায়ণ টাউন থেকে মিতু পালিয়ে যায়।

পরে ২৬ এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় পুলিশ রোববার বিকালে মিতুকে উদ্ধার করে।

এরপর সোমবার নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালতে মিতু জবানবন্দিতে বলেন, তাকে কেউ অপহরণ করেনি সে স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক দিয়ে সজিবের কাছে চলে গিয়েছে। পরে আদালত মিতুকে তার নিজ জিম্মায় মুক্তি দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সন্তানদের কান্নায় কাঁদলো সবাই, মায়ের চিৎকার প্রেমিকের জন্য

আপডেট সময় ১০:২২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মেয়েটির বয়স ১৩ কি ১৪ আর ছেলেটির বয়স প্রায় ১০ বছর। মায়াভরা শিশু দুটির মুখ। তারা মাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার করে কাঁদছে। কিছুতেই মাকে ছাড়বে না।

অপরদিকে মা মিতু তার সন্তানদের ফেলে রেখে প্রেমিকের কাছে যাওয়ার জন্য চিৎকার করতে থাকে। পরে আদালত থেকে জামিন পেয়ে তার সন্তানদের নিয়ে অবশেষে স্বামীর সংসারে চলে যেতে বাধ্য হন।

তাদের এমন চিৎকারে নারায়ণগঞ্জ আদালতের জিআরওতে ভিড় জমে যায়। ছুটে আসেন আইনজীবী, সাংবাদিক, বিচারপ্রার্থীসহ আশপাশে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরাও। সবাই যেন এসেই থমকে দাঁড়ায়। এমন করুণ ও হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি হয়ত সিনেমাতে কেউ কেউ দেখলেও বাস্তবে কারও দেখা হয়নি।

সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিনের মেয়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যাওয়া নাজিরা আক্তার মিতু ও তার দুই শিশু সন্তানের মধ্যে সোমবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ সদর কোর্ট জিআরও বিভাগে এ ঘটনা ঘটে।

কোর্ট পুলিশের এসআই হানিফ মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নাজিরা আক্তার মিতু তার স্বামী উইসুফ মিয়া ও তাদের দুই সন্তান নিয়ে ভূইগড় রূপায়ন টাউনে বসবাস করেন।

এরমধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইল এলাকার মৃত শামসুল হকের ছেলে এক সন্তানের জনক আবুল হোসেন সজিবের সঙ্গে পরকীয়ায় ১৮ এপ্রিল দুই সন্তান ও স্বামী রেখে রূপায়ণ টাউন থেকে মিতু পালিয়ে যায়।

পরে ২৬ এপ্রিল মিতুর স্বামী ইউসুফ মিয়া একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় পুলিশ রোববার বিকালে মিতুকে উদ্ধার করে।

এরপর সোমবার নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অশোক কুমার দত্তের আদালতে মিতু জবানবন্দিতে বলেন, তাকে কেউ অপহরণ করেনি সে স্বেচ্ছায় স্বামীকে তালাক দিয়ে সজিবের কাছে চলে গিয়েছে। পরে আদালত মিতুকে তার নিজ জিম্মায় মুক্তি দেয়।