ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

সরকার পরিচালনায় প্রয়োজনে জনগণের পাশে থাকবে সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার পরিচালনায় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন বিভিন্ন সেনানিবাসের ২৭ টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

সেনাবাহিনীর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার দুই ভাই সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। ‘আমার ১০ বছরের ছোট ভাই, বড় হয়ে সে কী করতে চায়-এ প্রশ্নের জবাবে বলতো, সেনাবাহিনীতে চাকরি করবে,’ বলে শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনা সদস্যদের জন্য কল্যাণমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। রসদ বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতা বাড়িয়েছি। তাদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। প্রথমবারের মতো আমরা সেনাবাহিনী প্যারা কমান্ডো ইউনিট চালু করেছি। ‘৯৬ সালে মেয়েদের সেনা ও বিমানবাহিনীতে নিয়োগের ব্যবস্থা করি। নারী পাইলট সংযোজন করে নতুন যুগের সূচনা করি। সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য কেন্দ্র করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, সেনা সদস্যদের জন্য দুপুরে রুটির পরিবর্তে ভাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ‘৯৬ সালে সরকার গঠনের পর সেনাবাহিনীর কাছে তাদের দাবি-দাওয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তারা বলেছিলেন, আমাদের দুপুরে রুটি দেয়া হয়, আমরা ভাত খেতে চাই। ওই সময় দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। আমি কথা দিয়েছিলাম তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত আমি ভাত খাবো না। আমি ভাত খাইনি। তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা করার পর আমি তাদের সঙ্গে বসে দুপুরের ভাত খেয়েছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, সেনা সদস্যের জন্য দুই লাখ টাকার দুস্থ ভাতা ৬ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এলপিআর-এর মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর জেসিও পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির করা হয়েছে। সার্জেন্টকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান ধরে রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৮৪ বছরে অমিতাভ: জলসার সামনে ভক্তদের ঢল ও বিশেষ

সরকার পরিচালনায় প্রয়োজনে জনগণের পাশে থাকবে সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:২০:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকার পরিচালনায় প্রয়োজনে সেনাবাহিনী জনগণের পাশে থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। রোববার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে বিভিন্ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। এদিন বিভিন্ন সেনানিবাসের ২৭ টি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।

সেনাবাহিনীর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আমার দুই ভাই সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। ‘আমার ১০ বছরের ছোট ভাই, বড় হয়ে সে কী করতে চায়-এ প্রশ্নের জবাবে বলতো, সেনাবাহিনীতে চাকরি করবে,’ বলে শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনা সদস্যদের জন্য কল্যাণমুখী পদক্ষেপ নিয়েছি। রসদ বাড়ানোর পাশাপাশি ভাতা বাড়িয়েছি। তাদের জন্য আবাসন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছি। প্রথমবারের মতো আমরা সেনাবাহিনী প্যারা কমান্ডো ইউনিট চালু করেছি। ‘৯৬ সালে মেয়েদের সেনা ও বিমানবাহিনীতে নিয়োগের ব্যবস্থা করি। নারী পাইলট সংযোজন করে নতুন যুগের সূচনা করি। সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য কেন্দ্র করে দিয়েছি।

তিনি বলেন, সেনা সদস্যদের জন্য দুপুরে রুটির পরিবর্তে ভাতের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। ‘৯৬ সালে সরকার গঠনের পর সেনাবাহিনীর কাছে তাদের দাবি-দাওয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম। তারা বলেছিলেন, আমাদের দুপুরে রুটি দেয়া হয়, আমরা ভাত খেতে চাই। ওই সময় দেশে খাদ্য ঘাটতি ছিল। আমি কথা দিয়েছিলাম তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত আমি ভাত খাবো না। আমি ভাত খাইনি। তাদের জন্য ভাতের ব্যবস্থা করার পর আমি তাদের সঙ্গে বসে দুপুরের ভাত খেয়েছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, সেনা সদস্যের জন্য দুই লাখ টাকার দুস্থ ভাতা ৬ লাখ টাকা করে দিয়েছি। এলপিআর-এর মেয়াদ ছয় মাসের পরিবর্তে এক বছর করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর জেসিও পদকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম শ্রেণির করা হয়েছে। সার্জেন্টকে তৃতীয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উন্নীত করেছি।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সম্মান ধরে রাখার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।