ঢাকা ০৫:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস রাজনৈতিক পরিবর্তনে বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে : ড্যান মজিনা জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে বিএনপি : সালাহউদ্দিন ‘অনিবার্য কারণে’ জামায়াতসহ ১১ দলের আসন সমঝোতার সংবাদ সম্মেলন স্থগিত যে দল ইসরাইলের টাকায় চলে সেই দলে আমি থাকতে পারি না: রেজা কিবরিয়া নির্বাচনে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারবে না, সবাই সহযোগিতা করলে শান্তিপূর্ণভাবে হয়ে যাবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা ‘সবাইকেই তো দেখলাম, এবার জামায়াতকে দেখব’,বক্তব্যের অন্তর্নিহিত গোমর ফাঁস করলেন হামিম গোপালগঞ্জে মা-বাবাকে জীবন্ত কবর দেওয়ার চেষ্টা, দুই ছেলে গ্রেফতার আইসিসির রিপোর্টই ভাবতে বাধ্য করেছে, যে ভারতে ঝুঁকি আছে: আসিফ নজরুল বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু

বিয়ের ১৪ বছর পর বৌভাত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৌভাতের আয়োজন। অতিথিরা এলেন। খাওয়া-দাওয়ায় অংশ নিলেন। আপ্যায়ন শেষে বিদায়ও নিলেন। কিন্তু যে বৌভাত অনুষ্ঠান হলো এটি সম্প্রতি কোনো বিয়ের নয়। ১৪ বছর আগের এক বিয়ের বৌভাত।

বৃহস্পতিবার এ রকমই এক ব্যতিক্রমী আয়োজন ছিল নাটোরের বাগাতিপাড়ায়। বরের সঙ্গে ১৪ বছর আগে যারা বরযাত্রী ছিলেন তারাও এসেছিলেন ওই অনুষ্ঠানে। তারা সবাই উপহার পেলেন একই রকমের নতুন পোশাক।

আয়োজকরা জানালেন, ২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর উপজেলার দয়ারামপুর কাজীপাড়ার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মাদ্রাসাশিক্ষক কাজী আমানুর রহমানের সঙ্গে একই উপজেলার চকতকিনগর গ্রামের জাহেদ আলীর মেয়ে তাছলিমা খাতুনের বিয়ে হয়।

রমজান মাসে বিয়ে হওয়ার কারণে সে সময় বৌভাতের আয়োজন করা হয়নি। এ নিয়ে মনোকষ্টে ছিলেন স্বামী আমানুর ও স্ত্রী তাছলিমা। তারা স্থির করেছিলেন বৌভাতের আয়োজন একদিন হবেই। কিন্তু তা হচ্ছিল না।

একে একে তিনটি সন্তানের বাবা-মা হন সেই দম্পতি। বড় মেয়ে আমিনা (১০) পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। ছোট দুই ছেলে আলিফ (৫) ও ২০ দিনের নবজাতক আলভী।

অবশেষে সেই ইচ্ছার বাস্তবায়ন হয় ১৪ বছর পর। বর কাজী আমানুর পেশায় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। সে সময়ে তার সঙ্গে বরযাত্রী হয়ে এসেছিলেন তার মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২৪ জন।

তাদের বৌভাত অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের উপহার দেয়া হয় একই রঙের পাঞ্জাবি-পায়জামা। সঙ্গে সাদা টুপি। এতে উচ্ছ্বসিত হন বরযাত্রীরা। তারা বলেন, এমন ঘটনা এর আগে কখনও দেখেননি।

কাজী আমানুর রহমান বলেন, নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিল অনেক বড় আশা। কিন্তু সে সময় অনুষ্ঠান করা যায়নি। তাই ভেতরে ইচ্ছে থেকেই যায়। অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পেরে ভালো লাগছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

বিয়ের ১৪ বছর পর বৌভাত

আপডেট সময় ১১:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বৌভাতের আয়োজন। অতিথিরা এলেন। খাওয়া-দাওয়ায় অংশ নিলেন। আপ্যায়ন শেষে বিদায়ও নিলেন। কিন্তু যে বৌভাত অনুষ্ঠান হলো এটি সম্প্রতি কোনো বিয়ের নয়। ১৪ বছর আগের এক বিয়ের বৌভাত।

বৃহস্পতিবার এ রকমই এক ব্যতিক্রমী আয়োজন ছিল নাটোরের বাগাতিপাড়ায়। বরের সঙ্গে ১৪ বছর আগে যারা বরযাত্রী ছিলেন তারাও এসেছিলেন ওই অনুষ্ঠানে। তারা সবাই উপহার পেলেন একই রকমের নতুন পোশাক।

আয়োজকরা জানালেন, ২০০৪ সালের ৫ নভেম্বর উপজেলার দয়ারামপুর কাজীপাড়ার মৃত আজিজুর রহমানের ছেলে মাদ্রাসাশিক্ষক কাজী আমানুর রহমানের সঙ্গে একই উপজেলার চকতকিনগর গ্রামের জাহেদ আলীর মেয়ে তাছলিমা খাতুনের বিয়ে হয়।

রমজান মাসে বিয়ে হওয়ার কারণে সে সময় বৌভাতের আয়োজন করা হয়নি। এ নিয়ে মনোকষ্টে ছিলেন স্বামী আমানুর ও স্ত্রী তাছলিমা। তারা স্থির করেছিলেন বৌভাতের আয়োজন একদিন হবেই। কিন্তু তা হচ্ছিল না।

একে একে তিনটি সন্তানের বাবা-মা হন সেই দম্পতি। বড় মেয়ে আমিনা (১০) পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। ছোট দুই ছেলে আলিফ (৫) ও ২০ দিনের নবজাতক আলভী।

অবশেষে সেই ইচ্ছার বাস্তবায়ন হয় ১৪ বছর পর। বর কাজী আমানুর পেশায় একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। সে সময়ে তার সঙ্গে বরযাত্রী হয়ে এসেছিলেন তার মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২৪ জন।

তাদের বৌভাত অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তাদের উপহার দেয়া হয় একই রঙের পাঞ্জাবি-পায়জামা। সঙ্গে সাদা টুপি। এতে উচ্ছ্বসিত হন বরযাত্রীরা। তারা বলেন, এমন ঘটনা এর আগে কখনও দেখেননি।

কাজী আমানুর রহমান বলেন, নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে ছিল অনেক বড় আশা। কিন্তু সে সময় অনুষ্ঠান করা যায়নি। তাই ভেতরে ইচ্ছে থেকেই যায়। অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ করতে পেরে ভালো লাগছে।