ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দিনমজুরি করে জিপিএ ৫, প্রকৌশলী হতে চায় দুর্জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিরলে দরিদ্র রিকশাচালকের ছেলে নিজেই দিনমজুরি করে পড়ালেখা চালিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। দারিদ্র্য তার কশাঘাতে থেকে ভবিষ্যতে সে দিনমজুরি করে হলেও প্রকৌশলী হতে চায়।

জিপিএ ৫ পাওয়া শ্রী দুর্জয় চন্দ্র রায় বিরলের রাজারামপুর ইউপির আজিমপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং একই গ্রামের রিকশাচালক শ্যামল চন্দ্র রায়ের ছেলে। সে দুই ভাইবোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। তার বোন পূজা রাণী রায় একই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।

ভবিষ্যতে দুর্জয় প্রকৌশলী হতে চায়। কিন্তু দারিদ্র্যতা তার শিক্ষাজীবনের প্রধান বাধা। সব বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে বাবা-মা এবং শিক্ষকদের আশীর্বাদে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনে সে দিনমজুরি করেই পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চায়।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় তার দিনমজুরি ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জনের সামর্থ্য নেই বলে জানায়।

উপজেলা কিংবা জেলা শহরে থেকে পড়ালেখা চালাতে গেলে থাকা-খাওয়াসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবার একার পক্ষে চালানো সম্ভব না।

মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও তাই তাকে প্রত্যন্ত গ্রামে থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে বলে সে জানায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকরা জানান, দুর্জয় নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠে মনোযোগী ছিল। তার পড়ালেখায় আগ্রহের কোনো কমতি ছিল না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনমজুরি করে জিপিএ ৫, প্রকৌশলী হতে চায় দুর্জয়

আপডেট সময় ১০:০০:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিরলে দরিদ্র রিকশাচালকের ছেলে নিজেই দিনমজুরি করে পড়ালেখা চালিয়ে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। দারিদ্র্য তার কশাঘাতে থেকে ভবিষ্যতে সে দিনমজুরি করে হলেও প্রকৌশলী হতে চায়।

জিপিএ ৫ পাওয়া শ্রী দুর্জয় চন্দ্র রায় বিরলের রাজারামপুর ইউপির আজিমপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এবং একই গ্রামের রিকশাচালক শ্যামল চন্দ্র রায়ের ছেলে। সে দুই ভাইবোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ। তার বোন পূজা রাণী রায় একই বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী।

ভবিষ্যতে দুর্জয় প্রকৌশলী হতে চায়। কিন্তু দারিদ্র্যতা তার শিক্ষাজীবনের প্রধান বাধা। সব বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে বাবা-মা এবং শিক্ষকদের আশীর্বাদে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজনে সে দিনমজুরি করেই পড়ালেখা চালিয়ে যেতে চায়।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় তার দিনমজুরি ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে অর্থ উপার্জনের সামর্থ্য নেই বলে জানায়।

উপজেলা কিংবা জেলা শহরে থেকে পড়ালেখা চালাতে গেলে থাকা-খাওয়াসহ আনুষঙ্গিক ব্যয় তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম বাবার একার পক্ষে চালানো সম্ভব না।

মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও তাই তাকে প্রত্যন্ত গ্রামে থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হবে বলে সে জানায়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ সহকারী শিক্ষকরা জানান, দুর্জয় নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠে মনোযোগী ছিল। তার পড়ালেখায় আগ্রহের কোনো কমতি ছিল না।