ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবারের বাজেট হবে সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী: প্রধানমন্ত্রী বড় ভাইকে দাফনের কয়েক ঘণ্টা পরেই ছোট ভাইয়ের মৃত্যু কারাগারে অসুস্থ দীপু মনিকে নেওয়া হলো ঢামেকে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন ও ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইটবোঝাই ট্রাক খাদে পড়ে ২ শ্রমিক নিহত আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন

ত্রিভুবন বিমানবন্দরের সবকিছুতেই পুরনো ধারা: বিমানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বলেছেন, নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর হাজারো সমস্যায় জর্জরিত। বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার, রাডার সবকিছুতেই পুরনো ধারা। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আমাদের দেশের মতো ভালোমানের হাসপাতালও নেই বলেও জানান মন্ত্রী।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ‘ইউএস-বাংলা এয়ারক্রাপ্ট এক্সিডেন্ট এট ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট, কাঠমান্ডু নেপাল অন ১২ মার্চ, ২০১৮ : লেশন লার্নট অ্যান্ড প্রিপারেডনেস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট কাউন্সিল হলে এ বৈঠক হয়।

বিমানমন্ত্রী বলেন, নেপালের চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিক হলে ওই দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কম হতো। তারপরও আমাদের কজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

শাহজাহান কামাল আরও বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টর দিনদিন উন্নত হচ্ছে। আমাদের বিমানবন্দরগুলোয় সুপরিসর এয়ারক্রাপ্ট উঠানামা করছে। এটি সম্ভব হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তার কারণে। এভিয়েশন সেক্টরে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী ইমরান আসিফ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১২ মার্চ ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলার ফ্লাইটটি কাঠমান্ডুতে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানটিতে থাকা ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জনই নিহত হন। এর মধ্যে বিমানের ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান ও কো-ক্যাপ্টেন পৃথুলা রশিদসহ ২৬ বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এবারের বাজেট হবে সুন্দর, স্বাভাবিক ও বাস্তবমুখী: প্রধানমন্ত্রী

ত্রিভুবন বিমানবন্দরের সবকিছুতেই পুরনো ধারা: বিমানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বলেছেন, নেপালের ত্রিভুবন বিমানবন্দর হাজারো সমস্যায় জর্জরিত। বিমানবন্দরের কন্ট্রোল টাওয়ার, রাডার সবকিছুতেই পুরনো ধারা। নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে আমাদের দেশের মতো ভালোমানের হাসপাতালও নেই বলেও জানান মন্ত্রী।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীতে ‘ইউএস-বাংলা এয়ারক্রাপ্ট এক্সিডেন্ট এট ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট, কাঠমান্ডু নেপাল অন ১২ মার্চ, ২০১৮ : লেশন লার্নট অ্যান্ড প্রিপারেডনেস’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট কাউন্সিল হলে এ বৈঠক হয়।

বিমানমন্ত্রী বলেন, নেপালের চিকিৎসা ব্যবস্থা আধুনিক হলে ওই দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কম হতো। তারপরও আমাদের কজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। এ জন্য ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

শাহজাহান কামাল আরও বলেন, বাংলাদেশের এভিয়েশন সেক্টর দিনদিন উন্নত হচ্ছে। আমাদের বিমানবন্দরগুলোয় সুপরিসর এয়ারক্রাপ্ট উঠানামা করছে। এটি সম্ভব হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী চিন্তার কারণে। এভিয়েশন সেক্টরে উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত থাকবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী খন্দকার মনজুর মোর্শেদ, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী ইমরান আসিফ প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ১২ মার্চ ঢাকার হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে যাওয়া ইউএস-বাংলার ফ্লাইটটি কাঠমান্ডুতে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। এতে বিমানটিতে থাকা ৭১ আরোহীর মধ্যে ৫১ জনই নিহত হন। এর মধ্যে বিমানের ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান ও কো-ক্যাপ্টেন পৃথুলা রশিদসহ ২৬ বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।