ঢাকা ০৬:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

সড়ক সংস্কারের ২ মাসেই পিচভেদ করে উঠে যায় পাথর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা পৌরসভাসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের কাজ হওয়ার দুই মাস না যেতেই জুতা দিয়ে আঁচড় কাটতেই পিচভেদ করে উঠে যাচ্ছে পাথর। সড়কটির কাজে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পুনরায় এটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ডামুড্যা পৌরসভার প্রকৌশলী মোবারক হোসেন ও সহকারী প্রকৌশলী রাজীব ভক্ত সড়কের কাজ নিম্নমানের হয়েছে বলে স্বীকার করেন। তারা বলেন, নিম্নমানের কাজ হচ্ছিল দেখে তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

‘তবে তাদের কাছে তথ্য না জানতে চেয়ে বরং মেয়রের কাছে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া ভালো হয় বলেন,’ এ দুই প্রকৌশলী।

ডামুড্যা পৌরসভার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের অধীনে পৌরসভার ঋষিপাড়া থেকে চৌরাস্তা মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি ৫০০ মিটার দীর্ঘ ও সাড়ে চার মিটার প্রস্থ ২১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ব্যয়ে পাকাকরণের কাজ পায় দুই ঠিকাদার।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি হল ডামুড্যা উপজেলার ঠিকাদার মেসার্স লোকমান ট্রেডার্স (মোসলেম রাড়ি) ও মেসার্স সাকিন ট্রেডার্স (আবুল বাসার সুজন)।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়ে সড়কটির কাজ শেষ হয় মার্চে। স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদাররা ওই সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেছেন। তাই ওই সড়কে জুতা দিয়ে আঁচড় কাটতেই পিচভেদ করে উঠে যায় পাথর।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই সড়কের ধুলাবালু পরিষ্কার না করেই পাথরে নামমাত্র বিটুমিন মিশ্রণ করে পাকাকরণের কাজ করেছিল ঠিকাদার। পাকাকরণের দুই মাস না যেতেই উঠে যাচ্ছে পাথরসহ বিটুমিন।

ওই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন আবদুল জব্বার, আবু তাহের, তাহসিন হোসাইন; তারা অভিযোগ করেন আগের সড়কই ভালো ছিল। সেটিকে তুলে ফেলে নতুন করে পিচ করার কোনো দরকার ছিল না। কারণ এখন ধুলাবালুর ওপর কম করে বিটুমিন দিয়ে সড়ক পাকাকরণ করা হয়েছে। বৃষ্টি হলে সড়কটির পাথরসহ পিচ উঠে যাবে। তা হলে এ সড়ক না করাই ভালো ছিল। পুনরায় সড়কটির সংস্কারের দাবি তাদের।

সড়কটির ঠিকাদার আবুল বাসার সুজন মোবাইল ফোনে জানান, সড়কটিতে নিম্নমানের কাজ হয়নি। কেউ হয়তো বা ভুল তথ্য দিতে পারে। তবে দুয়েক জায়গায় পাথর পিচ উঠতে পারে, এটি স্বাভাবিক।

ডামুড্যা পৌরসভার মেয়র হুমায়ুন কবির বাচ্চু ছৈয়াল বলেন, পৌরসভার কোনো সড়কের কাজ খারাপ হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, পৌরসভার সামনের ৫০০ মিটার সড়কের কাজও খুব ভালো হয়েছে। খবর ইউএনবি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সড়ক সংস্কারের ২ মাসেই পিচভেদ করে উঠে যায় পাথর

আপডেট সময় ০১:০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুর জেলার ডামুড্যা পৌরসভাসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের কাজ হওয়ার দুই মাস না যেতেই জুতা দিয়ে আঁচড় কাটতেই পিচভেদ করে উঠে যাচ্ছে পাথর। সড়কটির কাজে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে পুনরায় এটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ডামুড্যা পৌরসভার প্রকৌশলী মোবারক হোসেন ও সহকারী প্রকৌশলী রাজীব ভক্ত সড়কের কাজ নিম্নমানের হয়েছে বলে স্বীকার করেন। তারা বলেন, নিম্নমানের কাজ হচ্ছিল দেখে তারা বাধা দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।

‘তবে তাদের কাছে তথ্য না জানতে চেয়ে বরং মেয়রের কাছে গিয়ে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া ভালো হয় বলেন,’ এ দুই প্রকৌশলী।

ডামুড্যা পৌরসভার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে পৌরসভার বার্ষিক উন্নয়ন সহায়তা প্রকল্পের অধীনে পৌরসভার ঋষিপাড়া থেকে চৌরাস্তা মসজিদ পর্যন্ত সড়কটি ৫০০ মিটার দীর্ঘ ও সাড়ে চার মিটার প্রস্থ ২১ লাখ ১৭ হাজার টাকা ব্যয়ে পাকাকরণের কাজ পায় দুই ঠিকাদার।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দুটি হল ডামুড্যা উপজেলার ঠিকাদার মেসার্স লোকমান ট্রেডার্স (মোসলেম রাড়ি) ও মেসার্স সাকিন ট্রেডার্স (আবুল বাসার সুজন)।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে শুরু হয়ে সড়কটির কাজ শেষ হয় মার্চে। স্থানীয়দের অভিযোগ ঠিকাদাররা ওই সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেছেন। তাই ওই সড়কে জুতা দিয়ে আঁচড় কাটতেই পিচভেদ করে উঠে যায় পাথর।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই সড়কের ধুলাবালু পরিষ্কার না করেই পাথরে নামমাত্র বিটুমিন মিশ্রণ করে পাকাকরণের কাজ করেছিল ঠিকাদার। পাকাকরণের দুই মাস না যেতেই উঠে যাচ্ছে পাথরসহ বিটুমিন।

ওই সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত যাতায়াত করেন আবদুল জব্বার, আবু তাহের, তাহসিন হোসাইন; তারা অভিযোগ করেন আগের সড়কই ভালো ছিল। সেটিকে তুলে ফেলে নতুন করে পিচ করার কোনো দরকার ছিল না। কারণ এখন ধুলাবালুর ওপর কম করে বিটুমিন দিয়ে সড়ক পাকাকরণ করা হয়েছে। বৃষ্টি হলে সড়কটির পাথরসহ পিচ উঠে যাবে। তা হলে এ সড়ক না করাই ভালো ছিল। পুনরায় সড়কটির সংস্কারের দাবি তাদের।

সড়কটির ঠিকাদার আবুল বাসার সুজন মোবাইল ফোনে জানান, সড়কটিতে নিম্নমানের কাজ হয়নি। কেউ হয়তো বা ভুল তথ্য দিতে পারে। তবে দুয়েক জায়গায় পাথর পিচ উঠতে পারে, এটি স্বাভাবিক।

ডামুড্যা পৌরসভার মেয়র হুমায়ুন কবির বাচ্চু ছৈয়াল বলেন, পৌরসভার কোনো সড়কের কাজ খারাপ হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি, পৌরসভার সামনের ৫০০ মিটার সড়কের কাজও খুব ভালো হয়েছে। খবর ইউএনবি।