ঢাকা ০৩:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজোর হত্যাকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড সোনালী যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা জাভেদ আর নেই শহীদ ওসমান হাদির বিচার নিয়ে স্ত্রীর আবেগঘন পোস্ট ফুটবল প্রতীক পেলেন তাসনিম জারা শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে গণভোট: আদিলুর রহমান খান ‘মন্ত্রী হলে পরে হব, নির্বাচন ছাড়ব না’ জিয়াউর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার মাধ্যমে বিএনপিকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল: খন্দকার মোশাররফ ৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে নতুন বার্তা পিসিবির ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ

পুতিনের পারমাণবিক সাবমেরিনে পৃথিবীর বিপদ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারমাণবিক অস্ত্রবাহী এমন এক সাবমেরিন তৈরি করেছেন, যেটি একবার ব্যবহৃত হলে গোটা বিশ্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে। এমনকি এ সাবমেরিন থেকে সাগরের তলদেশে একবার বিস্ফোরণ ঘটালে ৩২৮ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি হবে, যাতে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পৃথিবী। হতে পারে ভূমিকম্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

পারমানবিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে রাশিয়ার এ পারমানবিক সাবমেরিনকে পৃথিবী ধ্বংসের যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

এর আগে গত ১ মার্চ রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেছিলেন তার দেশ একটি বিশেষ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন। এটি আসলে একটি সাবমেরিন। মনুষ্যহীন এ সাবমেরিন প্রচলিত পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এটি খুব সহজেই বিমানঘাঁটি, উপকূলবর্তী দুর্গ, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

২০১৫ সালে রাশিয়ার তৈরি এমন একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি ফাঁস হয়েছিল। তখন সামরিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, পানির নিচে নিঃশব্দে চলাচলকারী এ সাবমেরিন ৫০ মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে পারে।

পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এটি সুনামি সৃষ্টি করতে পারবে। শুধু তাই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পও ঘটবে এটি থেকে বিস্ফোরণ ঘটালে। যদিও এ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্ন বাকি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, ভয়ংকর এ পারমাণবিক মারণাস্ত্রটির বিস্ফোরণ ঘটলেই বিপদ নামবে পৃথিবীর বুকে।

বিখ্যাত পারমাণবিক অস্ত্র গবেষক পদার্থবিদ রিক্স রিচার্ডসন বিজনেস ইনসাইডার ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, ‘পুতিনের এই পারমাণবিক সাবমেরিন বিস্ফোরণে সুনামি বা জলোচ্ছ্বাস তৈরি করতে পারবে। আর এ সুনামির কারণে ঢেউয়ের উচ্চতা ১০০ মিটার অর্থাৎ ৩২৮ ফিট পর্যন্ত হবে। যা ২০১১ সালের জাপানের সুনামির চেয়েও ভয়াবহ হবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও পরে সুনামিতে জাপানে ১৫ হাজারের বেশি লোক প্রাণ হারান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পুতিনের পারমাণবিক সাবমেরিনে পৃথিবীর বিপদ

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারমাণবিক অস্ত্রবাহী এমন এক সাবমেরিন তৈরি করেছেন, যেটি একবার ব্যবহৃত হলে গোটা বিশ্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে। এমনকি এ সাবমেরিন থেকে সাগরের তলদেশে একবার বিস্ফোরণ ঘটালে ৩২৮ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি হবে, যাতে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পৃথিবী। হতে পারে ভূমিকম্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

পারমানবিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে রাশিয়ার এ পারমানবিক সাবমেরিনকে পৃথিবী ধ্বংসের যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

এর আগে গত ১ মার্চ রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেছিলেন তার দেশ একটি বিশেষ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন। এটি আসলে একটি সাবমেরিন। মনুষ্যহীন এ সাবমেরিন প্রচলিত পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এটি খুব সহজেই বিমানঘাঁটি, উপকূলবর্তী দুর্গ, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

২০১৫ সালে রাশিয়ার তৈরি এমন একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি ফাঁস হয়েছিল। তখন সামরিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, পানির নিচে নিঃশব্দে চলাচলকারী এ সাবমেরিন ৫০ মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে পারে।

পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এটি সুনামি সৃষ্টি করতে পারবে। শুধু তাই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পও ঘটবে এটি থেকে বিস্ফোরণ ঘটালে। যদিও এ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্ন বাকি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, ভয়ংকর এ পারমাণবিক মারণাস্ত্রটির বিস্ফোরণ ঘটলেই বিপদ নামবে পৃথিবীর বুকে।

বিখ্যাত পারমাণবিক অস্ত্র গবেষক পদার্থবিদ রিক্স রিচার্ডসন বিজনেস ইনসাইডার ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, ‘পুতিনের এই পারমাণবিক সাবমেরিন বিস্ফোরণে সুনামি বা জলোচ্ছ্বাস তৈরি করতে পারবে। আর এ সুনামির কারণে ঢেউয়ের উচ্চতা ১০০ মিটার অর্থাৎ ৩২৮ ফিট পর্যন্ত হবে। যা ২০১১ সালের জাপানের সুনামির চেয়েও ভয়াবহ হবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও পরে সুনামিতে জাপানে ১৫ হাজারের বেশি লোক প্রাণ হারান।