ঢাকা ০৬:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান সরকার অনুমোদন দিলে ক্রসফায়ারও করবে পুলিশ: আইজিপি

পুতিনের পারমাণবিক সাবমেরিনে পৃথিবীর বিপদ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারমাণবিক অস্ত্রবাহী এমন এক সাবমেরিন তৈরি করেছেন, যেটি একবার ব্যবহৃত হলে গোটা বিশ্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে। এমনকি এ সাবমেরিন থেকে সাগরের তলদেশে একবার বিস্ফোরণ ঘটালে ৩২৮ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি হবে, যাতে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পৃথিবী। হতে পারে ভূমিকম্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

পারমানবিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে রাশিয়ার এ পারমানবিক সাবমেরিনকে পৃথিবী ধ্বংসের যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

এর আগে গত ১ মার্চ রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেছিলেন তার দেশ একটি বিশেষ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন। এটি আসলে একটি সাবমেরিন। মনুষ্যহীন এ সাবমেরিন প্রচলিত পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এটি খুব সহজেই বিমানঘাঁটি, উপকূলবর্তী দুর্গ, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

২০১৫ সালে রাশিয়ার তৈরি এমন একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি ফাঁস হয়েছিল। তখন সামরিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, পানির নিচে নিঃশব্দে চলাচলকারী এ সাবমেরিন ৫০ মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে পারে।

পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এটি সুনামি সৃষ্টি করতে পারবে। শুধু তাই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পও ঘটবে এটি থেকে বিস্ফোরণ ঘটালে। যদিও এ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্ন বাকি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, ভয়ংকর এ পারমাণবিক মারণাস্ত্রটির বিস্ফোরণ ঘটলেই বিপদ নামবে পৃথিবীর বুকে।

বিখ্যাত পারমাণবিক অস্ত্র গবেষক পদার্থবিদ রিক্স রিচার্ডসন বিজনেস ইনসাইডার ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, ‘পুতিনের এই পারমাণবিক সাবমেরিন বিস্ফোরণে সুনামি বা জলোচ্ছ্বাস তৈরি করতে পারবে। আর এ সুনামির কারণে ঢেউয়ের উচ্চতা ১০০ মিটার অর্থাৎ ৩২৮ ফিট পর্যন্ত হবে। যা ২০১১ সালের জাপানের সুনামির চেয়েও ভয়াবহ হবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও পরে সুনামিতে জাপানে ১৫ হাজারের বেশি লোক প্রাণ হারান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

পুতিনের পারমাণবিক সাবমেরিনে পৃথিবীর বিপদ

আপডেট সময় ০৬:৫৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পারমাণবিক অস্ত্রবাহী এমন এক সাবমেরিন তৈরি করেছেন, যেটি একবার ব্যবহৃত হলে গোটা বিশ্বই হুমকির মুখে পড়তে পারে। এমনকি এ সাবমেরিন থেকে সাগরের তলদেশে একবার বিস্ফোরণ ঘটালে ৩২৮ ফুট উচ্চতার সুনামি তৈরি হবে, যাতে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে পৃথিবী। হতে পারে ভূমিকম্প বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে।

পারমানবিক অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা এরই মধ্যে রাশিয়ার এ পারমানবিক সাবমেরিনকে পৃথিবী ধ্বংসের যন্ত্র বলে অভিহিত করেছেন।

এর আগে গত ১ মার্চ রাশিয়ার ফেডারেল অ্যাসেম্বলির ভাষণে দেশটির প্রেসিডেন্ট পুতিন দাবি করেছিলেন তার দেশ একটি বিশেষ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছেন। এটি আসলে একটি সাবমেরিন। মনুষ্যহীন এ সাবমেরিন প্রচলিত পারমাণবিক অস্ত্র বহন করতে পারে। এটি খুব সহজেই বিমানঘাঁটি, উপকূলবর্তী দুর্গ, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

২০১৫ সালে রাশিয়ার তৈরি এমন একটি পারমাণবিক সাবমেরিনের ছবি ফাঁস হয়েছিল। তখন সামরিক বিশ্লেষকেরা বলেছিলেন, পানির নিচে নিঃশব্দে চলাচলকারী এ সাবমেরিন ৫০ মেগাটনের পারমাণবিক বোমা বহন করতে পারে।

পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞানীরা দাবি করছেন, এটি সুনামি সৃষ্টি করতে পারবে। শুধু তাই নয় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভয়াবহ ভূমিকম্পও ঘটবে এটি থেকে বিস্ফোরণ ঘটালে। যদিও এ ধরনের পারমাণবিক অস্ত্রের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে এখনো অনেক প্রশ্ন বাকি রয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করছেন, ভয়ংকর এ পারমাণবিক মারণাস্ত্রটির বিস্ফোরণ ঘটলেই বিপদ নামবে পৃথিবীর বুকে।

বিখ্যাত পারমাণবিক অস্ত্র গবেষক পদার্থবিদ রিক্স রিচার্ডসন বিজনেস ইনসাইডার ম্যাগাজিনকে জানিয়েছেন, ‘পুতিনের এই পারমাণবিক সাবমেরিন বিস্ফোরণে সুনামি বা জলোচ্ছ্বাস তৈরি করতে পারবে। আর এ সুনামির কারণে ঢেউয়ের উচ্চতা ১০০ মিটার অর্থাৎ ৩২৮ ফিট পর্যন্ত হবে। যা ২০১১ সালের জাপানের সুনামির চেয়েও ভয়াবহ হবে।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে ভূমিকম্প ও পরে সুনামিতে জাপানে ১৫ হাজারের বেশি লোক প্রাণ হারান।