ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি

সরকারি কর্মীদের গৃহঋণের সুদের অর্ধেক দেবে সরকার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে সুযোগ সুবিধার জন্য যখন এই চাকরির জন্য তরুণদের হাপিত্যেশ, তখন এই চাকরি আরও আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে নতুন এক সিদ্ধান্তে। সরকারি চাকরিজীবীদের গৃহঋণের নীতিমালায় তাদেরকে ১০ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়ার কথা বলা হয়েছে যার অর্ধেক পরিশোধ করবে সরকার।

এই ঋণ সুবিধা আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরে কার্যকর হতে পারে।

সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মী এই ‍সুবিধার আওতায় একক বা গ্রুপভিত্তিক ঋণ সুবিধা পাবেন। ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে তা রেডি ফ্ল্যাট হতে হবে। তবে সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কিনতে গেলে রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

তবে যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা আছে এবং দুর্নীতি মামলায় অভিযোগপত্র জমা আছে, তারা নির্দোষ প্রমাণ হওয়ার আগে এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী কর্মীরা এই ঋণ পাবেন না।

নীতিমালা অনুযায়ী কেউ ঋণ নেয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা অবসরে গেলে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না।

ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ (ঋণ পরিশোধ শুরুর সময়) ২০ বছর মেয়াদে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। চূড়ান্ত নীতিমালার আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে নীতিমালার খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগ সচিব মুসলিম চৌধুরী দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নীতিমালাটি অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনে জন্য তার কাছে পাঠানো হবে। তিনি অনুমোদন করলে মন্ত্রিসভায় তোলা হবে।’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এখন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে দেশের বাইরে। তিনি ফিরলে নীতিমালাটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে যাবে।

বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদে সরকারি চাকুরেরা গৃহঋণ পান সর্বোচ্চ এক লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু এই টাকায় বাড়ি করা বর্তমান বাজারে সম্ভব নয় বলে নীতিমালাটি নতুন করে করা হচ্ছে।

চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এ ঋণের আবেদন করতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এ ঋণ নেয়া যাবে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন নিজস্ব তহবিল থেকে এই ঋণ দেবে। তবে সরকার অন্য যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন।

তবে সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ সুবিধা পাবেন না।

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের কর্মীরা আগে থেকেই ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, ঋণ নেয়ার পর অবসরে গেলে বা চাকরি ছাড়লে বা বরখাস্ত হলে পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে ঋণ আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তার পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এরপরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

সুদের হিসাবেও বিশেষ সুবিধা থাকবে। নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হারে যে সুদ ধরা হবে, সেটি হবে সরল সুদ। অর্থাৎ সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না।

যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তার মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। আর বেতন জমা পড়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন।

কারা কত টাকা ঋণ পাবেন

নীতিমালা অনুযায়ী, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৭৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা।

যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা বিভাগীয় সদরে ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকায় ৪৫ লাখ টাকা পাবেন।

যাদের মূল বেতন ১১ থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা বিভাগীয় সদরে ৫৫ লাখ, জেলা সদরে ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৩০ লাখ টাকা পাবেন।

নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের কর্মীরা বিভাগীয় সদরে ৪০ লাখ, জেলা সদরে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ২৫ লাখ টাকা পাবেন।

আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের কর্মীরা বিভাগীয় শহরে ৩০ লাখ, জেলা সদরে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ২০ লাখ টাকা পাবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া উচিত, এতেই সবার মঙ্গল: মান্না

সরকারি কর্মীদের গৃহঋণের সুদের অর্ধেক দেবে সরকার

আপডেট সময় ০৩:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে সুযোগ সুবিধার জন্য যখন এই চাকরির জন্য তরুণদের হাপিত্যেশ, তখন এই চাকরি আরও আকর্ষণীয় হতে যাচ্ছে নতুন এক সিদ্ধান্তে। সরকারি চাকরিজীবীদের গৃহঋণের নীতিমালায় তাদেরকে ১০ শতাংশ সুদে ঋণ দেয়ার কথা বলা হয়েছে যার অর্ধেক পরিশোধ করবে সরকার।

এই ঋণ সুবিধা আগামী ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া নতুন অর্থবছরে কার্যকর হতে পারে।

সরকারের প্রায় ১২ লাখ কর্মী এই ‍সুবিধার আওতায় একক বা গ্রুপভিত্তিক ঋণ সুবিধা পাবেন। ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রে তা রেডি ফ্ল্যাট হতে হবে। তবে সরকারি সংস্থার নির্মাণ করা ফ্ল্যাট কিনতে গেলে রেডি ফ্ল্যাটের শর্ত শিথিল করা যাবে।

তবে যাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা আছে এবং দুর্নীতি মামলায় অভিযোগপত্র জমা আছে, তারা নির্দোষ প্রমাণ হওয়ার আগে এই সুবিধা পাবেন না। পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক, খণ্ডকালীন ও অস্থায়ী কর্মীরা এই ঋণ পাবেন না।

নীতিমালা অনুযায়ী কেউ ঋণ নেয়ার পর স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়লে বা অবসরে গেলে বা বাধ্যতামূলক অবসর, বরখাস্ত বা চাকরিচ্যুত হলে সুদ বাবদ সরকার কোনো ভর্তুকি দেবে না।

ছয় মাস গ্রেস পিরিয়ডসহ (ঋণ পরিশোধ শুরুর সময়) ২০ বছর মেয়াদে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। চূড়ান্ত নীতিমালার আওতায় জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ভেদে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ এবং সর্বনিম্ন ৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে নীতিমালার খসড়াটি চূড়ান্ত করা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগ সচিব মুসলিম চৌধুরী দৈনিক আকাশকে বলেন, ‘নীতিমালাটি অর্থমন্ত্রীর অনুমোদনে জন্য তার কাছে পাঠানো হবে। তিনি অনুমোদন করলে মন্ত্রিসভায় তোলা হবে।’

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এখন বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে দেশের বাইরে। তিনি ফিরলে নীতিমালাটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে যাবে।

বর্তমানে ১০ শতাংশ সুদে সরকারি চাকুরেরা গৃহঋণ পান সর্বোচ্চ এক লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু এই টাকায় বাড়ি করা বর্তমান বাজারে সম্ভব নয় বলে নীতিমালাটি নতুন করে করা হচ্ছে।

চাকরি স্থায়ী হওয়ার পাঁচ বছর পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা এ ঋণের আবেদন করতে পারবেন। সর্বোচ্চ ৫৮ বছর বয়স পর্যন্ত এ ঋণ নেয়া যাবে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তফসিলি ব্যাংক এবং বাংলাদেশ হাউজ বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন নিজস্ব তহবিল থেকে এই ঋণ দেবে। তবে সরকার অন্য যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে।

সরকারের আওতাধীন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর ও কার্যালয়গুলোতে স্থায়ী পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত বেসামরিক কর্মচারীরাও এ সুবিধা পাবেন।

তবে সামরিক, রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি, বিশেষ আইন দ্বারা সৃষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা এ সুবিধা পাবেন না।

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকের কর্মীরা আগে থেকেই ব্যাংক থেকে এ ধরনের গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা পেয়ে থাকেন।

নীতিমালা অনুযায়ী, ঋণ নেয়ার পর অবসরে গেলে বা চাকরি ছাড়লে বা বরখাস্ত হলে পেনশন সুবিধা বা আনুতোষিক সুবিধা থেকে ঋণ আদায় করা হবে। ঋণগ্রহীতার মৃত্যু হলে তার পারিবারিক পেনশন ও আনুতোষিক সুবিধা থেকে যতটুকু সম্ভব ঋণ পরিশোধ করা হবে। এরপরও ঋণ পাওনা থাকলে উত্তরাধিকারদের কাছ থেকে তা আদায় করা হবে।

সুদের হিসাবেও বিশেষ সুবিধা থাকবে। নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হারে যে সুদ ধরা হবে, সেটি হবে সরল সুদ। অর্থাৎ সুদের ওপর কোনো সুদ আদায় করা হবে না।

যে ব্যাংক ঋণ দেবে, সেই ব্যাংকে তার মাসিক বেতনের হিসাব খুলতে হবে। আর বেতন জমা পড়ার পর ব্যাংক কর্তৃপক্ষ কিস্তির টাকা কেটে নেবে। পরে ঋণগ্রহীতা বেতন-ভাতার বাকি অর্থ হিসাব থেকে তুলতে পারবেন।

কারা কত টাকা ঋণ পাবেন

নীতিমালা অনুযায়ী, যাদের বেতন স্কেল ৪৩ হাজার বা এর বেশি তারা সিটি কর্পোরেশন ও বিভাগীয় সদরে ৭৫ লাখ টাকা ঋণ পাবেন। জেলা সদরে এর পরিমাণ হবে ৬০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৫০ লাখ টাকা।

যাদের মূল বেতন ২২ হাজার থেকে ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, তারা বিভাগীয় সদরে ৬৫ লাখ টাকা, জেলা সদরে ৫৫ লাখ এবং অন্যান্য এলাকায় ৪৫ লাখ টাকা পাবেন।

যাদের মূল বেতন ১১ থেকে ১৬ হাজার টাকা তারা বিভাগীয় সদরে ৫৫ লাখ, জেলা সদরে ৪০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ৩০ লাখ টাকা পাবেন।

নয় হাজার থেকে ১০ হাজার ২০০ টাকা বেতন স্কেলের কর্মীরা বিভাগীয় সদরে ৪০ লাখ, জেলা সদরে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ২৫ লাখ টাকা পাবেন।

আট হাজার ২৫০ টাকা থেকে আট হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের কর্মীরা বিভাগীয় শহরে ৩০ লাখ, জেলা সদরে ২৫ লাখ টাকা এবং অন্যান্য এলাকায় ২০ লাখ টাকা পাবেন।