ঢাকা ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন ভিসা চালুর ঘোষণা: স্বাগত জানাল পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ও বিধায়করা ফ্যামিলি কার্ড আপনাকে খুঁজতে হবে না, পৌঁছে যাবে আপনার দোরগোড়ায়’ মাদককারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রামে সেপটিক ট্যাংকে নেমে প্রাণ গেল ৪ জনের বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপে খেলবে: আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত পবিত্র আশুরা উপলক্ষে দেশবাসীকে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের শুভেচ্ছা টাঙ্গাইলে ‘জনতার সংযোগ’ কার্যক্রমের উদ্বোধন বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে সরকার: আমান উল্লাহ আমান

৪৭ সেকেন্ড টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না ককপিটের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ ফ্লাইটটি বিধ্বস্তের আগে শেষের ৪৭ সেকেন্ডে টাওয়ার আর ককপিটের মধ্যে কোনো কার্যকর যোগাযোগ ছিল না।

নেপালের ‘এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশন’-এর সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের ‘কমিউনিকেশনস’ প্যারায় বলা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের সময় ‘২টা ১৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড’। বিমানটির ককপিটের সঙ্গে টাওয়ার কন্ট্রোলের যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল ‘দুপুর ২টা ১৭ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড পর্যন্ত। এরপর থেকে ২টা ১৮ মিনিট ৪৫ সেকন্ড পর্যন্ত টাওয়ার আর ককপিটের মধ্যে কোনো কার্যকর যোগাযোগ ছিল না।’

এর ২৫ সেকেন্ড পরই বিমানটি বিধ্বস্ত হয় উল্লেখ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি বিধ্বস্তের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকর্মী, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে। তদন্ত অনুযায়ী উদ্ধারকর্মীরা ঘটনার দুই মিনিটের মধ্যে এসে ৪টি বড় ফোম টেন্ডার, ১টি মাঝারি সাইজের ফোম টেন্ডার ও দুই টাংকি পানি ব্যবহার করে। কর্তৃপক্ষের নানা চেষ্টার পরও বিধ্বস্ত বিমানটির ‘অধিকাংশ অংশ পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’ বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে চীন ও মালয়েশিয়া ঐকমত্য পোষণ করেছে: মাহদী আমিন

৪৭ সেকেন্ড টাওয়ারের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না ককপিটের

আপডেট সময় ০২:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-২১১ ফ্লাইটটি বিধ্বস্তের আগে শেষের ৪৭ সেকেন্ডে টাওয়ার আর ককপিটের মধ্যে কোনো কার্যকর যোগাযোগ ছিল না।

নেপালের ‘এয়ারক্রাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন কমিশন’-এর সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনের ‘কমিউনিকেশনস’ প্যারায় বলা হয়েছে, বিমান বিধ্বস্তের সময় ‘২টা ১৯ মিনিট ১০ সেকেন্ড’। বিমানটির ককপিটের সঙ্গে টাওয়ার কন্ট্রোলের যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল ‘দুপুর ২টা ১৭ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড পর্যন্ত। এরপর থেকে ২টা ১৮ মিনিট ৪৫ সেকন্ড পর্যন্ত টাওয়ার আর ককপিটের মধ্যে কোনো কার্যকর যোগাযোগ ছিল না।’

এর ২৫ সেকেন্ড পরই বিমানটি বিধ্বস্ত হয় উল্লেখ প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ‘প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিমানটি বিধ্বস্তের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকর্মী, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে আহতদের উদ্ধার করে। তদন্ত অনুযায়ী উদ্ধারকর্মীরা ঘটনার দুই মিনিটের মধ্যে এসে ৪টি বড় ফোম টেন্ডার, ১টি মাঝারি সাইজের ফোম টেন্ডার ও দুই টাংকি পানি ব্যবহার করে। কর্তৃপক্ষের নানা চেষ্টার পরও বিধ্বস্ত বিমানটির ‘অধিকাংশ অংশ পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে’ বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।