ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা যেন প্রচারে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকে সামনে রেখে এই সুবিধা চাইছে সরকারি দল।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ সব কথা বলেন কাদের।

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রচার, এমনকি ভোটার না হলে এলাকায় থাকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে।

এমন বিধানকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন না কাদের। বলেন, ‘সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও এমপিরা কেন পারবে না?’

‘এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তাদেরকে অনুরোধ করব এই বিধানটি নিয়ে আবার ভাবতে।’

‘গাজীপুর-খুলনায় সেনা মোতায়েনে আইনি সমস্যা’

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিরোধিতাও করেন কাদের। তার দাবি, এতে আইনি সমস্যা আছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই চাইলেই সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন সময়ে মোতায়েন করতে পারবে না।’

সকালে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটকে সামনে রেখে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগেও স্থানীয় সরকারে আলোচিত সব নির্বাচনেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা নাচক করে। এবার রিজভী দাবি তোলার একদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সেনা মোতায়েনের দাবি নাচক করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা (নির্বাচন কমিশন) সরকারকে শুধু অনুরোধ করতে পারবে। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন মনে করলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে। এ বিষয়ে সংবিধানে সব কিছু বলা আছে। কেউ চাইলেও সংবিধানের বাইরে যেতে পারবে না।’

কোনো ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও তারা শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেয়া হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়।’

খালেদাকে সুস্থ মনে হয়েছে

৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাসিমুখের চেহারা দেখে তাকে সুস্থ বলেই মনে হয়েছে ওবায়দুল কাদেরের কাছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘জাতি দেখেছে তিনি (খালেদা জিয়া) কতোটুকু অসুস্থ। আমার তো মনে হয় তিনি জেলে যাওয়ার আগে যতোটুকু সুস্থ ছিলেন, জেলে যাওয়ার পর আরো বেশি হাস্যোজ্জল ও সুস্থ মনে হয়েছে। তিনি সুস্থ থাকুক আমরা চাই।’

‘বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন সময় একেক রকম বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছিলেন। তাকে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে ছুটে যায়। তাদের এ কাজ জাতীয় সম্মানের জন্য মোটেই শুভ নয়।’

‘যদি আপনাদের নালিশ থেকেই থাকে জনগণের কাছে করুন।’

উপ-কমিটির সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, প্রলয় সমদ্দার, কান্তি দাশ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেয়: কাদের

আপডেট সময় ১০:৩৭:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা যেন প্রচারে অংশ নিতে পারেন, সে জন্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

আগামী ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটকে সামনে রেখে এই সুবিধা চাইছে সরকারি দল।

রবিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট মিলনায়তনে আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপ-কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে এ সব কথা বলেন কাদের।

বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রচার, এমনকি ভোটার না হলে এলাকায় থাকার ওপরও নিষেধাজ্ঞা আছে।

এমন বিধানকে যুক্তিযুক্ত মনে করেন না কাদের। বলেন, ‘সারা বিশ্বে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে থাকেন। তাহলে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ও এমপিরা কেন পারবে না?’

‘এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বসব। তাদেরকে অনুরোধ করব এই বিধানটি নিয়ে আবার ভাবতে।’

‘গাজীপুর-খুলনায় সেনা মোতায়েনে আইনি সমস্যা’

গাজীপুর ও খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির সেনা মোতায়েনের দাবির বিরোধিতাও করেন কাদের। তার দাবি, এতে আইনি সমস্যা আছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সময়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করবে। কিন্তু সেনাবাহিনী থাকবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে। তাই চাইলেই সেনাবাহিনীকে নির্বাচনকালীন সময়ে মোতায়েন করতে পারবে না।’

সকালে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ১৫ মে গাজীপুর ও খুলনা সিটি নির্বাচনে ভোটকে সামনে রেখে সেনা মোতায়েনের দাবি জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এর আগেও স্থানীয় সরকারে আলোচিত সব নির্বাচনেই সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়েছিল বিএনপি। কিন্তু নির্বাচন কমিশন তা নাচক করে। এবার রিজভী দাবি তোলার একদিন আগেই নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সেনা মোতায়েনের দাবি নাচক করেছেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তারা (নির্বাচন কমিশন) সরকারকে শুধু অনুরোধ করতে পারবে। সরকার পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন মনে করলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করবে। এ বিষয়ে সংবিধানে সব কিছু বলা আছে। কেউ চাইলেও সংবিধানের বাইরে যেতে পারবে না।’

কোনো ভোটে সেনাবাহিনী মোতায়েন হলেও তারা শুধু স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে বলেও জানান কাদের। বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার (বিচারিক ক্ষমতা) দেয়া হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়।’

খালেদাকে সুস্থ মনে হয়েছে

৭ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে আনা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার হাসিমুখের চেহারা দেখে তাকে সুস্থ বলেই মনে হয়েছে ওবায়দুল কাদেরের কাছে।

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘জাতি দেখেছে তিনি (খালেদা জিয়া) কতোটুকু অসুস্থ। আমার তো মনে হয় তিনি জেলে যাওয়ার আগে যতোটুকু সুস্থ ছিলেন, জেলে যাওয়ার পর আরো বেশি হাস্যোজ্জল ও সুস্থ মনে হয়েছে। তিনি সুস্থ থাকুক আমরা চাই।’

‘বিএনপি নেতারা বেগম জিয়াকে নিয়ে বিভিন্ন সময় একেক রকম বক্তব্য দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করছিলেন। তাকে জোর করে হাসপাতালে নেওয়ার প্রশ্নই আসে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে কাদের বলেন, ‘বিএনপি কথায় কথায় বিদেশিদের কাছে ছুটে যায়। তাদের এ কাজ জাতীয় সম্মানের জন্য মোটেই শুভ নয়।’

‘যদি আপনাদের নালিশ থেকেই থাকে জনগণের কাছে করুন।’

উপ-কমিটির সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, কমিটির সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিট, প্রলয় সমদ্দার, কান্তি দাশ প্রমুখ।