অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
কোটা সংস্কারে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পেলে শাহবাগের অবস্থান থেকে সরবে না আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে রবিবার দুপুরে কয়েক হাজার সাধারণ শিক্ষার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদযাত্রা শেষে শাহবাগে এসে অবস্থান নেন। এতে করে শাহবাগ হয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে।
বেশ কিছুদিন ধরে চলমান এ আন্দোলনের মূল সমন্বয়ক হাসান আল মামুন শাহবাগ থেকে দৈনিক আকাশকে টেলিফোনে বলেন, ‘আমাদের দাবি যৌক্তিক এবং পরিষ্কার। সংসদ থেকে কোটা সংস্কারে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস চাই। অন্যথা আমাদের এ অবস্থান কর্মসূচি চলতে থাকবে।’
সারাদেশের বিাভিন্ন জেলায়ও ইতোমধ্যে সড়ক-মহাসড়ক অবরুদ্ধ করা হয়েছে দাবি করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষার্থী বলেন, ‘কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশের ৯৭ ভাগ মানুষের সমর্থন রয়েছে। আমরা আশা করব বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী এ যৌক্তিক দাবি বিবেচনায় নেবেন।’
এদিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধে পুলিশও রয়েছে সতর্ক অবস্থানে। তারা সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। শাহবাগ পুলিশ বক্সের সামনে বিপুলসংখ্যক পুলিশ লাঠিসোটা, টিয়ারসেল নিয়ে অবস্থান করছে। এছাড়া শাহবাগ থানার সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে একটি সাঁজোয়া যান।
শাহবাগ থানা থেকে সাঁজোয়া যান বের করা হলে সেটির সামনে শুয়ে পড়েন আন্দোলনকারীরা। এ সময় সাঁজোয়া যানের সামনে বুক পেতে দেন তারা। এরপর পুলিশ সাঁজোয়া যান পেছনে নিয়ে যায়। বেলা ৩টা ৫ মিনিট থেকে শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থীরা। চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বিলুপ্ত না করে যৌক্তিক সংস্কারের দাবি করছে তারা। অবরোধে শিক্ষার্থীরা কোটা পদ্ধতি সংস্কারের পক্ষে বিভিন্ন স্লোগানও দিচ্ছে।
আন্দোলনকারীদের ৫ দফা দাবি- সরকারি নিয়োগে কোটার পরিমাণ ৫৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, কোটার যোগ্য প্রার্থী না পেলে শূন্যপদে মেধায় নিয়োগ, কোটায় কোনো ধরনের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা না নেওয়া, সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে অভিন্ন বয়সসীমা, নিয়োগপরীক্ষায় একাধিকবার কোটার সুবিধা ব্যবহার না করা।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 




















