ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে ভর্তি ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন নড়াইলে ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা ভাটারায় গ্যাস বিস্ফোরণ: ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে মামা-ভাগ্নির মৃত্যু নাইজেরিয়ায় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ল বিমান, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন ৬৮ যাত্রী নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে বদ্ধপরিকর সরকার: মির্জা ফখরুল কুষ্টিয়া সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করল বিজিবি জাতীয় পতাকা আমাকে প্রতি মুহূর্তে সততা-দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় আর্জেন্টিনাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে গান গাওয়ায় ১৭ শিক্ষার্থীকে পেটালেন শিক্ষক গাজী নজরুলের আরেকটি ভিডিও ভাইরাল, ‘নতুন তরুণীকে’ ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে

কুমিল্লায় কুলখানিতে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে কুলখানির অনুষ্ঠানে যোগদানকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে মোটরসাইকেল, গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অন্তত ২০টি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আগুন দেয়া হয়েছে অন্তত পাঁচটি মোটরসাইকেলে।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জবাজার, ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা, লালচাঁদপুর ও ছিখোটিয়া এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষ্যদর্শী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, সকালে উপজেলার ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালামের সমর্থক হুমায়ুন কবির পণ্ডিতের বাড়িতে তার বাবার কুলখানি অনুষ্ঠান ছিল। এ কুলখানি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) এম আনোয়ারুল আজিমের সমর্থকরা।

এদিকে সকাল ১০টার পর থেকে বিএনপির অপর পক্ষ কালাম ও তার সমর্থকরা উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জ বাজার, ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা, লালচাঁদপুর ও ছিখোটিয়া এলাকা দিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় প্রায় ২০টি যানবহন ভাঙচুর করা হয়। অন্তত পাঁচটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি (আজিম গ্রুপ) মো. ইলিয়াছ পাটোয়ারি বলেন, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে আনোয়ারুল আজিমের বিকল্প নেই। আবুল কালাম একটি মিথ্যা কুলখানির ব্যানারে মনোহরগঞ্জে প্রবেশ করে শোডাউন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আজিম ভাইসহ আমাদের কোনো নির্দেশনা না দেওয়া সত্ত্বেও বিএনপির তৃণমূল ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা কালামের সেই চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন বলেন, কবির পণ্ডিতের বাড়িতে আমাদের যাওয়ার করা হয়েছে। সেখানে যাওয়ার সময় আমাদের ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়েছে। পরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া আমাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মো.আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন স্পিকার

কুমিল্লায় কুলখানিতে বিএনপির দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২

আপডেট সময় ১১:৩৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে কুলখানির অনুষ্ঠানে যোগদানকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

সংঘর্ষ চলাকালে মোটরসাইকেল, গাড়ি ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ অন্তত ২০টি যানবাহন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আগুন দেয়া হয়েছে অন্তত পাঁচটি মোটরসাইকেলে।

শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জবাজার, ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা, লালচাঁদপুর ও ছিখোটিয়া এলাকায় ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রতক্ষ্যদর্শী ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানায়, সকালে উপজেলার ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা গ্রামে কেন্দ্রীয় বিএনপির শিল্পবিষয়ক সম্পাদক ও লাকসাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কালামের সমর্থক হুমায়ুন কবির পণ্ডিতের বাড়িতে তার বাবার কুলখানি অনুষ্ঠান ছিল। এ কুলখানি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেয় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি কর্নেল (অব.) এম আনোয়ারুল আজিমের সমর্থকরা।

এদিকে সকাল ১০টার পর থেকে বিএনপির অপর পক্ষ কালাম ও তার সমর্থকরা উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জ বাজার, ঝলম উত্তর ইউনিয়নের বড় কেশতলা, লালচাঁদপুর ও ছিখোটিয়া এলাকা দিয়ে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করেন।

একপর্যায়ে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষ চলতে থাকে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় প্রায় ২০টি যানবহন ভাঙচুর করা হয়। অন্তত পাঁচটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়া হয়।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি (আজিম গ্রুপ) মো. ইলিয়াছ পাটোয়ারি বলেন, লাকসাম ও মনোহরগঞ্জে বিএনপির রাজনীতিতে আনোয়ারুল আজিমের বিকল্প নেই। আবুল কালাম একটি মিথ্যা কুলখানির ব্যানারে মনোহরগঞ্জে প্রবেশ করে শোডাউন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আজিম ভাইসহ আমাদের কোনো নির্দেশনা না দেওয়া সত্ত্বেও বিএনপির তৃণমূল ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা কালামের সেই চেষ্টাকে ব্যর্থ করে দিয়েছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন বলেন, কবির পণ্ডিতের বাড়িতে আমাদের যাওয়ার করা হয়েছে। সেখানে যাওয়ার সময় আমাদের ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালানো হয়েছে। পরে দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া আমাদের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মনোহরগঞ্জ থানার ওসি মো.আনোয়ার হোসেন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। তবে এখন পর্যন্ত বিএনপির কোনো পক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।