ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি বিএনপি নেতার মৃত্যু, অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে প্রত্যাহার রাজধানীর তিন পয়েন্ট অবরোধের ঘোষণা সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের জনগণের বিশ্বাস অর্জনের দায়িত্ব রাজনীতিবিদদেরই : আমীর খসরু আটকের পর ডাবলুর মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চান বিএনপি মহাসচিব

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী, অতঃপর…

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে সম্পর্ক করে প্রেমিকের বিয়ের আশ্বাসে স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী। পরে প্রেমিক বিয়ে না করায় প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ওই গৃহবধূ। মানিকগঞ্জের ওই গৃহবধূ শুক্রবার সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে।

অভিযুক্ত প্রেমিক জসীম উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের পাল কান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিক পালের ছেলে। ভুক্তভোগী ময়না মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইড় উপজেলার বাসিন্দা কোমর আলী মণ্ডলের মেয়ে। শুক্রবার সকালে উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নে শফিক পালের বাড়িতে বিয়ের জন্য অনশনে বসেন ময়না।

ভুক্তভোগী ময়না জানান, প্রায় ৩ মাস আগে মানিকগঞ্জের ময়নার সঙ্গে জসীমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জসীমের সঙ্গে সম্পর্কের এক মাস পরে বিয়ে করার আশ্বাসে নিজের স্বামী ও ২ বছর বয়সী মেয়েকে রেখে জসীমের কাছে চলে আসেন ময়না। পরে বিয়ে না হওয়ার বিষয়টি গোপন রেখে ময়নার কানের দুল, হাতের চুড়ি, গলার হার ও মোবাইল ফোন বিক্রি করে গাজীপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করতে থাকে ময়না ও জসীম।

ময়না জসীমকে বিয়ে করার জন্য বারবার চাপ দিতে থাকলে ৩ দিন আগে ময়নাকে ঢাকায় রেখে পালিয়ে যায় জসীম। পরে জসীমের আলামিন নামে এক বন্ধুর সহযোগিতায় ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে জসীমের গ্রামের বাড়িতে আসেন ময়না।

ময়না আক্তার বলেন, জসীমের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ফলে আমি ১ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছি। তার কারণে আমার স্বামী, সন্তান, মা-বাবা সব হারিয়েছি। এখন জসীম আমাকে গ্রহণ করছে না। তাই নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে এসেছি। তাকে না পেলে আমি আত্মহত্যা করব।

এ বিষয়ে জানতে জসীমকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে জসীমের মা তাসলিমা বেগম বলেন, জসীম এখন ঢাকায় আছে। মোবাইল ধরছে না তাই যোগাযোগও করতে পারছি না। আমার মনে হয় সব ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে সখিপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমিকের আশ্বাসে স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী, অতঃপর…

আপডেট সময় ১১:৩৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মোবাইল ফোনে সম্পর্ক করে প্রেমিকের বিয়ের আশ্বাসে স্বামীর ঘর ছাড়লেন এক সন্তানের জননী। পরে প্রেমিক বিয়ে না করায় প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন ওই গৃহবধূ। মানিকগঞ্জের ওই গৃহবধূ শুক্রবার সকাল থেকে বিয়ের দাবিতে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে।

অভিযুক্ত প্রেমিক জসীম উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নের পাল কান্দি গ্রামের বাসিন্দা শফিক পালের ছেলে। ভুক্তভোগী ময়না মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইড় উপজেলার বাসিন্দা কোমর আলী মণ্ডলের মেয়ে। শুক্রবার সকালে উপজেলার চরভাগা ইউনিয়নে শফিক পালের বাড়িতে বিয়ের জন্য অনশনে বসেন ময়না।

ভুক্তভোগী ময়না জানান, প্রায় ৩ মাস আগে মানিকগঞ্জের ময়নার সঙ্গে জসীমের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। জসীমের সঙ্গে সম্পর্কের এক মাস পরে বিয়ে করার আশ্বাসে নিজের স্বামী ও ২ বছর বয়সী মেয়েকে রেখে জসীমের কাছে চলে আসেন ময়না। পরে বিয়ে না হওয়ার বিষয়টি গোপন রেখে ময়নার কানের দুল, হাতের চুড়ি, গলার হার ও মোবাইল ফোন বিক্রি করে গাজীপুরে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করতে থাকে ময়না ও জসীম।

ময়না জসীমকে বিয়ে করার জন্য বারবার চাপ দিতে থাকলে ৩ দিন আগে ময়নাকে ঢাকায় রেখে পালিয়ে যায় জসীম। পরে জসীমের আলামিন নামে এক বন্ধুর সহযোগিতায় ঢাকা থেকে লঞ্চযোগে জসীমের গ্রামের বাড়িতে আসেন ময়না।

ময়না আক্তার বলেন, জসীমের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের ফলে আমি ১ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে গেছি। তার কারণে আমার স্বামী, সন্তান, মা-বাবা সব হারিয়েছি। এখন জসীম আমাকে গ্রহণ করছে না। তাই নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে এসেছি। তাকে না পেলে আমি আত্মহত্যা করব।

এ বিষয়ে জানতে জসীমকে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে জসীমের মা তাসলিমা বেগম বলেন, জসীম এখন ঢাকায় আছে। মোবাইল ধরছে না তাই যোগাযোগও করতে পারছি না। আমার মনে হয় সব ষড়যন্ত্র।

এ বিষয়ে সখিপুর থানার ওসি মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ঘটনাটি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।