অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
দেশের বড় শহরগুলোর পাশের নদী রক্ষার জন্য শিল্প বর্জ্য ও গৃহস্থালী বর্জ্যের আলাদা শোধনাগারের ব্যবস্থা রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রোববার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত জাতীয় পরিবেশ কমিটির সভায় এই নির্দেশনা দেন তিনি।
সভায় শেখ হাসিনা বলেন, তাঁর সরকার ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম সংবিধানে পরিবেশ বিষয়ে একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। তিনি বলেন, ‘যেখানে যেখানে বড় বড় শহর গড়ে উঠছে তার পাশে যে নদীগুলো, প্রত্যেকটা নদীরই একটা সুরক্ষার ব্যবস্থা করতে হবে। সেখানে এভাবে বর্জ্য পরিশোধনাগার আপনাদের তৈরি করে দিতে হবে। আমার মনে হয় আগে থেকে আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে আমরা দূষণমুক্ত করতে পারব। পরিবেশ আমরা রক্ষা করতে পারব।’
অতিবৃষ্টিতে জনদুর্ভোগ হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বৃষ্টির কারণে নদীর দূষণ কমেছে এবং ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বেড়েছে। যা পরিবেশের জন্য ইতিবাচক। সংরক্ষিত বনাঞ্চল সুরক্ষার পাশাপাশি নতুন নতুন বন গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
অতীতের সামরিক সরকারগুলোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যতগুলি খাল ছিল, বক্স কালভার্ট। মানে আইয়ুব খান, তারপরে জিয়াউর রহমান, তারপর এরশাদ। তিনজনই এসে মানে মন মতো করে তাঁরা এসব খাল, বিল, পুকুর সব ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। ঢাকা শহরে এই অবস্থাটার সৃষ্টি। বনানী লেক, সেগুনবাগিচা খাল, ধোলাইখাল, শান্তিনগর খাল কোনোটাই নাই। সবই বক্স কালভার্ট অথবা এগুলি করা। যার ফলে জলাবদ্ধতা হবে। আর বাড়িঘর যখন কেউ বানায় ড্রেনের জন্য জায়গা রাখে না, কোনো জায়গাই রাখে না। সরকারি নিয়মও মানে না।’
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইউরপীয় ইউনিয়নের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়াদুন দেখা করেন। এ সময় তাঁরা দুই পক্ষের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















