ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৮ জেলায় ডিজিটাল জামিননামা (ই-বেইলবন্ড) উদ্বোধন করলেন আইন উপদেষ্টা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে আইসিসিকে নতুন বার্তা পিসিবির ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে অনড় ট্রাম্প, বললেন পিছু হটার সুযোগ নেই

তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে: ইকবাল মাহমুদ

আপডেট সময় ১০:১৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘কে কী বলল, এটা আমাদের দেখার বিষয় না। অভিযোগ এসেছে, তদন্ত হবে। তদন্ত শেষেই সবকিছু জানা যাবে।’

বিএনপির আট নেতার ব্যাংক লেনদেনের ঘটনায় দুদকের অনুসন্ধান নিয়ে দলটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদক চেয়ারম্যান মঙ্গলবার বিকালে নিজ কার্যালয়ে এসব কথা বলেন।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা কে কী বলছে, এটা তাদের ব্যাপার। রাজনৈতিক ব্যাপারে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

নির্বাচনের বছর বলে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা হচ্ছে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে নির্বাচন কোনো ইস্যু না। নির্বাচন যাদের কাছে ইস্যু, বিষয়টি তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করেন। আমাদের কাছে সব বছরই সমান বছর। সব দিনই সমান দিন।’

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ‘আপনারা কী কখনো দেখেছেন আমাদের বেশি উত্তেজিত হতে বা অতি উৎসাহী হয়েছি। আমরা সব সময় সমানভাবে কাজ করে যাই।’

তিনি বলেন, ‘কারো প্রতিক্রিয়া দ্বারা তো দেশ বা কোনো প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। সবকিছু আমরা আমাদের বিদ্যা-বুদ্ধি, অভিজ্ঞতা দিয়ে কাজ করি। কোনো কিছুই আমাদের বাধাগ্রস্ত করবে না। কারো প্রতি অন্যায় হবে এটাও আমরা চাই না।’

ইববাল মাহমুদ সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘যে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ এলেই আমরা তদন্ত করি। আমার বা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তদন্ত হবে। আর অভিযোগ এলেই সবকিছু সত্য না-ও হতে পারে। কাজেই এটাকে রাজনৈতিক ইস্যু বলা যাবে না।’

উল্লেখ্য, সন্দেহজনক লেনদেন, অর্থপাচার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সোমবার বিএনপির শীর্ষ ৮ নেতাসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একযোগে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দলটির যেসব নেতার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে তারা হলেন- ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলামখান, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ও তার ছেলে তাবিথ আউয়াল, এম মোর্শেদ খান ও তার ছেলে ফয়সাল মোর্শেদ খান, হাবিবুন্নবী খান সোহেল।