ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের আবারও বিক্ষোভে নামার ডাক রেজা পাহলভির, মেলেনি সাড়া মানবিক বাংলাদেশ গড়ায় আপনাদের সহযোগিতা চাই : নজরুল ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও

গরমকালে দই ভাত খাওয়া উচিত কেন

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তাপমাত্রা যখন বাড়তে থাকে তখন কী হয়? দেহের অন্দরে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে বদহজম এবং গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

এমন পরিস্থিতিতে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং নানাবিধ পেটের রোগকে দূরে রাখতে দই ভাত নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

হাড় শক্তপোক্ত হয় : দেহের অন্দরে এ খনিজটির ঘাটতি দেখা দিলে হাড় দুর্বল হতে শুরু করে। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যাতে কোনো সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর তার জন্য বেশি করে খেতে হবে দই ভাত। কারণ দইয়ে এই খনিজটি প্রচুর মাত্রায় থাকে, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাস পায় : দই ভাত খাওয়ার পর অনেকটা সময় পর্যন্ত পেট ভরে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার আশঙ্কাও।

ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত দই ভাত খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভিটামিন এবং খনিজ শোষণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে দেহের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : দই এবং ভাত মিশে যাওয়ার পর এমন কিছু উপাদানের জন্ম হয় যে তা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র একাধিক পেটের রোগ সেরে যেতে শুরু করে।

সেই সঙ্গে বদহজমের সমস্যা থাকলে তারও উপশম ঘটে। আসলে দইয়ে উপস্থিত উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করামাত্র তা ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে থাকে। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশন এবং তলপেটে অস্বস্তির মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকায় দই ভাত খাওয়ার অভ্যাস করলে ধীরে ধীরে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে নানাবিধ সংক্রমণের আশঙ্কাও হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এনার্জির ঘাটতিও পূরণ হয়।

ডা. আলমগীর মতি

হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক

মডার্ন হারবাল গ্রুপ, ঢাকা।

মোবাইল ফোন : ০১৯১১৩৮৬৬১৭

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

গরমকালে দই ভাত খাওয়া উচিত কেন

আপডেট সময় ০৬:৩৫:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

তাপমাত্রা যখন বাড়তে থাকে তখন কী হয়? দেহের অন্দরে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে বদহজম এবং গ্যাস-অম্বলের প্রকোপ বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে পেট খারাপ হওয়ার আশঙ্কাও বৃদ্ধি পায়।

এমন পরিস্থিতিতে শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং নানাবিধ পেটের রোগকে দূরে রাখতে দই ভাত নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

হাড় শক্তপোক্ত হয় : দেহের অন্দরে এ খনিজটির ঘাটতি দেখা দিলে হাড় দুর্বল হতে শুরু করে। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগ মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।

ক্যালসিয়ামের ঘাটতি যাতে কোনো সময় না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর তার জন্য বেশি করে খেতে হবে দই ভাত। কারণ দইয়ে এই খনিজটি প্রচুর মাত্রায় থাকে, যা ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ওজন হ্রাস পায় : দই ভাত খাওয়ার পর অনেকটা সময় পর্যন্ত পেট ভরে থাকে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই খাওয়ার পরিমাণ কমে যায়। সেই সঙ্গে কমে শরীরে অতিরিক্ত মেদ জমার আশঙ্কাও।

ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত দই ভাত খাওয়া শুরু করলে শরীরের ভিটামিন এবং খনিজ শোষণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে দেহের অন্দরে পুষ্টির ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা কমে। সেই সঙ্গে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও হ্রাস পায়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : দই এবং ভাত মিশে যাওয়ার পর এমন কিছু উপাদানের জন্ম হয় যে তা শরীরে প্রবেশ করা মাত্র একাধিক পেটের রোগ সেরে যেতে শুরু করে।

সেই সঙ্গে বদহজমের সমস্যা থাকলে তারও উপশম ঘটে। আসলে দইয়ে উপস্থিত উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরে প্রবেশ করামাত্র তা ধীরে ধীরে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটাতে থাকে। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশন এবং তলপেটে অস্বস্তির মতো রোগের প্রকোপ কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে : অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ থাকায় দই ভাত খাওয়ার অভ্যাস করলে ধীরে ধীরে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটে। ফলে নানাবিধ সংক্রমণের আশঙ্কাও হ্রাস পায়। সেই সঙ্গে এনার্জির ঘাটতিও পূরণ হয়।

ডা. আলমগীর মতি

হারবাল গবেষক ও চিকিৎসক

মডার্ন হারবাল গ্রুপ, ঢাকা।

মোবাইল ফোন : ০১৯১১৩৮৬৬১৭