ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

মে’র আগে উড়ছে না ইউএস-বাংলার নেপাল ফ্লাইট

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নেপালে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হতে দেরি হবে। মে মাসের আগে এই রুটে সংস্থাটির বিমান চলাচল চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে দুর্ঘটনার পর এই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় দুই পাইলট, ‍দুই জন কেবিন ক্রু এবং ২৩ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৫২ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হন বাকিরা। আহতদের মধ্যে যারা বাংলাদেশি রয়েছেন তাদের কয়েকজনকে ইতোমধ্যে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও পাঠানো হয়েছে একাধিক জনকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পরদিন ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট দুর্ঘটনায় পড়া যাত্রীদের স্বজন এবং কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে নেপাল যায়। এরপর থেকে ইউএস বাংলা এই রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। ইউএস বাংলা ছাড়াও রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ ও বেসরকারি রিজেন্ট এয়ারলাইন্স ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে।

এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, এয়ারলাইন্সটির বহরে মোট আটটি উড়োজাহাজ ছিল। কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ হারায় এয়ারলাইন্সটি। বর্তমানে তাদের রয়েছে তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ ও চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ৭৬ আসনের ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সংযোজিত করে এয়ারলাইন্সটি। এ বছরের মধ্যেই এয়ারলাইন্সটি আরও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০, তিনটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং দু’টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়াও অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য ছিল তাদের। তবে নেপালে দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ায় তাদের পরিকল্পনা কিছুটা হোঁচট খায়।

যাত্রা শুরুর দুই বছরের মধ্যে ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যাত্রা শুরু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনা শুরুর পর এক বছরের মধ্যই কাঠমান্ডু ছাড়াও ঢাকা থেকে কলকাতা, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে সংস্থাটি।

সূত্র জানায়, নেপাল দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ হারানো এবং ফেব্রুয়ারিতে একটি ড্যাশ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সি চেকে (রক্ষণাবেক্ষণ) যাওয়ায় ইউএস-বাংলার এই মূহুর্তে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটের ফ্লাইট সচল রাখা দূরুহ হয়ে পড়েছিল। সি চেকে যাওয়া উড়োজাহাজটি রক্ষণাবেক্ষণ শেষে পুনরায় বহরে যোগ হবে এপ্রিলের প্রথম দিকে।

তাছাড়া নেপাল ও ভুটানের মতো দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) নীতিমালা করতে যাচ্ছে। দেশের এয়ারলাইন্সের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেবিচক মনে করছে, ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এসব দেশে কোনো এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের ক্ষেত্রে আলাদা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণ ছাড়াও আরও বেশকিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করা হবে যা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে মেনে চলতে হবে।

এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, সি চেক হয়ে আসা উড়োজাহাজটি ছাড়াও ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইট পুনরায় চালু করতে আরেকটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন হবে। উড়োজাহাজ লিজে আনা কিংবা কেনা দুটিই বেশ দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এসব মিলিয়ে এই রুট চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেই ধারণা করছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে তিন শর অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। যাত্রা শুরু করার পর সাড়ে তিন বছরে প্রায় ৩৬ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে সংস্থাটি, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ দৈনিক আকাশকে বলেন, দুর্ঘটনার পর তাদের কাঠমান্ডু রুটের ফ্লাইট বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের একটি ড্যাশ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সি চেকে থাকায় তারা আপাতত ফ্লাইট বন্ধ রাখছেন। রক্ষণাবেক্ষণ শেষে উড়োজাহাজটি মার্চের শেষে বহরে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া এই রুটটি সচল রাখতে আরও একটি নতুন উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে।

‘ইতিমধ্যে বেবিচক নেপাল ও ভুটানের মতো দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রনণয়ন এবং তা মেনে পরবর্তীতে ফ্লাইট পুনরায় চালু করা কিছুটা সময় সাপেক্ষ হবে।’ যোগ করেন ইমরান আসিফ।

২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ‘ফ্লাই ফাস্ট-ফ্লাই সেফ’ স্লোগান নিয়ে ৭৬ আসনবিশিষ্ট দু’টি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ঢাকা-যশোর ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা অভ্যন্তরীণ সকল রুটসহ সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দোহা, মাস্কাট, কাঠমুন্ডু ও কলকাতা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

মে’র আগে উড়ছে না ইউএস-বাংলার নেপাল ফ্লাইট

আপডেট সময় ০৩:২৭:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

নেপালে বিমান দুর্ঘটনার ঘটনায় ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু হতে দেরি হবে। মে মাসের আগে এই রুটে সংস্থাটির বিমান চলাচল চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে দুর্ঘটনার পর এই এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বন্ধ হয়ে গেছে।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এই দুর্ঘটনায় দুই পাইলট, ‍দুই জন কেবিন ক্রু এবং ২৩ জন বাংলাদেশিসহ মোট ৫২ জন যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হন বাকিরা। আহতদের মধ্যে যারা বাংলাদেশি রয়েছেন তাদের কয়েকজনকে ইতোমধ্যে দেশে ফিরিয়ে এনে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরেও পাঠানো হয়েছে একাধিক জনকে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার পরদিন ইউএস বাংলার একটি ফ্লাইট দুর্ঘটনায় পড়া যাত্রীদের স্বজন এবং কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে নেপাল যায়। এরপর থেকে ইউএস বাংলা এই রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে। ইউএস বাংলা ছাড়াও রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ ও বেসরকারি রিজেন্ট এয়ারলাইন্স ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনা করে।

এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, এয়ারলাইন্সটির বহরে মোট আটটি উড়োজাহাজ ছিল। কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ হারায় এয়ারলাইন্সটি। বর্তমানে তাদের রয়েছে তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ ও চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়ে ফেব্রুয়ারিতে ৭৬ আসনের ড্যাশ৮-কিউ৪০০ সংযোজিত করে এয়ারলাইন্সটি। এ বছরের মধ্যেই এয়ারলাইন্সটি আরও তিনটি ড্যাশ৮-কিউ৪০০, তিনটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং দু’টি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ইআর উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এছাড়াও অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্য ছিল তাদের। তবে নেপালে দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ায় তাদের পরিকল্পনা কিছুটা হোঁচট খায়।

যাত্রা শুরুর দুই বছরের মধ্যে ২০১৬ সালের ১৫ মে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটে ফ্লাইট পরিচালনার মধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে যাত্রা শুরু করে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স। আন্তর্জাতিক রুট পরিচালনা শুরুর পর এক বছরের মধ্যই কাঠমান্ডু ছাড়াও ঢাকা থেকে কলকাতা, মাস্কাট, দোহা, কুয়ালালামপুর, সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করে আসছে সংস্থাটি।

সূত্র জানায়, নেপাল দুর্ঘটনায় একটি উড়োজাহাজ হারানো এবং ফেব্রুয়ারিতে একটি ড্যাশ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সি চেকে (রক্ষণাবেক্ষণ) যাওয়ায় ইউএস-বাংলার এই মূহুর্তে ঢাকা-কাঠমান্ডু রুটের ফ্লাইট সচল রাখা দূরুহ হয়ে পড়েছিল। সি চেকে যাওয়া উড়োজাহাজটি রক্ষণাবেক্ষণ শেষে পুনরায় বহরে যোগ হবে এপ্রিলের প্রথম দিকে।

তাছাড়া নেপাল ও ভুটানের মতো দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালনা বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) নীতিমালা করতে যাচ্ছে। দেশের এয়ারলাইন্সের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেবিচক মনে করছে, ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এসব দেশে কোনো এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ উড্ডয়ন ও অবতরণের ক্ষেত্রে আলাদা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। প্রশিক্ষণ ছাড়াও আরও বেশকিছু নিয়মকানুন প্রণয়ন করা হবে যা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষকে মেনে চলতে হবে।

এয়ারলাইন্স সূত্রে জানা গেছে, সি চেক হয়ে আসা উড়োজাহাজটি ছাড়াও ঢাকা-কাঠমান্ডু ফ্লাইট পুনরায় চালু করতে আরেকটি উড়োজাহাজ প্রয়োজন হবে। উড়োজাহাজ লিজে আনা কিংবা কেনা দুটিই বেশ দীর্ঘ প্রক্রিয়া। এসব মিলিয়ে এই রুট চালু হতে কিছুটা সময় লাগবে বলেই ধারণা করছে এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স বর্তমানে প্রতি সপ্তাহে তিন শর অধিক অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে। যাত্রা শুরু করার পর সাড়ে তিন বছরে প্রায় ৩৬ হাজার ফ্লাইট পরিচালনা করেছে সংস্থাটি, যা বাংলাদেশে বিমান চলাচলের ইতিহাসে একটি রেকর্ড।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান আসিফ দৈনিক আকাশকে বলেন, দুর্ঘটনার পর তাদের কাঠমান্ডু রুটের ফ্লাইট বন্ধ করার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু এই মুহূর্তে তাদের একটি ড্যাশ৮ কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ সি চেকে থাকায় তারা আপাতত ফ্লাইট বন্ধ রাখছেন। রক্ষণাবেক্ষণ শেষে উড়োজাহাজটি মার্চের শেষে বহরে যুক্ত হতে পারে। এছাড়া এই রুটটি সচল রাখতে আরও একটি নতুন উড়োজাহাজের প্রয়োজন হবে।

‘ইতিমধ্যে বেবিচক নেপাল ও ভুটানের মতো দেশের ঝুঁকিপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রে নীতিমালা প্রনণয়ন এবং তা মেনে পরবর্তীতে ফ্লাইট পুনরায় চালু করা কিছুটা সময় সাপেক্ষ হবে।’ যোগ করেন ইমরান আসিফ।

২০১৪ সালের ১৭ জুলাই ‘ফ্লাই ফাস্ট-ফ্লাই সেফ’ স্লোগান নিয়ে ৭৬ আসনবিশিষ্ট দু’টি ড্যাশ৮-কিউ৪০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ঢাকা-যশোর ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা ইউএস-বাংলা অভ্যন্তরীণ সকল রুটসহ সিঙ্গাপুর, কুয়ালালামপুর, ব্যাংকক, দোহা, মাস্কাট, কাঠমুন্ডু ও কলকাতা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।