ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিগগিরই চালু হবে জুলাই জাদুঘর: সংস্কৃতিমন্ত্রী গাইবান্ধায় বিসিক শিল্পনগরীর কয়েল ফ্যাক্টরিতে আগুন আইএমএফের শর্ত মেনে কি পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে পারবে সরকার? গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এখন রাষ্ট্র মেরামতের কাজ চলছে: তথ‍্যমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মাছ ধরতে গিয়ে মেয়ের সামনে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা যে সরকার মানুষের খোঁজ নেওয়ার সময় পায় না, এটা কোনো সরকারই না: জামায়াত আমির বিপৎসীমার ওপরে পাঁচ নদীর পানি, সমুদ্রও উত্তাল তালিকায় ১ নম্বরে আমার নাম, আমি মরলে তোমরাও মরবে: ট্রাম্প সিরাজগঞ্জে নিখোঁজের দুইদিন পর যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য যে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, তা বহাল থাকবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার চট্টগ্রামের পটিয়ায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ হাসিনা এ কথা জানিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, এই কথাটা ভুললে চলবে না। কাজেই তাদেরকে আমাদের সম্মান দিতেই হবে। তাদের ছেলে, মেয়ে নাতি পুতি পর্যন্ত যাতে চাকরি পায়, সেটার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

কোটায় যদি না পাওয়া যায়, তাহলে শূন্য পদে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দিতে কোটার বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর বাইরে কিছু করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা রয়েছে। এর বাইরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোর জন্য ১০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে।

৯০ দশক থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক সরকারের শেষ বছরে এই কোটা নিয়ে একটি পক্ষ মাঠে নামে। তারা মূলত মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে।

তবে গত কয়েক মাস ধরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা এসেছে। তারা আগের মতো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কোটা বাতিলের দাবি না তুলে কোটা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছে। তাদের দাবি, কোটা কমিয়ে ১০ শতাংশে নিয়ে আসতে হবে।

চাকরিপ্রার্থীদের এই আন্দোলনের মুখে সম্প্রতি কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদে মেধা তালিকা থেকে নিয়োগ হবে বলে সিদ্ধান্ত জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপরও চাকরি প্রার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। এতদিন প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলেননি। তবে আজকে তিনি তার অবস্থান জানিয়ে দিলেন।

চাকরিতে কোটার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের এই বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে। কারণ তাদের আত্মত্যাগের কারণেই তো আজকে এই চাকরির সুযোগ, আজকে এই স্বাধীনতা, আজকে মানুষের উন্নয়ন।’

যদি দেশ স্বাধীন না হতো তাহলে কোনো উন্নয়ন হতো না, কারও কোনো চাকরি হতো না, উচ্চ পদেও কেউ যেত পারত না, এই কথা ভুললে চলবে না।তাই তাদেরকে আমরা সম্মান দেই।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দলের প্রয়োজনে ছুটি বাতিল তাসকিনের, ওয়ানডে দলে ফিরলেন সাইফউদ্দিন

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:৪৪:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য যে ৩০ শতাংশ কোটা আছে, তা বহাল থাকবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার চট্টগ্রামের পটিয়ায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শেখ হাসিনা এ কথা জানিয়ে দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের কারণে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, এই কথাটা ভুললে চলবে না। কাজেই তাদেরকে আমাদের সম্মান দিতেই হবে। তাদের ছেলে, মেয়ে নাতি পুতি পর্যন্ত যাতে চাকরি পায়, সেটার জন্য কোটার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।’

কোটায় যদি না পাওয়া যায়, তাহলে শূন্য পদে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ দিতে কোটার বিষয়টি শিথিল করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর বাইরে কিছু করা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ৩০ শতাংশ কোটা রয়েছে। এর বাইরে পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোর জন্য ১০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য পাঁচ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য এক শতাংশ কোটা রয়েছে।

৯০ দশক থেকে প্রতিটি রাজনৈতিক সরকারের শেষ বছরে এই কোটা নিয়ে একটি পক্ষ মাঠে নামে। তারা মূলত মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসে তা বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে।

তবে গত কয়েক মাস ধরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে নতুন মাত্রা এসেছে। তারা আগের মতো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কোটা বাতিলের দাবি না তুলে কোটা সংস্কারের দাবি জানাচ্ছে। তাদের দাবি, কোটা কমিয়ে ১০ শতাংশে নিয়ে আসতে হবে।

চাকরিপ্রার্থীদের এই আন্দোলনের মুখে সম্প্রতি কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদে মেধা তালিকা থেকে নিয়োগ হবে বলে সিদ্ধান্ত জানায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এরপরও চাকরি প্রার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল। এতদিন প্রধানমন্ত্রী এই বিষয়টি নিয়ে কিছু বলেননি। তবে আজকে তিনি তার অবস্থান জানিয়ে দিলেন।

চাকরিতে কোটার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আমাদের এই বিশেষ ব্যবস্থা করতেই হবে। কারণ তাদের আত্মত্যাগের কারণেই তো আজকে এই চাকরির সুযোগ, আজকে এই স্বাধীনতা, আজকে মানুষের উন্নয়ন।’

যদি দেশ স্বাধীন না হতো তাহলে কোনো উন্নয়ন হতো না, কারও কোনো চাকরি হতো না, উচ্চ পদেও কেউ যেত পারত না, এই কথা ভুললে চলবে না।তাই তাদেরকে আমরা সম্মান দেই।’