ঢাকা ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

নেপাল থেকে এলেন রুবায়েতও, বার্ন ইউনিটে ভর্তি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আহত যাত্রী রাশেদ রুবায়েতকে দেশে আনার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

কাঠমান্ডু থেকে আনার পর বিমানবন্দর থেকে শনিবার বিকালে রুবায়েতকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ভিআইপি কেবিনে রাখা হয়।

এ নিয়ে এ পর্যন্ত আহত যাত্রীদের পাঁচজনকে ঢাকায় আনা হল। অন্য চারজনও বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিনে রয়েছেন। তাদের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে ওই দুর্ঘটনার পর রুবায়েতসহ বাংলাদেশি ১০ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রুবায়েতের অবস্থার বিষয়ে বার্ন ইউনিটটির সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, তার অবস্থা অন্যদের চেয়ে ভালো।

“দেখে মনে হল, তার বুকের পাঁজরে কিছু হাড় ভাঙা আছে আর পায়ে সফট কিছু ইনজুরি। এটাই তার মেইন প্রবলেম। লাংসের একটা কষ্টের কথা সে বলেছে, সেটার জন্য আমরা রেসপাইরেটরি মেডিসিনের প্রফেসরকে ডেকেছি। উনি এসে একটু পরে দেখবেন।”

“তবে আপাতদৃষ্টিতে যারা এসেছে, তাদের থেকে তার অবস্থা বেটার। আমরা তাকে কেবিনে রেখেছি।”

বার্ন ইউনিটে থাকা অন্য চারজন হলেন শাহরিন আহমেদ, মেহেদী হাসান অমিয়, মেহেদীর স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও মেহেদীর ফুপাত ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়কের স্ত্রী আলমুন নাহার অ্যানি।

শাহরিনকে বৃহস্পতিবার এবং অন্য তিনজনকে শুক্রবার বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। আহত আরও দুজন কবির হোসেন ও মো. শাহীন বেপারিকে রোববার ঢাকায় আনা হচ্ছে।

“আগামীকাল যে দুজন আসবে তাদেরকেও আমরা কেবিনে রাখব,” বলেন সামন্ত লাল। নেপালে চিকিৎসাধীন ইমরানা কবির হাসিকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছে ভারতে। আহত আরেকজন রিজওয়ানুল হককে নেপাল থেকেই সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেছেন তার বাবা।

আহত একজন ইয়াকুব আলী নেপালেই থাকছেন। তার পরিবারের সদস্যরা নেপালেই চিকিৎসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

যারা নেপাল থেকে এসেছেন তাদের সবাই কিছুটা মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে স্বজনদের সান্নিধ্যে রুবায়েত সেই অবস্থা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছেন বলে মনে করছেন ডা. সামন্ত লাল।

হাসপাতালে ভর্তি অন্যদের অবস্থা কেমন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মোটামুটি স্টেবল, তবে শঙ্কামুক্ত আমি বলব না। ১৩ সদস্যের যে মেডিকেল বোর্ড আজকে করলাম সেটা আগামীকাল রোববার সকাল ১০টায় বসবে। বসে আমরা আলাপ আলোচনা করে পরবর্তীতে আপনাদের জানাব।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

নেপাল থেকে এলেন রুবায়েতও, বার্ন ইউনিটে ভর্তি

আপডেট সময় ০৮:২৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নেপালে বিধ্বস্ত ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের আহত যাত্রী রাশেদ রুবায়েতকে দেশে আনার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

কাঠমান্ডু থেকে আনার পর বিমানবন্দর থেকে শনিবার বিকালে রুবায়েতকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের ভিআইপি কেবিনে রাখা হয়।

এ নিয়ে এ পর্যন্ত আহত যাত্রীদের পাঁচজনকে ঢাকায় আনা হল। অন্য চারজনও বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিনে রয়েছেন। তাদের চিকিৎসায় একটি মেডিকেল বোর্ডও গঠন করা হয়েছে।

গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে ওই দুর্ঘটনার পর রুবায়েতসহ বাংলাদেশি ১০ যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করে সেখানকার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রুবায়েতের অবস্থার বিষয়ে বার্ন ইউনিটটির সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, তার অবস্থা অন্যদের চেয়ে ভালো।

“দেখে মনে হল, তার বুকের পাঁজরে কিছু হাড় ভাঙা আছে আর পায়ে সফট কিছু ইনজুরি। এটাই তার মেইন প্রবলেম। লাংসের একটা কষ্টের কথা সে বলেছে, সেটার জন্য আমরা রেসপাইরেটরি মেডিসিনের প্রফেসরকে ডেকেছি। উনি এসে একটু পরে দেখবেন।”

“তবে আপাতদৃষ্টিতে যারা এসেছে, তাদের থেকে তার অবস্থা বেটার। আমরা তাকে কেবিনে রেখেছি।”

বার্ন ইউনিটে থাকা অন্য চারজন হলেন শাহরিন আহমেদ, মেহেদী হাসান অমিয়, মেহেদীর স্ত্রী সাঈদা কামরুন্নাহার স্বর্ণা ও মেহেদীর ফুপাত ভাই ফারুক হোসেন প্রিয়কের স্ত্রী আলমুন নাহার অ্যানি।

শাহরিনকে বৃহস্পতিবার এবং অন্য তিনজনকে শুক্রবার বাংলাদেশে আনা হয়েছিল। আহত আরও দুজন কবির হোসেন ও মো. শাহীন বেপারিকে রোববার ঢাকায় আনা হচ্ছে।

“আগামীকাল যে দুজন আসবে তাদেরকেও আমরা কেবিনে রাখব,” বলেন সামন্ত লাল। নেপালে চিকিৎসাধীন ইমরানা কবির হাসিকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হচ্ছে ভারতে। আহত আরেকজন রিজওয়ানুল হককে নেপাল থেকেই সিঙ্গাপুরে নিয়ে গেছেন তার বাবা।

আহত একজন ইয়াকুব আলী নেপালেই থাকছেন। তার পরিবারের সদস্যরা নেপালেই চিকিৎসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বলে জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

যারা নেপাল থেকে এসেছেন তাদের সবাই কিছুটা মানসিক সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে স্বজনদের সান্নিধ্যে রুবায়েত সেই অবস্থা অনেকটা কাটিয়ে উঠেছেন বলে মনে করছেন ডা. সামন্ত লাল।

হাসপাতালে ভর্তি অন্যদের অবস্থা কেমন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, “মোটামুটি স্টেবল, তবে শঙ্কামুক্ত আমি বলব না। ১৩ সদস্যের যে মেডিকেল বোর্ড আজকে করলাম সেটা আগামীকাল রোববার সকাল ১০টায় বসবে। বসে আমরা আলাপ আলোচনা করে পরবর্তীতে আপনাদের জানাব।”