ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতায় ১০ বছরের জেল: মন্ত্রিসভা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতার দায়ে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বিদ্যুৎ আইন- ২০১৭’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, উপ-কেন্দ্র, বিদ্যুৎ লাইন বা খুঁটি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি নাশকতার মাধ্যমে ধ্বংস করা হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর ও সর্বনিম্ন ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।এসব কর্মকাণ্ড স্যাবোটাজের আকারে ধরা হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, ১৯১০ সালের একটি অধ্যাদেশ দ্বারা বিদ্যুতের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন কর্মকাণ্ড চলে আসছিল। বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে নতুন আইনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। এর আলোকে বিদ্যুৎ বিভাগ আইনের খসড়াটি উপস্থাপন করে।

এছাড়া নতুন আইনে আবাসিক পর্যায়ে চুরি করে বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে বলে জানান শফিউল আলম।তিনি আরও জানান, শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। এ ছাড়া বিদ্যুতের মিটার টেম্পারিং, সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতায় ১০ বছরের জেল: মন্ত্রিসভা

আপডেট সময় ১১:৫৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ স্থাপনায় নাশকতার দায়ে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বিদ্যুৎ আইন- ২০১৭’-এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, উপ-কেন্দ্র, বিদ্যুৎ লাইন বা খুঁটি বা অন্যান্য যন্ত্রপাতি নাশকতার মাধ্যমে ধ্বংস করা হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর ও সর্বনিম্ন ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থ দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।এসব কর্মকাণ্ড স্যাবোটাজের আকারে ধরা হয়েছে জানিয়ে সচিব বলেন, ১৯১০ সালের একটি অধ্যাদেশ দ্বারা বিদ্যুতের উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিপণন কর্মকাণ্ড চলে আসছিল। বর্তমান বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে নতুন আইনের প্রয়োজন দেখা দিয়েছিল। এর আলোকে বিদ্যুৎ বিভাগ আইনের খসড়াটি উপস্থাপন করে।

এছাড়া নতুন আইনে আবাসিক পর্যায়ে চুরি করে বিদ্যুতের সংযোগ নেয়া হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে বলে জানান শফিউল আলম।তিনি আরও জানান, শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ চুরির ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয়েছে, তার দ্বিগুণ অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। এ ছাড়া বিদ্যুতের মিটার টেম্পারিং, সরঞ্জাম চুরির ঘটনায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।