ঢাকা ০৬:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর জি৭ সম্মেলনে লেবাননে যুদ্ধবিরতির আহ্বান নেতাদের শিল্পকলায় সার্কাস ও যাত্রাপালা কর্মশালার সমাপ্তি: সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয় পশ্চিমবঙ্গে ভোটের পর ৩৬ পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠনে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী সাবেক এমপি খালেদা রব্বানীর বাসায় গেলেন প্রধানমন্ত্রী স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ হজের ব্যয় কমাতে রাষ্ট্রীয় ও কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

মসুলের বাতাসে লাশের গন্ধ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনও বের হচ্ছে জঙ্গিদের পঁচা-গলা মরদেহ। খোলা আকাশের নিচেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মৃতদেহ। বাতাস ভারী হয়ে আছে লাশের গন্ধে।

এমন বিভৎস পরিবেশে আইএসের পতনের সাত মাস পরও ভিটেমাটিতে ফিরতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। মহামারী ছড়ানোর আশঙ্কা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

অন্য কোনো উপায় না থাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই নতুন করে জীবন শুরু করছেন এখানকার বাসিন্দারা। সরকারি বা আন্তর্জাতিক সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় উদ্যোগেই শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। শহরকে পুরনো চেহারায় ফেরানোর স্বপ্ন মসুলের বাসিন্দাদের।

ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল মসুল। গত বছরই ইরাকের সরকারি বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে ভয়াবহ লড়াইয়ের সাক্ষী এই শহরটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

মসুল পৌরসভার প্রধান আবদেল সাত্তার আল হিব্বু বলেন, ধ্বংসাবশেষ আর মানুষের হাড়গোড় ছাড়া আইএস আমাদের জন্য কিছুই রাখেনি। বিধ্বস্ত ভবনগুলোর স্তূপের নিচে এখনও শত শত মরদেহ চাপা পড়ে আছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর সহায়তা পেলে আরও দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

আইএসের প্রায় তিন বছরের তাণ্ডবে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মসুলের সাধারণ বাসিন্দারা। জঙ্গিদের পরাজয় হলেও ভীতি কাটেনি অনেকেরই।

কাটবেই বা কীভাবে? মসুল অভিযানে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন বলছে- সাত মাস পরও মরদেহের সন্ধান প্রমাণ করে যে জঙ্গিদের ক্ষতির পরিমাণ আগেকার করা ধারণার চেয়েও বেশি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মসুলের বাতাসে লাশের গন্ধ

আপডেট সময় ০১:০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে এখনও বের হচ্ছে জঙ্গিদের পঁচা-গলা মরদেহ। খোলা আকাশের নিচেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে মৃতদেহ। বাতাস ভারী হয়ে আছে লাশের গন্ধে।

এমন বিভৎস পরিবেশে আইএসের পতনের সাত মাস পরও ভিটেমাটিতে ফিরতে পারছেন না সাধারণ মানুষ। মহামারী ছড়ানোর আশঙ্কা করছে শহর কর্তৃপক্ষ।

অন্য কোনো উপায় না থাকায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যেই নতুন করে জীবন শুরু করছেন এখানকার বাসিন্দারা। সরকারি বা আন্তর্জাতিক সহায়তার অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় উদ্যোগেই শুরু হয়েছে সংস্কারকাজ। শহরকে পুরনো চেহারায় ফেরানোর স্বপ্ন মসুলের বাসিন্দাদের।

ইরাকে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল মসুল। গত বছরই ইরাকের সরকারি বাহিনী শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে ভয়াবহ লড়াইয়ের সাক্ষী এই শহরটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

মসুল পৌরসভার প্রধান আবদেল সাত্তার আল হিব্বু বলেন, ধ্বংসাবশেষ আর মানুষের হাড়গোড় ছাড়া আইএস আমাদের জন্য কিছুই রাখেনি। বিধ্বস্ত ভবনগুলোর স্তূপের নিচে এখনও শত শত মরদেহ চাপা পড়ে আছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি। তবে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাগুলোর সহায়তা পেলে আরও দ্রুত পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।

আইএসের প্রায় তিন বছরের তাণ্ডবে সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী মসুলের সাধারণ বাসিন্দারা। জঙ্গিদের পরাজয় হলেও ভীতি কাটেনি অনেকেরই।

কাটবেই বা কীভাবে? মসুল অভিযানে কত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, তার সঠিক হিসাব নেই কারও কাছে। তবে স্থানীয় প্রশাসন বলছে- সাত মাস পরও মরদেহের সন্ধান প্রমাণ করে যে জঙ্গিদের ক্ষতির পরিমাণ আগেকার করা ধারণার চেয়েও বেশি।